> ## Documentation Index
> Fetch the complete documentation index at: https://laws.sayed.app/llms.txt
> Use this file to discover all available pages before exploring further.

# বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ ট্রাস্ট আইন, ২০১৬

> বাংলাদেশে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে দেশে ও বিদেশে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে 1 [***] বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ ট্রাস্ট নামে একটি ট্রাস্ট গঠন এবং এতদ্‌সংক্রান্ত আনুষঙ্গিক বিষয়ে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন

**Status:** Active

**Date of Publication:** ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০১৬

**Act No:** ২০১৬ সনের ৪ নং আইন

যেহেতু বাংলাদেশে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে দেশে ও বিদেশে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে <sup><a id="fnref-2" href="#fn-2">2</a></sup> \[\*\*\*] বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ ট্রাস্ট নামে একটি ট্রাস্ট গঠন এবং এতদ্‌সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;

সেহেতু এতদ্দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল :-

### সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন

১। (১) এই আইন <sup><a id="fnref-3" href="#fn-3">3</a></sup> \[\*\*\*] [বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ ট্রাস্ট আইন, ২০১৬](/laws/act-1176 "Act 1176") নামে অভিহিত হইবে।

(২) সরকার, গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যে তারিখ নির্ধারণ করিবে সেই তারিখে এই আইন কার্যকর হইবে।

* এস, আর, ও নং ১১১-আইন/২০১৬, তারিখ: ২৫ এপ্রিল, ২০১৬ ইং দ্বারা ১৯ বৈশাখ, ১৪২৩ বঙ্গাব্দ মোতাবেক ০২ মে, ২০১৬ খ্রিস্টাব্দ উক্ত আইন কার্যকর হইয়াছে।

### সংজ্ঞা

২। বিষয় বা প্রসংগের পরিপন্থি কোন কিছু না থাকিলে, এই আইনে-

(১) ‘‘চেয়ারম্যান’’ অর্থ ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান;

(২) ‘‘ট্রাস্ট’’ অর্থ ধারা ৩ এর অধীন স্থাপিত <sup><a id="fnref-4" href="#fn-4">4</a></sup> \[\*\*\*] বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ ট্রাস্ট;

(৩) ‘‘ট্রাস্টি বোর্ড’’ অর্থ ধারা ৭ এর অধীন গঠিত ট্রাস্টি বোর্ড;

(৪) ‘‘তহবিল’’ অর্থ ধারা ১১ এ উল্লিখিত তহবিল;

(৫) ‘‘প্রবিধান’’ অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত প্রবিধান;

(৬) ‘‘বিধি’’ অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত বিধি;

(৭) ‘‘সদস্য’’ অর্থ ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য।

### ট্রাস্ট স্থাপন

৩। (১) এই আইন কার্যকর হইবার পর পরই সরকার, ‘‘ <sup><a id="fnref-5" href="#fn-5">5</a></sup> \[\*\*\*] বিজ্ঞানও প্রযুক্তি ফেলোশিপ ট্রাস্ট’’ নামে একটি ট্রাস্ট স্থাপন করিবে।

(২) ট্রাস্ট একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হইবে এবং উহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সীলমোহর থাকিবে এবং উহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার ও হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং উহা স্বীয় নামে মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং উহার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাইবে।

### ট্রাস্টের কার্যালয়

৪। ট্রাস্টের প্রধান কার্যালয় ঢাকায় থাকিবে এবং ট্রাস্টি বোর্ড, প্রয়োজনবোধে, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, বাংলাদেশের যে কোন স্থানে উহার শাখা কার্যালয় স্থাপন করিতে পারিবে।

### পরিচালনা ও প্রশাসন

৫। (১) ট্রাস্টের পরিচালনা ও প্রশাসন ট্রাস্টি বোর্ডের উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং ট্রাস্ট যে সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্য সম্পাদন করিতে পারিবে ট্রাস্টি বোর্ডও সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্য সম্পাদন করিতে পারিবে।

(২) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় কর্তৃক মনোনীত উহার অন্যূন যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা ট্রাস্টের প্রধান নির্বাহী হিসাবে দায়িত্ব পালন করিবেন।

(৩) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ট্রাস্টি বোর্ডের প্রশাসনিক ও সাচিবিক দায়িত্ব পালন করিবে।

### ট্রাস্টের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

৬।ট্রাস্টের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হইবে নিম্নরূপ, যথা :-

(ক) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে বিভিন্ন বিষয়ে দেশে-বিদেশে এমএস বা সমতুল্য ডিগ্রি, পিএইচডি, পোস্ট ডক্টরাল গবেষণা বা অধ্যয়নের জন্য ট্রাস্টি বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে ফেলোশিপ প্রদান করা;

(খ) বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষায়িত যোগ্যতাসম্পন্ন বিজ্ঞানী, প্রযুক্তিবিদ, গবেষক ও একাডেমিশিয়ান তৈরির লক্ষ্যে এমএস বা সমতুল্য ডিগ্রি, পিএইচডি ও পোস্ট ডক্টরাল পর্যায়ে গবেষণা কার্যক্রমে সহায়তা প্রদান করা;

(গ) দেশে ও বিদেশে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে এমএস, পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের মাধ্যমে গবেষকদের গবেষণা ও উন্নয়ন (R & D) বিষয়ে অধিকতর দক্ষতা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি করা;

(ঘ) দেশে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহায়ক কার্যক্রম পরিচালনা করা;

(ঙ) প্রশিক্ষিত বিজ্ঞানীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে দেশের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা।

### ট্রাস্টি বোর্ডের গঠন

৭। (১) ট্রাস্টি বোর্ড নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথা :-

(ক) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী, যিনি উহার চেয়ারম্যানও হইবেন;

(খ) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব, যিনি উহার ভাইস-চেয়ারম্যানও হইবেন;

(গ)তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ কর্তৃক মনোনীত অন্যূনযুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার ১ (এক) জন কর্মকর্তা;

(ঘ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কর্তৃক মনোনীত অন্যূন যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার ১ (এক) জন কর্মকর্তা;

(ঙ) শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক মনোনীত অন্যূন যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার ১ (এক) জন কর্মকর্তা;

(চ) অর্থ বিভাগ কর্তৃক মনোনীত অন্যূন যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার (এক) ১ জন কর্মকর্তা;

(ছ) লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ কর্তৃক মনোনীত অন্যূন যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার ১ (এক) জন কর্মকর্তা;

(জ) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক মনোনীত অন্যূন যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার ১ (এক) জন কর্মকর্তা;

(ঝ) বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ কর্তৃক মনোনীত ১ (এক) জন সদস্য;

(ঞ) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন কর্তৃক মনোনীত ১ (এক) জন প্রতিনিধি;

(ট) সরকার কর্তৃক মনোনীত ২ (দুই)টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ২ (দুই) জন অধ্যাপক;

(ঠ) ট্রাস্টের প্রধান নির্বাহী, যিনি উহার সদস্য-সচিবও হইবেন।

(২) উপ-ধারা (১) এর দফা (ট) এ উল্লিখিত মনোনীত সদস্যগণ মনোনয়নের তারিখ হইতে ২ (দুই) বৎসর মেয়াদে স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, সরকার, প্রয়োজনবোধে, যে কোন সময় তৎকর্তৃক মনোনীত যে কোন সদস্যকে মেয়াদ শেষ হইবার পূর্বে কোন কারণ-দর্শানো ব্যতিরেকে অব্যাহতি প্রদান করিতে পারিবে।

(৩) সদস্যপদে শুধুমাত্র শূন্যতা বা বোর্ড গঠনে ত্রুটি থাকিবার কারণে বোর্ডের কোন কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না এবং তৎসম্পর্কে কোন প্রশ্নও উত্থাপন করা যাইবে না।

### ট্রাস্টি বোর্ডের কার্যাবলি

৮। ট্রাস্টি বোর্ডের কার্যাবলি হইবে নিম্নরূপ,যথা:-

(ক) ট্রাস্টের কার্যক্রম সার্বিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ;

(খ) ট্রাস্টের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ;

(গ) ট্রাস্টের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কার্যক্রম গ্রহণের জন্য বার্ষিক কর্ম পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে অর্থায়ন;

(ঘ) সরকারের অর্থায়ন ব্যতীত সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দেশি ও বিদেশি উৎস হইতে অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে প্রয়োজনে সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে, বিভিন্ন দেশ বা সংস্থার সাথে যোগাযোগ, অর্থ প্রাপ্তির উদ্যোগ ও পদক্ষেপ গ্রহণ;

(ঙ) ট্রাস্টের তহবিল হইতে অর্থায়নের জন্য প্রয়োজনীয় গাইডলাইন, আবেদন ফরম, ইত্যাদি প্রণয়ন;

(চ) সরকার কর্তৃক, সময় সময় প্রদত্ত নির্দেশনা সাপেক্ষে, উহার উপর অর্পিত অন্যান্য দায়িত্ব পালন; এবং

(ছ) এই ধারার অধীনে কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য যে কোন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে অন্য যে কোন কার্য সম্পাদন।

### কমিটি

৯। (১) ট্রাস্টের কার্যাবলিভুক্ত যে কোন কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তার জন্য ট্রাস্টি বোর্ড এক বা একাধিক কমিটি গঠন করিতে পারিবে।

(২) ট্রাস্টি বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত সংখ্যক সদস্য সমন্বয়ে কমিটি গঠিত হইবে।

### ট্রাস্টি বোর্ডের সভা

১০। (১) এই ধারার অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে, ট্রাস্টি বোর্ড উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে।

(২) ট্রাস্টি বোর্ডের সভা, চেয়ারম্যানের সম্মতিক্রমে, উহার সদস্য-সচিব কর্তৃক আহূত হইবে এবং চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত স্থান, তারিখ ও সময়ে অনুষ্ঠিত হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, প্রতি ৩(তিন) মাসে বোর্ডের অন্যূন একটি সভা অনুষ্ঠিত হইবে:

আরও শর্ত থাকে যে, জরুরি প্রয়োজনে স্বল্প সময়ের নোটিশে ট্রাস্টি বোর্ডের সভা আহবান করা যাইবে।

(৩) চেয়ারম্যান ট্রাস্টি বোর্ডের সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন এবং তাহার অনুপস্থিতিতে ভাইস-চেয়ারম্যান সভাপতিত্ব করিবেন, তবে উভয়ের অনুপস্থিতিতে চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত ট্রাস্টি বোর্ডের কোন সদস্য সভাপতিত্ব করিবেন।

(৪) ট্রাস্টি বোর্ডের সভার কোরামের জন্য অন্যূন ৫(পাঁচ) জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন হইবে, তবে মুলতবি সভার ক্ষেত্রে কোন কোরামের প্রয়োজন হইবে না।

(৫) টাস্টি বোর্ডের সভায় প্রত্যেক সদস্যের একটি করিয়া ভোট থাকিবে এবং ভোটের সমতার ক্ষেত্রে সভায় সভাপতিত্বকারীর দ্বিতীয় বা নির্ণায়ক ভোট প্রদানের ক্ষমতা থাকিবে।

### ট্রাস্টের তহবিল

১১। (১) ট্রাস্টের একটি তহবিল থাকিবে এবং উহাতে নিম্নবর্ণিত অর্থ জমা হইবে, যথা:-

(ক) সরকার কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান;

(খ) সরকার অনুমোদিত দেশি ও বিদেশি উৎস হইতে প্রাপ্ত অর্থ;

(গ) তহবিলের বিনিয়োগ হইতে আহরিত অর্থ; এবং

(ঘ) ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান।

(২) তহবিলের অর্থ ট্রাস্টের নামে যে কোন তফসিলি ব্যাংকে জমা রাখিতে হইবে এবং উক্তরূপ অর্থ হইতে ট্রাস্টের যে কোন কার্য সম্পাদনের উদ্দেশ্যে যাবতীয় ব্যয় নির্বাহ করা যাইবে।

ব্যাখ্যা। -‘‘তফসিলি ব্যাংক’’ বলিতে [Bangladesh Bank Order, 1972](/laws/act-415 "Act 415") (P.O 127 of 1972) এর Article 2(j) তে সংজ্ঞায়িত Scheduled Bank কে বুঝাইবে।

(৩) তহবিলের ব্যাংক হিসাব ট্রাস্টি বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত পদ্ধতিতে পরিচালিত হইবে এবং ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং সদস্য-সচিবের যৌথ স্বাক্ষরে তহবিল হইতে অর্থ উত্তোলন করা যাইবে।

(৪) ট্রাস্টি বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দীর্ঘ মেয়াদী আমানত বা ফিক্সড ডিপোজিট হিসাবে ট্রাস্টের একটি রিজার্ভ ফান্ড সৃষ্টি করা যাইবে এবং উহা হইতে অর্জিত সুদ দ্বারা ট্রাস্টের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ এবং ট্রাস্টের প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহ করা হইবে।

(৫)তহবিলের অর্থ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত যে কোন খাতে বিনিয়োগ করা যাইবে।

### কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ

১২। (১) ট্রাস্ট উহার কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের নিমিত্ত সরকার কর্তৃক অনুমোদিত সাংগঠনিক কাঠামো সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ করিতে পারিবে।

(২) ট্রাস্টের কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিয়োগ ও চাকরির শর্তাবলি প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে।

### বাজেট

১৩। ট্রাস্ট প্রতি বৎসর সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরবর্তী অর্থ বৎসরের বার্ষিক বাজেট বিবরণী সরকারের নিকট পেশ করিবে এবং উহাতে উক্ত অর্থ-বৎসরে সরকারের নিকট হইতে ট্রাস্টের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের পরিমাণ উল্লেখ থাকিবে।

### হিসাবরক্ষণ ও নিরীক্ষা

১৪। (১) ট্রাস্ট উহার আয়-ব্যয়ের যথাযথ হিসাব সংরক্ষণ করিবে এবং হিসাবের বার্ষিক বিবরণী প্রস্তুত করিবে।

(২) বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, অতঃপর মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক বলিয়া উল্লিখিত, প্রতি বৎসর ট্রাস্টের হিসাব নিরীক্ষা করিবেন এবং নিরীক্ষা রিপোর্টের অনুলিপি সরকার ও বোর্ডের নিকট পেশ করিবেন।

(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন হিসাব নিরীক্ষার উদ্দেশ্যে মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক কিংবা তাহার নিকট হইতে এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি বা ট্রাস্টের সকল রেকর্ড, দলিল-দস্তাবেজ, নগদ বা ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ, জামানত, ভাণ্ডার এবং অন্যবিধ সম্পত্তি পরীক্ষা করিয়া দেখিতে পারিবেন এবং বোর্ডের কোন সদস্য ও ট্রাস্টের অন্যান্য কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করিতে পারিবেন।

### প্রতিবেদন

১৫। (১) প্রত্যেক অর্থ বৎসর শেষ হইবার সংগে সংগে ট্রাস্টি বোর্ড উক্ত অর্থ বৎসরের সম্পাদিত কার্যাবলির বিবরণ সম্বলিত একটি বার্ষিক প্রতিবেদন পরবর্তী বৎসরের ৩০ শে জুনের মধ্যে সরকারের নিকট পেশ করিবে।

(২) সরকার প্রয়োজনমত ট্রাস্টি বোর্ডের নিকট হইতে যে কোন সময়ে উহার যে কোন কাজের প্রতিবেদন বা বিবরণী আহবান করিতে পারিবে এবং ট্রাস্টি বোর্ড উহা সরকারের নিকট প্রেরণ করিতে বাধ্য থাকিবে।

### ক্ষমতা অর্পণ

১৬। ট্রাস্টি বোর্ড এই আইন বা বিধি বা প্রবিধানের অধীন উহার যে কোন ক্ষমতা, প্রয়োজনবোধে এবং নির্ধারিত শর্তসাপেক্ষে, চেয়ারম্যান বা অন্য কোন সদস্য বা অন্য কোন কর্মকর্তার নিকট অর্পণ করিতে পারিবে।

### বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা

১৭। এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার, গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।

### প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা

১৮। এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে ট্রাস্টি বোর্ড, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইন বা বিধির সহিত অসামঞ্জস্যপূর্ণ নহে এইরূপ প্রবিধান প্রণয়ন করিতে পারিবে।

### ইংরেজিতে অনূদিত পাঠ প্রকাশ

১৯। (১) এই আইন কার্যকর হইবার পর সরকার, গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের ইংরেজিতে অনূদিত একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ (Authentic English Text) প্রকাশ করিতে পারিবে।

(২) বাংলা ও ইংরেজি পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাইবে।

***

### Footnotes

<a id="fn-1" />**1.** পূর্ণাঙ্গ শিরোনামে উল্লিখিত “বঙ্গবন্ধু” শব্দ [বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ ট্রাস্ট (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1687 "Act 1687") (২০২৬ সনের ৫৮ নং আইন) এর ২ ধারাবলে বিলুপ্ত।

<a id="fn-2" />**2.** প্রস্তাবনায় উল্লিখিত “বঙ্গবন্ধু” শব্দ [বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ ট্রাস্ট (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1687 "Act 1687") (২০২৬ সনের ৫৮ নং আইন) এর ৩ ধারাবলে বিলুপ্ত।

<a id="fn-3" />**3.** “বঙ্গবন্ধু” শব্দ [বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ ট্রাস্ট (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1687 "Act 1687") (২০২৬ সনের ৫৮ নং আইন) এর ৪ ধারাবলে বিলুপ্ত।

<a id="fn-4" />**4.** “বঙ্গবন্ধু” শব্দ [বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ ট্রাস্ট (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1687 "Act 1687") (২০২৬ সনের ৫৮ নং আইন) এর ৫ ধারাবলে বিলুপ্ত।

<a id="fn-5" />**5.** “বঙ্গবন্ধু” শব্দ [বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ ট্রাস্ট (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1687 "Act 1687") (২০২৬ সনের ৫৮ নং আইন) এর ৬ ধারাবলে বিলুপ্ত।

<Note>
  Click [here](http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-1176.html) to see the original act on the Bangladesh Legal Database.
</Note>
