> ## Documentation Index
> Fetch the complete documentation index at: https://laws.sayed.app/llms.txt
> Use this file to discover all available pages before exploring further.

# বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিল আইন, ২০১৫

> গবেষণা ও উন্নয়নের মাধ্যমে দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উৎকর্ষতা আনয়ন ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে প্রণীত আইন

**Status:** Active

**Date of Publication:** ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

**Act No:** ২০১৫ সনের ২ নং আইন

যেহেতু বিদ্যুৎ ও জ্বালানির বহুমুখী ব্যবহারের ক্ষেত্র চিহ্নিতকরণ, জ্বালানি সংরক্ষণ ও রূপান্তরসহ উহার নিরাপত্তা নিশ্চিত করিবার স্বার্থে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতা সাধন জরুরী; এবং

যেহেতু বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে উক্ত খাতের গবেষণা, গবেষণার মাধ্যমে প্রযুক্তির উন্নয়ন ও উৎকর্ষতা সাধন, নূতন প্রযুক্তি উদ্ভাবন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গবেষক ও বিজ্ঞানীদের গবেষণা কার্যে সম্পৃক্তকরণের প্রক্রিয়া সমন্বয়ের জন্য জাতীয়ভাবে প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম গ্রহণ করা আবশ্যক; এবং

যেহেতু উক্ত উদ্দেশ্যসমূহ সাধনকল্পে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;

সেহেতু, ‌এতদ্‌দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল, যথা :-

## প্রথম অধ্যায় - প্রারম্ভিক

### সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন

১। (১) এই আইন [বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিল আইন, ২০১৫](/laws/act-1157 "Act 1157") নামে অভিহিত হইবে।

(২) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যে তারিখ নির্ধারণ করিবে সেই তারিখে এই আইন কার্যকর হইবে।

\*এস, আর, ও নং ৩০৮-আইন/২০১৫, তারিখ: ২১ অক্টোবর, ২০১৫ ইং দ্বারা ১০ কার্তিক ১৪২২ বঙ্গাব্দ মোতাবেক ২৫ অক্টোবর ২০১৫ খ্রিস্টাব্দ উক্ত আইন কার্যকর হইয়াছে।

### সংজ্ঞা

২। বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকিলে, এই আইনে,-

(১) “উপদেষ্টা পরিষদ” অর্থ ধারা ১১ এর অধীন গঠিত উপদেষ্টা পরিষদ;

(২) “কাউন্সিল” অর্থ ধারা ৩ এর অধীন প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিল;

(৩) “গভর্নিং বডি” অর্থ ধারা ৭ অনুসারে গঠিত গভর্নিং বডি;

(৪) “চেয়ারম্যান” অর্থ গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান;

(৫) “জ্বালানি” অর্থ নবায়নযোগ্য ও অ-নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং এইরূপ জ্বালানি ব্যবহারের মাধ্যমে সৃষ্ট শক্তি;

(৬) “তহবিল” অর্থ ধারা ২২ এ উল্লিখিত বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিল তহবিল;

(৭) “প্রবিধান” অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত প্রবিধান;

(৮) “বিদ্যুৎ” অর্থ যে কোন উদ্দেশ্যে উৎপাদিত, ব্যবহৃত, সরবরাহ বা বিতরণকৃত বৈদ্যুতিক জ্বালানি বা শক্তি;

(৯) “বিধি” অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত বিধি;

(১০) “সদস্য” অর্থ গভর্নিং বডির সদস্য; এবং

(১১) “সরকার” অর্থ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এর বিদ্যুৎ বিভাগ।

## দ্বিতীয় অধ্যায় - কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা, কার্যাবলী, ইত্যাদি

### কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা

৩। (১) সরকার, এই আইন কার্যকর হইবার পর, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিল নামে একটি কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা করিবে।

(২) কাউন্সিল একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হইবে এবং ইহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সীলমোহর থাকিবে এবং সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে ইহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার ও হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং ইহা নিজ নাম ব্যবহারে মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং উহার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাইবে।

### কাউন্সিলের কার্যালয়

৪। (১) কাউন্সিলের প্রধান কার্যালয় ঢাকায় থাকিবে।

(২) কাউন্সিল, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, দেশের যে কোন স্থানে উহার শাখা কার্যালয় স্থাপন করিতে পারিবে।

### কাউন্সিলের দায়িত্ব ও কার্যাবলী

৫। কাউন্সিলের দায়িত্ব ও কার্যাবলী হইবে নিম্নরূপ, যথা :-

(১) জাতীয় প্রয়োজনের প্রতি লক্ষ্য রাখিয়া বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ক স্বল্প মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদী গবেষণা পরিকল্পনা প্রণয়ন ও পরিচালনা এবং উহার সমন্বয়, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন;

(২) বিদ্যুৎ ও জ্বালানি গবেষণা সম্পর্কিত বার্ষিক কর্ম পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন;

(৩) বিদ্যুৎ ও জ্বালানির উন্নয়ন, সংরক্ষণ এবং উহার দক্ষ ব্যবহার সংক্রান্ত গবেষণা ও উন্নয়ন সংক্রান্ত কাজে উৎসাহ প্রদান;

(৪) বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠানকে প্রায়োগিক গবেষণা কার্যে উৎসাহ প্রদান এবং উক্ত গবেষণাকার্যের সমন্বয় সাধন;

(৫) জাতীয় বা আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গবেষক ও বিজ্ঞানীদের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংক্রান্ত গবেষণা কাজে সম্পৃক্তকরণ;

(৬) বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বিদ্যমান প্রযুক্তির উন্নয়ন, উৎকর্ষতা সাধন ও নূতন প্রযুক্তি উদ্ভাবন;

(৭) বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে উদ্ভাবিত প্রযুক্তির মাধ্যমে জ্বালানী সাশ্রয়ী পণ্যসমূহের উৎপাদন ব্যয় হ্রাসপূর্বক জনগণের ক্রয়সীমার মধ্যে আনয়ন বা গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধির জন্য সরকারের নিকট সুপারিশ প্রদান;

(৮) বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ক গবেষণালব্ধ ফলাফল ও উহার প্রয়োগ সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করিবার উদ্দেশ্যে সেমিনার, সিম্পোজিয়াম বা কর্মশালার আয়োজন এবং এতদ্‌সংশ্লিষ্ট প্রকাশনার ব্যবস্থা গ্রহণ;

(৯) বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংশ্লিষ্ট পরীক্ষাগার ও গবেষণাগার স্থাপনসহ ইহাতে নিয়োজিত গবেষকগণের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও উচ্চ শিক্ষার কার্যক্রম গ্রহণ;

(১০) বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের প্রায়োগিক গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান এবং গবেষণালব্ধ ফলাফলের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিতকরণ;

(১১) বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিদ্যমান সমস্যাসমূহ চিহ্নিতকরণ এবং উক্ত সমস্যা নিরসনে করণীয় সম্পর্কে সরকারকে পরামর্শ প্রদান;

(১২) কাউন্সিলের বাজেট প্রস্তাব অনুমোদনসহ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সম্পর্কিত গবেষণা পরিকল্পনা প্রস্তাব পর্যালোচনা ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা;

(১৩) গবেষকদের নিকট হইতে প্রাপ্ত গবেষণা প্রস্তাবসহ উহার বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তাবিত বাজেট পরীক্ষা, মূল্যায়ন এবং অনুমোদন;

(১৪) বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ক আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সহিত নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করা;

(১৫) বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ক সরকারি, আধা-সরকারি এবং স্বায়ত্তশাসিত গবেষণা প্রতিষ্ঠানের চলমান কার্যক্রমসহ নূতন গবেষণা কার্যক্রমের সহিত সমন্বয় সাধনে সরকারকে সহযোগিতা প্রদান;

(১৬) সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, যে কোন ব্যক্তি বা সংস্থার সহিত চুক্তি সম্পাদন; এবং

(১৭) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে বিধি, প্রবিধান দ্বারা বা সরকার কর্তৃক, সময় সময়, নির্ধারিত অন্যান্য দায়িত্ব পালন।

## তৃতীয় অধ্যায় - পরিচালনা ও প্রশাসন, গভর্নিং বডি, উপদেষ্টা পরিষদ, ইত্যাদি

### পরিচালনা ও প্রশাসন

৬। কাউন্সিলের একটি গভর্নিং বডি থাকিবে এবং কাউন্সিলের ব্যবস্থাপনা, পরিচালনা ও প্রশাসন উক্ত গভর্নিং বডির উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং কাউন্সিল যে সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্য সম্পাদন করিতে পারিবে গভর্নিং বডিও সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্য সম্পাদন করিতে পারিবে।

### গভর্নিং বডি

৭। (১) নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে গভর্নিং বডি গঠিত হইবে, যথা :-

(ক) একজন চেয়ারম্যান;

(খ) ৪ (চার) জন সদস্য;

(গ) বিদ্যুৎ বিভাগের অন্যূন যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা;

(ঘ) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অন্যূন যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা;

(ঙ) সরকার কর্তৃক মনোনীত বিদ্যুৎ বা জ্বালানি সংক্রান্ত বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের একজন প্রতিনিধি; এবং

(চ) বিদ্যুৎ বা জ্বালানি বিশেষজ্ঞ, বিজ্ঞানী, প্রযুক্তিবিদ বা গবেষকদের মধ্য হইতে সরকার কর্তৃক মনোনীত ২ (দুই) জন ব্যক্তি।

(২) উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) ও (খ) তে উল্লিখিত সদস্যগণ সরকার কর্তৃক নির্ধারিত শর্তে নিযুক্ত হইবেন এবং তাহারা কাউন্সিলের সার্বক্ষণিক কর্মকর্তা হইবেন :

তবে শর্ত থাকে যে, সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা যে কোন সময় উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) ও (খ) তে উল্লিখিত কোন সদস্যকে অব্যাহতি প্রদান করিতে পারিবে।

(৩) উপ-ধারা (১) এর দফা (ঙ) ও (চ) এর অধীন মনোনীত সদস্যগণ তাহাদের মনোনয়নের তারিখ হইতে ৩ (তিন) বৎসর মেয়াদে স্বীয় পদে অধিষ্ঠিত থাকিবেন :

তবে শর্ত থাকে যে, সরকার প্রয়োজনবোধে যে কোন সময় কোন কারণ দর্শানো ব্যতিরেকে যে কোন মনোনীত সদস্যের মনোনয়ন বাতিল করিতে পারিবে।

(৪) উপ-ধারা (১) এর দফা (ঙ) ও (চ) এর অধীন মনোনীত সদস্যগণ সরকারের নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।

### প্রধান নির্বাহী

৮। চেয়ারম্যান কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী হইবেন এবং তিনি কাউন্সিলের যাবতীয় কার্যাবলীর জন্য দায়ী থাকিবেন।

### গভর্নিং বডির সভা

৯। (১) এই ধারার বিধানাবলী সাপেক্ষে, গভর্নিং বডি উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে।

(২) গভর্নিং বডির সভা চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত স্থান তারিখ ও সময়ে অনুষ্ঠিত হইবে :

তবে শর্ত থাকে যে, প্রতি ৩(তিন) মাসে গভর্নিং বডির অন্যূন একটি সভা অনুষ্ঠিত হইতে হইবে।

(৩) গভর্নিং বডির সকল সভায় চেয়ারম্যান সভাপতিত্ব করিবেন এবং তাহার অনুপস্থিতিতে চেয়ারম্যানের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন সদস্য উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করিবেন।

(৪) গভর্নিং বডির সভার কোরামের জন্য চেয়ারম্যানসহ উহার মোট সদস্য সংখ্যার অর্ধেকের বেশী সদস্যের উপস্থিতির প্রয়োজন হইবে, তবে মুলতবী সভার ক্ষেত্রে কোন কোরামের প্রয়োজন হইবে না।

(৫) গভর্নিং বডির সভায় উপস্থিত প্রত্যেক সদস্যের একটি করিয়া ভোট থাকিবে এবং উপস্থিত সদস্যগণের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের ভোটে সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে ভোটের সমতার ক্ষেত্রে সভায় সভাপতিত্বকারী সদস্যের দ্বিতীয় বা নির্ণায়ক ভোট থাকিবে।

(৬) গভর্নিং বডি উহার সভায় কোন আলোচ্য বিষয় সংশ্লিষ্ট কোন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি বা বিশেষ অবদান রাখিতে সক্ষম এইরূপ যে কোন ব্যক্তিকে সভায় অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানাইতে পারিবে এবং উক্ত ব্যক্তি সভার আলোচনায় অংশগ্রহণপূর্বক মতামত প্রদান করিতে পারিবেন, তবে তাহার কোন ভোটাধিকার থাকিবে না।

(৭) শুধুমাত্র কোন সদস্যপদে শূন্যতা বা গভর্নিং বডি গঠনে ত্রুটি থাকিবার কারণে গভর্নিং বডির কোন কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না বা তৎসম্পর্কে কোন প্রশ্নও উত্থাপন করা যাইবে না।

### কাউন্সিলের সচিব

১০। (১) সরকার অন্যূন উপ-সচিব পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তাকে কাউন্সিলের সচিব হিসেবে নিয়োগ করিবে।

(২) সচিব গভর্নিং বডি কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব পালনসহ গভর্নিং বডিকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করিবেন।

### উপদেষ্টা পরিষদ

১১। (১) নিম্নবর্ণিত সদস্যগণের সমন্বয়ে কাউন্সিলের একটি উপদেষ্টা পরিষদ থাকিবে, যথা:-

(ক) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী, যিনি উপদেষ্টা পরিষদের চেয়ারম্যান হইবেন;

(খ) বিদ্যুৎ বিভাগ এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এর সচিবদ্বয়, যাহারা উপদেষ্টা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হইবেন;

(গ) গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান;

(ঘ) টেকসই নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যন;

(ঙ) স্বনামধন্য বিজ্ঞানী, প্রযুক্তিবিদ, পেশাজীবী বা গবেষকদের মধ্য হইতে সরকার কর্তৃক মনোনীত ২ (দুই) জন ব্যক্তি;

(চ) ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (এফবিসিসিআই) এর প্রেসিডেন্ট কর্তৃক মনোনীত বিদ্যুৎ বা জ্বালানি ব্যবসার সহিত সম্পৃক্ত একজন ব্যবসায়ী প্রতিনিধি;

(ছ) নবায়নযোগ্য জ্বালানি বা জ্বালানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তি ব্যবসার সহিত সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের মধ্য হইতে সরকার কর্তৃক মনোনীত একজন ব্যবসায়ী।

(২) কাউন্সিলের সচিব, যিনি ইহার সদস্য সচিব হইবেন।

(৩) উপ-ধারা (১) এর দফা (ঙ) হইতে (ছ) এর অধীন মনোনীত উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যগণ তাহাদের মনোনয়ন প্রাপ্তির পর উপদেষ্টা পরিষদের সভায় প্রথম যোগদানের তারিখ হইতে ৩(তিন) বৎসর পর্যন্ত উক্ত পদে বহাল থাকিবেন :

তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত মেয়াদ শেষ হইবার পূর্বে সরকার, যে কোন মনোনীত সদস্যকে কোনরূপ কারণ দর্শানো ব্যতিরেকে তাহার দায়িত্ব হইতে অব্যাহতি প্রদান করিতে পারিবে।

(৪) উপ-ধারা (১) এর দফা (ঙ) হইতে (ছ) এর অধীন মনোনীত সদস্যগণ সরকারের নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।

(৫) উপদেষ্টা পরিষদ উহার সভায় কোন আলোচ্য বিষয় সংশ্লিষ্ট কোন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি বা বিশেষ অবদান রাখিতে সক্ষম এইরূপ যে কোন দেশী বা বিদেশী ব্যক্তিকে সভায় অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানাইতে পারিবে এবং উক্ত ব্যক্তি সভার আলোচনায় অংশগ্রহণপূর্বক মতামত প্রদান করিতে পারিবেন, তবে তাহার কোন ভোটাধিকার থাকিবে না।

### উপদেষ্টা পরিষদের কার্যাবলী

১২। উপদেষ্টা পরিষদ, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সম্পর্কিত যে কোন প্রস্তাব পর্যালোচনা করিতে এবং তদবিষয়ে প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা প্রদান করিতে পারিবে।

### উপদেষ্টা পরিষদের সভা

১৩। (১) এই ধারার বিধানাবলী সাপেক্ষে, উপদেষ্টা পরিষদ উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে।

(২) উপদেষ্টা পরিষদের সভা উহার চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত স্থান, তারিখ ও সময়ে অনুষ্ঠিত হইবে :

তবে শর্ত থাকে যে, প্রতি বৎসর উপদেষ্টা পরিষদের অন্যূন একটি সভা অনুষ্ঠিত হইবে।

(৩) উপদেষ্টা পরিষদের সকল সভায় উহার চেয়ারম্যান সভাপতিত্ব করিবেন এবং তাহার অনুপস্থিতিতে চেয়ারম্যানের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিষদের কোন সদস্য উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করিবেন।

(৪) উপদেষ্টা পরিষদের সভায় কোরামের জন্য চেয়ারম্যানসহ উহার মোট সদস্য সংখ্যার অর্ধেক সদস্যের উপস্থিতির প্রয়োজন হইবে, তবে মুলতবী সভার ক্ষেত্রে কোন কোরামের প্রয়োজন হইবে না।

(৫) উপদেষ্টা পরিষদের সভায় উপস্থিত প্রত্যেক সদস্যের একটি করিয়া ভোট থাকিবে এবং উপস্থিত সদস্যগণের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের ভোটে সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে ভোটের সমতার ক্ষেত্রে সভায় সভাপতিত্বকারী সদস্যের দ্বিতীয় বা নির্ণায়ক ভোট থাকিবে।

(৬) কেবল কোন সদস্যপদে শূন্যতা বা উপদেষ্টা পরিষদ গঠনে ত্রুটি থাকিবার কারণে উপদেষ্টা পরিষদের কোন কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না বা তৎসম্পর্কে কোন প্রশ্নও উত্থাপন করা যাইবে না।

### আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিশেষজ্ঞ প্যানেল

১৪। (১) কাউন্সিল উহার কাজ সূচারুরূপে সম্পাদন এবং গবেষণা কার্য পরিচালনায় উপদেশ, সুপারিশ বা এতদসংক্রান্ত বিষয়ে পরামর্শ প্রদানের মাধ্যমে সহায়তার জন্য আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাংলাদেশী অথবা প্রবাসী বাংলাদেশী বিজ্ঞানী, পেশাজীবী, শিল্প উদ্যোক্তা বা শিক্ষাবিদ এর সমন্বয়ে একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করিতে পারিবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন গঠিত বিশেষজ্ঞ প্যানেল এর সদস্য সংখ্যা ৬ (ছয়) জন এর অধিক হইবে না এবং বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে ইহার দায়িত্ব, ক্ষমতা, মেয়াদ, কার্যপরিধি ও সম্মানীসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় নির্ধারিত হইবে।

### পরামর্শক সেবা গ্রহণ

১৫। কাউন্সিল, উহার বিশেষ ধরনের কারিগরী কাজ সম্পাদনের নিমিত্ত সংশ্লিষ্ট কাজে অভিজ্ঞতা, দক্ষতা এবং সুনাম রহিয়াছে এমন কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নিকট হইতে পরামর্শক সেবা গ্রহণ করিতে পারিবে।

### কমিটি গঠন

১৬। গভর্নিং বডি উহার কার্যাবলী দক্ষতার সহিত সম্পাদনে সহায়তা করিবার জন্য, প্রয়োজনবোধে, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে এক বা একাধিক কমিটি গঠন করিতে পারিবে, উক্ত কমিটি বা কমিটিসমূহের সদস্য সংখ্যা, দায়িত্ব, কর্মপরিধি এবং কার্যধারা গভর্নিং বডি কর্তৃক নির্ধারিত হইবে।

### সম্মানী

১৭। উপদেষ্টা পরিষদ বা গভর্নিং বডির সভায় অংশগ্রহণকারী সদস্যগণ বা এই আইনের অধীন গঠিত কোন কমিটির সদস্য গভর্নিং বডি কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে ও হারে কাউন্সিলের তহবিল হইতে সম্মানী প্রাপ্য হইবেন।

## চতুর্থ অধ্যায় - কর্মকর্তা, কর্মচারী, ক্ষমতা অর্পণ, ইত্যাদি

### কাউন্সিলের কর্মকর্তা ও কর্মচারী

১৮। কাউন্সিলের কার্যাবলী সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের উদ্দেশ্যে কাউন্সিল, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ করিতে পারিবে এবং তাহাদের চাকুরীর শর্তাবলী প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে।

### ক্ষমতা অর্পণ

১৯। কাউন্সিল, এই আইন বা তদধীন প্রণীত বিধি বা প্রবিধানের অধীন উহার কোন ক্ষমতা লিখিত আদেশ দ্বারা কোন সদস্য বা কাউন্সিলের কোন কর্মকর্তা বা কোন কমিটিকে অর্পণ করিতে পারিবে।

### গবেষণা স্বত্ব

২০। (১) কাউন্সিলের কোন কর্মকর্তা কর্তৃক বা কাউন্সিলের অর্থায়নে পরিচালিত কোন গবেষণালব্ধ ফলাফল কাউন্সিলের সম্পত্তি হিসাবে গণ্য হইবে এবং প্রচলিত আইন অনুযায়ী উহা পেটেন্ট (Patent) করা হইবে, তবে গবেষক বা গবেষকদল বা গবেষণা প্রতিষ্ঠানকে গবেষণালব্ধ ফলাফলের বাণিজ্যিক আয় হইতে গভর্নিং বডি কর্তৃক নির্ধারিত হারে সম্মানী প্রদান করা যাইবে ।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রাপ্ত গবেষণালব্ধ ফলাফল, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতি বা শর্ত সাপেক্ষে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি গবেষণা সংক্রান্ত কাজে ব্যবহারের জন্য যে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে প্রদান করা যাইবে।

### ঋণ গ্রহণের ক্ষমতা

২১। এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, কাউন্সিল, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, প্রয়োজনে কোন বাণিজ্যিক ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান অথবা দেশী বা বিদেশী অন্য কোন উৎস হইতে ঋণ গ্রহণ করিতে পারিবে, এবং উক্ত ঋণ পরিশোধের জন্য দায়ী থাকিবে।

## পঞ্চম অধ্যায় - তহবিল, নিরীক্ষা, ইত্যাদি

### কাউন্সিলের তহবিল

২২। (১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে ‘জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিল তহবিল’ নামে কাউন্সিলের একটি তহবিল থাকিবে এবং উক্ত তহবিলে নিম্নবর্ণিত উৎসসমূহ হইতে প্রাপ্ত অর্থ জমা হইবে, যথা :-

(ক) সরকার কর্তৃক প্রদত্ত অর্থ বা অনুদান;

(খ) সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, কোন বিদেশী ব্যক্তি, বিদেশী সরকার, সংস্থা বা আন্তর্জাতিক সংস্থা হইতে প্রাপ্ত অনুদান বা ঋণ;

(গ) গবেষণা স্বত্ব ও সেবা হইতে প্রাপ্ত আয়;

(ঘ) কোন স্থানীয় ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান; এবং

(ঙ) অন্য কোন বৈধ উৎস হইতে প্রাপ্ত অর্থ।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন গঠিত তহবিলে জমাকৃত অর্থ কোন তফসিলি ব্যাংকে জমা রাখিতে হইবে এবং কাউন্সিল কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে তহবিল হইতে উক্ত অর্থ উত্তোলন ও ব্যয় করা যাইবে।

(৩) তহবিল হইতে কাউন্সিলের প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহ করা যাইবে :

তবে শর্ত থাকে যে, কাউন্সিলের উক্ত ব্যয় নির্বাহের ক্ষেত্রে প্রচলিত বিধি-বিধান অনুসরণ করিতে হইবে।

ব্যাখ্যা।- ‘তফসিলি ব্যাংক’ বলিতে [Bangladesh Bank Order, 1972](/laws/act-415 "Act 415") (P.O.No.127 of 1972) এ সংজ্ঞায়িত 'Scheduled Bank' |

### বাজেট

২৩। কাউন্সিল, প্রতি বৎসর সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে, পরবর্তী অর্থ বৎসরের বার্ষিক বাজেট বিবরণী সরকারের নিকট পেশ করিবে এবং উহাতে উক্ত অর্থ বৎসরে সরকারের নিকট হইতে কাউন্সিলের কি পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হইবে উহার উল্লেখ থাকিবে।

### হিসাবরক্ষণ ও নিরীক্ষা

২৪। (১) কাউন্সিল, যথাযথভাবে উহার হিসাবরক্ষণ এবং বার্ষিক বিবরণী প্রস্তুত করিবে।

(২) বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক প্রতি বৎসর কাউন্সিলের হিসাব নিরীক্ষা করিবেন এবং নিরীক্ষা প্রতিবেদনের প্রয়োজনীয় সংখ্যক অনুলিপি সরকার ও কাউন্সিলের নিকট পেশ করিবেন।

(৩) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত নিরীক্ষা প্রতিবেদনের উপর কোন আপত্তি উত্থাপিত হইলে উহা নিষ্পত্তির জন্য কাউন্সিল অবিলম্বে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।

(৪) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত নিরীক্ষা ছাড়াও Bangladesh Chartered Accountants

Order, 1973 (P. O. No. 2 of 1973) এর Article 2(1)(b) এ সংজ্ঞায়িত 'chartered accountant' দ্বারা কাউন্সিলের হিসাব নিরীক্ষা করা যাইবে এবং এতদুদ্দেশ্যে কাউন্সিল এক বা একাধিক 'chartered accountant' নিয়োগ করিতে পারিবে এবং এইরূপ নিয়োগকৃত 'chartered accountant' সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হারে পারিতোষিক প্রাপ্য হইবেন।

(৫) কাউন্সিলের হিসাব নিরীক্ষার উদ্দেশ্যে মহা-হিসাব নিরীক্ষক কিংবা তাহার নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি বা উপ-ধারা (৪) এর অধীন নিয়োগকৃত 'chartered accountant' কাউন্সিলের সকল রেকর্ড, দলিলাদি, বার্ষিক ব্যালেন্স সিট, নগদ বা ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ, জামানত, ভাণ্ডার বা অন্যবিধ সম্পত্তি, ইত্যাদি পরীক্ষা করিয়া দেখিতে পারিবেন এবং চেয়ারম্যান, সদস্য বা কাউন্সিলের যে কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারিকে জিজ্ঞাসাবাদ করিতে পারিবেন।

## ষষ্ঠ অধ্যায় - বিবিধ

### নির্দেশনা প্রদানে সরকারের সাধারণ ক্ষমতা

২৫। এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার, প্রয়োজনে কাউন্সিলকে নির্দেশনা প্রদান করিতে পারিবে এবং কাউন্সিল উক্তরূপ নির্দেশনা পালন করিবে।

### প্রতিবেদন

২৬। (১) কাউন্সিল, প্রতি বৎসর সমাপ্তির পর উহার পরিচালনা ও ব্যবহারসহ তদকর্তৃক সম্পাদিত কার্যাবলীর বিবরণ সম্বলিত একটি বার্ষিক প্রতিবেদন প্রস্তুত করিবে।

(২) কাউন্সিল উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রস্তুতকৃত প্রতিবেদন প্রতি অর্থ বৎসর শেষ হইবার পরবর্তী ৩ (তিন) মাসের মধ্যে সরকারের নিকট পেশ করিবে।

(৩) সরকার প্রয়োজনবোধে, যে কোন সময় কাউন্সিলের নিকট হইতে কোন বিষয়ের উপর প্রতিবেদন বিবরণী, হিসাব, পরিসংখ্যান বা অন্যান্য তথ্য আহ্বান করিতে পারিবে এবং কাউন্সিল উহা সরকারের নিকট সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবে।

### বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা

২৭। এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।

### প্রবিধান প্রণয়ণের ক্ষমতা

২৮। এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, কাউন্সিল, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, প্রবিধান প্রণয়ন করিতে পারিবে।

### ইংরেজীতে অনূদিত পাঠ প্রকাশ

২৯। (১) এই আইন প্রবর্তনের পর সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের ইংরেজীতে অনূদিত একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ (Authentic English Text) প্রকাশ করিবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রকাশিত ইংরেজীতে অনূদিত পাঠ এবং এই বাংলা আইনের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাইবে।

***

### Footnotes

<Note>
  Click [here](http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-1157.html) to see the original act on the Bangladesh Legal Database.
</Note>
