> ## Documentation Index
> Fetch the complete documentation index at: https://laws.sayed.app/llms.txt
> Use this file to discover all available pages before exploring further.

# বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন আইন, ২০১৮

> Bangladesh Standards and Testing Institution Ordinance, 1985 রহিতক্রমে উহা নূতনভাবে প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন

**Status:** Active

**Date of Publication:** ১৪ নভেম্বর, ২০১৮

**Act No:** ২০১৮ সনের ৬৭ নং আইন

যেহেতু সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ (২০১১ সনের ১৪ নং আইন) দ্বারা ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ হইতে ১৯৮৬ সালের ১১ নভেম্বর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে সামরিক ফরমান দ্বারা জারিকৃত অধ্যাদেশসমূহের অনুমোদন ও সমর্থন সংক্রান্ত [গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান](/laws/act-957 "Act 957") ের চতুর্থ তপশিলের ১৯ অনুচ্ছেদ বিলুপ্ত হয় এবং সিভিল আপিল নং ৪৮/২০১১ তে সুপ্রীমকোর্টের আপিল বিভাগ কর্তৃক প্রদত্ত রায়ে সামরিক আইনকে অসাংবিধানিক ঘোষণাপূর্বক উহার বৈধতা প্রদানকারী সংবিধান (সপ্তম সংশোধন) আইন, ১৯৮৬ (১৯৮৬ সনের ১ নং আইন) বাতিল ঘোষিত হওয়ায় উক্ত অধ্যাদেশসমূহের কার্যকারিতা লোপ পায়; এবং

যেহেতু ২০১৩ সনের ৭নং আইন দ্বারা উক্ত অধ্যাদেশসমূহের মধ্যে কতিপয় অধ্যাদেশ কার্যকর রাখা হয়; এবং

যেহেতু উক্ত অধ্যাদেশসমূহের আবশ্যকতা ও প্রাসঙ্গিকতা পর্যালোচনা করিয়া আবশ্যক বিবেচিত অধ্যাদেশসমূহ সকল স্টেক-হোল্ডার ও সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মতামত গ্রহণ করিয়া প্রয়োজনীয় সংশোধন ও পরিমার্জনক্রমে বাংলায় নূতন আইন প্রণয়ন করিবার জন্য সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিয়াছে; এবং

যেহেতু সরকারের উপরি-বর্ণিত সিদ্ধান্তের আলোকে, [Bangladesh Standards and Testing Institution Ordinance, 1985](/laws/act-689 "Act 689") (Ord. No. XXXVII of 1985) রহিত করিয়া এর বিষয়বস্তু বিবেচনাপূর্বক সময়ের চাহিদার প্রতিফলনে নূতনভাবে আইন প্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;

সেহেতু এতদ্দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল:-

### সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন

১। (১) এই আইন [বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন আইন, ২০১৮](/laws/act-1280 "Act 1280") নামে অভিহিত হইবে।

(২) এই আইন অবিলম্বে কার্যকর হইবে।

### সংজ্ঞা

২। বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থি কোনো কিছু না থাকিলে, এই আইনে-

(১) ‘‘ইনস্টিটিউশন’’ অর্থ ধারা ৪ এ বর্ণিত বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন;

(২) ‘‘চেয়ারম্যান’’ অর্থ পরিষদের চেয়ারম্যান;

(৩) ‘‘ট্রেড মার্ক’’ অর্থ কোনো নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক অথবা কোনো পণ্যের সহিত ব্যবহৃত বা ব্যবহারের জন্য প্রস্তাবিত এমন কোনো মার্ক যাহাতে ব্যবসায় উক্ত পণ্যের উপর মার্ক ব্যবহারকারী স্বত্বাধিকারীর অধিকার রহিয়াছে মর্মে প্রতীয়মান হয়;

(৪) ‘‘দ্রব্য’’ অর্থ উৎপাদিত বা প্রাকৃতিক, অথবা আংশিক উৎপাদিত বা আংশিক প্রাকৃতিক, অথবা কাঁচা বা আংশিক বা সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াজাতকৃত বা উৎপাদিত কোনো বস্তু;

(৫) ‘‘পরিদর্শক’’ অর্থ ধারা ২২ এর অধীন নিয়োগপ্রাপ্ত পরিদর্শক বা মহাপরিচালক কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ইনস্টিটিউশনের কোনো কর্মচারী;

(৬) ‘‘পরিষদ’’ অর্থ ধারা ৮ এর অধীন গঠিত পরিষদ;

(৭) ‘‘প্রক্রিয়া’’ অর্থ কোনো দ্রব্যের উৎপাদনের প্রচলিত রীতি, পদ্ধতি ও ধরন;

(৮) ‘‘প্রবিধান’’ অর্থ ধারা ৪৮ এর অধীন প্রণীত প্রবিধান;

(৯) ‘‘ফি’’ অর্থ ইনস্টিটিউশন কর্তৃক প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত যে কোনো ফি ও চার্জ বা এই আইনের অধীন ফি বাবদ প্রদেয় যে কোনো অর্থ;

(১০) ‘‘ফৌজদারি কার্যবিধি’’ অর্থ [Code of Criminal Procedure, 1898](/laws/act-75 "Act 75") (Act No. V of 1898);

(১১) ‘‘বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড’’ অর্থ ইনস্টিটিউশন কর্তৃক নির্ধারিত ও প্রকাশিত বাংলাদেশের জাতীয় স্ট্যন্ডার্ড যাহা এইরূপ কোনো দ্রব্য বা প্রক্রিয়ার মান নির্দেশক, এবং এই দফার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নিন্মবর্ণিত বিষয়ও উহার অন্তর্ভুক্ত হইবে, যথা:-

(ক) কোনো সাময়িক স্ট্যান্ডার্ড; বা

(খ) ইনস্টিটিউশন কর্তৃক গৃহীত কোনো আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড;

(১২) ‘‘বিধি’’ অর্থ ধারা ৪৭ এর অধীন প্রণীত বিধি;

(১৩) ‘‘ব্যক্তি’’ অর্থ কোনো ব্যক্তি, কোম্পানি, সমিতি, অংশীদারি কারবার, সংবিধিবদ্ধ বা অন্য কোনো সংস্থা বা উহাদের প্রতিনিধিও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে;

(১৪) ‘‘মহাপরিচালক’’ অর্থ ইনস্টিটিউশনের মহাপরিচালক;

(১৫) ‘‘মার্ক’’ অর্থ কোনো ডিভাইস, ব্রান্ড, শিরোনাম (heading), লেবেল, টিকেট, নাম, স্বাক্ষর, শব্দ, অক্ষর, প্রতীক, সংখ্যা, সংখ্যাযুক্ত উপাদান বা রং এর সমন্বয়, এবং উহাদের যে কোনোরূপ সমন্বয়ও উহার অন্তর্ভুক্ত হইবে;

(১৬) ‘‘লাইসেন্স’’ অর্থ ধারা ১৬ এর অধীন, কোনো দ্রব্য বা প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী স্ট্যান্ডার্ড মার্ক ব্যবহারের উদ্দেশ্যে, প্রদত্ত লাইসেন্স;

(১৭) ‘‘লেবেল’’ অর্থ কোনো পণ্যের পরিচিতি, গঠন, উপাদান, গুণাগুণ, ব্যবহারের নির্দেশনা, বৈশিষ্ট্য, ওজন, পরিমাণ, মূল্য, উৎপাদন বা মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ সম্পর্কিত তথ্যাদি প্রদানের উদ্দেশ্যে উক্ত পণ্য বা পণ্যের ধারক বা ট্যাগে লিখিত, মুদ্রিত বা চিত্রিত কোনো কিছু প্রদর্শন অথবা উক্ত পণ্য সম্পর্কিত মুদ্রিত বিবরণ (literature) বা উহার সহিত যুক্ত এইরূপ অন্যান্য উপাদান;

(১৮) ‘‘শ্রেণিবিন্যাস’’ অর্থ প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত স্ট্যান্ডার্ডের সহিত সঙ্গতিপূর্ণ বস্তুর শ্রেণিবিভাগ;

(১৯) ‘‘সরলীকরণ’’ অর্থ কোনো মালামালের অপ্রয়োজনীয় আকার এবং ভিন্নতা হ্রাসকরণ;

(২০) ‘‘স্ট্যান্ডার্ড মার্ক’’ অর্থ বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিনিধিত্ব করিবার উদ্দেশ্যে ধারা ৬ এর দফা (ট) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন সার্টিফিকেশন মার্ক।

### অন্য আইনের অধীন ব্যবস্থাকে ক্ষুণ্ণ না করা

৩। এই আইন বা তদধীন প্রণীত বিধি বা প্রবিধানের অধীন গৃহীত কার্যধারা বা ব্যবস্থা অন্য কোনো আইনের অধীন গৃহীত ব্যবস্থার অতিরিক্ত হইবে এবং অন্য আইনের অধীন গৃহীত ব্যবস্থাকে ক্ষুণ্ণ করিবে না।

### ইনস্টিটিউশন প্রতিষ্ঠা

৪। (১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, [Bangladesh Standards and Testing Institution Ordinance, 1985](/laws/act-689 "Act 689") (Ord. No. XXXVII of 1985) এর অধীন প্রতিষ্ঠিত Bangladesh Standards and Testing Institution এমনভাবে বহাল থাকিবে যেন উহা এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত।

(২) ইনস্টিটিউশন একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হইবে এবং উহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সিলমোহর থাকিবে এবং এই আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে, উহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার ও হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে, এবং উহা স্বীয় নামে মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং উক্ত নামে উহার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাইবে।

### প্রধান কার্যালয়, ইত্যাদি

৫। (১) ইনস্টিটিউশনের প্রধান কার্যালয় ঢাকায় থাকিবে।

(২) ইনস্টিটিউশন, প্রয়োজনে, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, যে কোনো স্থানে উহার কার্যালয় এবং শাখা স্থাপন করিতে পারিবে।

### ইনস্টিটিউশনের কার্যাবলি

৬। ইনস্টিটিউশনের কার্যাবলি হইবে নিম্নরূপ, যথা:-

(ক) বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডের গুণ ও মাত্রা প্রতিষ্ঠিত করা এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ভিত্তিতে মালামাল, পণ্য, অবকাঠামো, কার্য ও উৎপাদন সম্পর্কিত একটি সাধারণ স্ট্যান্ডার্ড অবলম্বনের প্রস্তুতি গ্রহণ ও প্রচলিত রীতির কার্যক্রম উৎসাহিত করা এবং, সময় সময়, উক্ত স্ট্যান্ডার্ড প্রত্যাহার, রদবদল, পরিবর্তন এবং সংশোধন করা;

(খ) দৈর্ঘ্য, ওজন, ভর, পরিমাপ এবং শক্তি পরিমাপের জন্য বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড বিবেচনা এবং সরকারের নিকট সুপারিশ করা;

(গ) শিল্প ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রে স্ট্যান্ডার্ড নির্ধারণ, মাননিয়ন্ত্রণ, মেট্রোলজি (metrology) এবং সরলীকরণের বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং শিল্প উন্নয়নের সহিত সম্পর্কিত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পরীক্ষাগার প্রতিষ্ঠা, নব প্রবর্তন বা গবেষণামূলক কাজ করা;

(ঘ) ইনস্টিটিউশন কর্তৃক গৃহীত বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড উৎপাদনকারী ও ভোক্তা কর্তৃক অনুসরণ নিশ্চিত করা;

(ঙ) জাতীয় সার্টিফিকেশন মার্ক স্কীমপরিচালনা বা পণ্য পরিদর্শন অথবা উভয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড বাস্তবায়ন করা;

(চ) তদন্ত, গবেষণা বা প্রয়োজনে রপ্তানি উন্নয়নের জন্য পণ্য (product), প্রক্রিয়া (process), পদ্ধতি (system) ও কার্য পরীক্ষা, পরখ ও পরিদর্শনের ব্যবস্থা করা বা সুযোগ সৃষ্টি করা, এবং এই দফার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, কোনো দ্রব্যের বাংলাদেশ মান বা শ্রেণিবিন্যাস সম্পর্কিত পরীক্ষার প্রতিবেদন প্রদান করা;

(ছ) স্থানীয় ব্যবহার, রপ্তানি বা আমদানি, যাহাই হউক না কেন, পণ্যসামগ্রী, মালামাল, উৎপাদিত পণ্য এবং খাদ্যসামগ্রীসহ অন্যান্য দ্রব্যের গুণগতমান প্রত্যয়ন করা;

(জ) কোনো দ্রব্য, উৎপাদিত পণ্য বা উহার ব্যবহারবিধি, সরঞ্জামাদি, প্রক্রিয়া এবং পদ্ধতি উন্নয়নের জন্য উৎপাদনকারী ও ভোক্তার কার্যে সমন্বয়সাধন করা যাহাতে দ্রব্যের জাতীয় অপচয় ও প্যাটার্নের অপ্রয়োজনীয় ভ্যারাইটি, উৎপাদনে ব্যয়িত সময় এবং দ্রব্যের আকার এবং অনুরূপ উদ্দেশ্য পরিহার করা যায়;

(ঝ) প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে কোনো দ্রব্য বা প্রক্রিয়া বা ব্যবহারবিধি সংক্রান্ত বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড নির্দিষ্টকরণের বিষয় নির্ধারণ ও প্রকাশ করা;

(ঞ) বাংলাদেশ বা কোনো বৈদেশিক রাষ্ট্রে অবস্থিত কোনো ইনস্টিটিউশন, অথবা কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত স্ট্যান্ডার্ডকে, কোনো দ্রব্য বা প্রক্রিয়ার জন্য প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড হিসাবে স্বীকৃতি প্রদান, ধারণ বা অনুমোদন করা;

(ট) বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন সার্টিফিকেশন মার্ক নামে একটি স্ট্যান্ডার্ড মার্ক নির্দিষ্ট করা, যাহা বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড উপস্থাপনের জন্য প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত নকশা এবং বিশেষ উপাদানে গঠিত হইবে;

(ঠ) স্ট্যান্ডার্ড মার্কের ব্যবহারের জন্য প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে লাইসেন্স অনুমোদন, নবায়ন, প্রত্যাখ্যান, বাতিল অথবা স্থগিত আদেশ প্রদান করা;

(ড) কোনো পণ্য বা প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড মার্ক, লাইসেন্সসহ বা ব্যতীত, যথাযথভাবে ব্যবহৃত হইয়াছে কিনা অথবা বাংলাদেশ স্টান্ডার্ড মার্ক ব্যবহারের প্রস্তাব করা হইয়াছে কিনা অথবা কোনো পণ্য বা প্রক্রিয়ায় স্ট্যান্ডার্ড মার্ক অনুচিতভাবে ব্যবহৃত হইয়াছে কিনা উহা পর্যবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় পণ্য বা দ্রব্য পরিদর্শন ও উহার নমুনা সংগ্রহ করা;

(ঢ) ইনস্টিটিউশন কর্তৃক পরিচালিত গবেষণাগার ব্যতীত, অন্যান্য গবেষণাগারের সেবা উহার মালিকের অনুমতিক্রমে, ব্যবহার করা এবং ইনস্টিটিউশনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে অনুরূপ গবেষণাগার অনুমোদন করা;

(ণ) সূক্ষ ও বৈজ্ঞানিক যন্ত্র, যন্ত্রপাতি বা পরিমাপন পরীক্ষা এবং ক্যালিব্রেশনের ব্যবস্থা গ্রহণ বা সুযোগ তৈরি এবং এতদুদ্দেশ্যে সনদ ইস্যু করা যাহা দ্বারা উহার স্ট্যান্ডার্ড সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়;

(ত) ইনস্টিটিউশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, বাংলাদেশের বাহিরে অবস্থিত কোনো ব্যক্তি, সংস্থা বা সংগঠনকে সহায়তা করা;

(থ) রপ্তানির উদ্দেশ্যে Agricultural Produce Grading and Marking Act, 1937 (Act. No. I of 1937) এবং তদধীন প্রণীত বিধি অনুসারে কৃষি পণ্যের শ্রেণিবিন্যাস ও মার্ক করা; এবং

(দ) উপরি-উল্লিখিত কার্যাবলির সহিত সংশ্লিষ্ট আনুষঙ্গিক বা প্রাসঙ্গিক সকল কার্য ও বিষয় সম্পাদন করা।

### পরিচালনা ও প্রশাসন

৭। (১) ইনস্টিটিউশনের পরিচালনা ও প্রশাসনের দায়িত্ব একটি পরিষদের উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং ইনস্টিটিউশন যে সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্য সম্পাদন করিতে পারিবে, পরিষদও সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্য সম্পাদন করিতে পারিবে।

(২) পরিষদ উহার দায়িত্ব পালন ও কার্য সম্পাদনের ক্ষেত্রে এই আইন, বিধি, প্রবিধান ও সরকার কর্তৃক, সময় সময়, প্রদত্ত নির্দেশনা অনুসরণ করিবে।

### পরিষদের গঠন

৮। (১) নিম্নবর্ণিত সদস্যগণের সমন্বয়ে পরিষদ গঠিত হইবে, যথা:-

(ক) শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মন্ত্রী, যিনি পরিষদের চেয়ারম্যানও হইবেন;

(খ) শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত প্রতিমন্ত্রী, যদি থাকে, যিনি পরিষদের প্রথম ভাইস-চেয়ারম্যানও হইবেন;

(গ) সচিব, শিল্প মন্ত্রণালয়, যিনি পরিষদের দ্বিতীয় ভাইস-চেয়ারম্যানও হইবেন;

(ঘ) পুলিশ মহাপরিদর্শক;

(ঙ) ‘চেয়ারম্যান’ বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা, পদাধিকার বলে;

(চ) প্রধান তথ্য কর্মকর্তা, তথ্য অধিদপ্তর;

(ছ) প্রধান নিয়ন্ত্রক, আমদানি ও রপ্তানি;

(জ) মহাপরিচালক, বাংলাদেশ টেলিভিশন;

(ঝ) মহাপরিচালক, বাংলাদেশ বেতার;

(ঞ) তপশিলের অংশ-১ এ উল্লিখিত মন্ত্রণালয় ও বিভাগ কর্তৃক মনোনীত উক্ত প্রত্যেক মন্ত্রণালয় বা, ক্ষেত্রমত, বিভাগের অন্যূন যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার একজন প্রতিনিধি;

(ট) তপশিলের অংশ-২ এ উল্লিখিত সংস্থার সভাপতি বা চেয়ারম্যান;

(ঠ) তপশিলের অংশ-৩ এ উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী; এবং

(ড) মহাপরিচালক, যিনি পরিষদের সচিবও হইবেন।

(২) উপধারা (১) এ উল্লিখিত মনোনীত কোনো সদস্য মনোনয়নের তারিখ হইতে পরবর্তী ৩ (তিন) বৎসর মেয়াদের জন্য দায়িত্ব পালন করিবেন :

তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি তাহার পদ বা নিয়োগের কারণে সদস্য হিসাবে মনোনীত হন, সেইক্ষেত্রে তাহার, পদ বা নিয়োগ বাতিল হইলে, সদস্য পদও স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হইবে।

(৩) সদস্য হিসাবে মনোনীত কোনো ব্যক্তি যে কোনো সময় চেয়ারম্যানের উদ্দেশ্যে লিখিত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন :

তবে শর্ত থাকে যে, চেয়ারম্যান কর্তৃক গৃহীত না হওয়া ক্ষেত্রমত কোনো পদত্যাগ কার্যকর হইবে না।

(৪) কোনো পদে কেবল শূন্যতা অথবা পরিষদ গঠনে ত্রুটি থাকিবার কারণে পরিষদের কোনো কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না এবং তদ্‌সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।

### পরিষদের সভা

৯। (১) এই ধারার অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে, পরিষদ উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে।

(২) চেয়ারম্যানের সম্মতিক্রমে এবং তদকর্তৃক নির্ধারিত তারিখ, সময় ও স্থানে পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হইবে।

(৩) চেয়ারম্যান পরিষদের সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন, তবে তাহার অনুপস্থিতিতে প্রথম ভাইস চেয়ারম্যান, বা চেয়ারম্যান ও প্রথম ভাইস চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে দ্বিতীয় ভাইস চেয়ারম্যান অথবা তাহাদের সকলের অনুপস্থিতিতে, উপস্থিত সদস্যগণের দ্বারা এতদুদ্দেশ্যে নির্বাচিত একজন সদস্য সভাপতিত্ব করিবেন।

(৪) অন্যূন ৮ (আট) জন সদস্যের উপস্থিতিতে সভার কোরাম হইবে, তবে মুলতবি সভার ক্ষেত্রে কোরামের প্রয়োজন হইবেনা।

(৫) পরিষদের সভায় উপস্থিত সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যগণের ভোটে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে।

(৬) পরিষদের সভায় প্রত্যেক পরিচালকের একটি করিয়া ভোট থাকিবে , তবে ভোটের সমতার ক্ষেত্রে, সভাপতিত্বকারী ব্যক্তির দ্বিতীয় বা নির্ণায়ক ভোট থাকিবে।

(৭) প্রতি ৪ মাসে ন্যূনতম একবার পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হবে।

### কমিটি নিয়োগ

১০। (১) পরিষদ উহার কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য এক বা একাধিক কমিটি গঠন করিতে পারিবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন কমিটি গঠনকল্পে পরিষদ প্রয়োজনীয়তার নিরিখে কমিটির চেয়ারম্যান এবং সদস্য নির্ধারণ করিবে।

(৩) কমিটির চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ পরিষদ কর্তৃক নির্ধারিত মেয়াদে দায়িত্ব পালন করিবেন।

### সদস্য বহির্ভূত ব্যক্তিবর্গের সহিত পরিষদের সম্পৃক্ততা, ইত্যাদি

১১। (১) পরিষদ বা ধারা ১০ এর অধীন গঠিত কমিটি উহার কার্যসম্পাদনে সহায়তা বা পরামর্শ প্রদান আবশ্যক মনে করিলে, যে কোনো ব্যক্তিকে উহার সহিত সম্পৃক্ত করিতে পারিবে।

(২) পরিষদ অথবা ধারা ১০ এর অধীন গঠিত কমিটির সহিত সম্পৃক্ত কোনো ব্যক্তি পরিষদ বা, ক্ষেত্রমত, কমিটির সভায় আলোচনায় অংশ গ্রহণ করিতে পারিবেন, তবে তাহার ভোটাধিকার থাকিবে না।

### মহাপরিচালক

১২। (১) ইনস্টিটিউশনের একজন মহাপরিচালক থাকিবেন যিনি সরকার কর্তৃক নির্ধারিত শর্তে নিয়োগপ্রাপ্ত হইবেন।

(২) মহাপরিচালক ইনস্টিটিউশনের প্রধান নির্বাহী হইবেন এবং তিনি ইনস্টিটিউশনের প্রশাসন যথাযথভাবে পরিচালনার জন্য দায়ী থাকিবেন।

### কর্মচারী নিয়োগ, ইত্যাদি

১৩। (১) ইনস্টিটিউশন উহার কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য, সরকার কর্তৃক অনুমোদিত সাংগঠনিক কাঠামো সাপেক্ষে, প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মচারী নিয়োগ করিতে পারিবে।

(২) ইনস্টিটিউশনের কর্মচারীদের নিয়োগ পদ্ধতি এবং চাকরির শর্তাবলি প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে।

### ইনস্টিটিউশনের আদেশ এবং অন্যান্য দলিলাদি প্রমাণীকরণ

১৪। ইনস্টিটিউশনের সকল আদেশ ও সিদ্ধান্ত, এবং জারিকৃত অন্যান্য সকল দলিল, এতদুদ্দেশ্যে পরিষদ কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা কর্মচারীর স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রমাণীকৃত হইবে।

### লাইসেন্স ব্যতিরেকে স্ট্যান্ডার্ড মার্ক ব্যবহার নিষিদ্ধ

১৫। (১) ধারা ১৬ এর অধীন লাইসেন্স গ্রহণ ব্যতিরেকে, কোনো ব্যক্তি কোনো দ্রব্য বা প্রক্রিয়ায়, বা কোনো প্যাটেন্টের শিরোনামে, অথবা কোনো ট্রেড মার্ক বা ডিজাইনে স্ট্যান্ডার্ড মার্ক অথবা উহার কোনো অনুকরণ ব্যবহার করিতে পারিবে না।

(২) ধারা ১৬ এর অধীন প্রদত্ত লাইসেন্স থাকা সত্ত্বেও, যদি কোনো পণ্য বা প্রক্রিয়া বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডের সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ না হয় তাহা হইলে কোনো ব্যক্তি উহাতে স্ট্যান্ডার্ড মার্ক বা উহার কোনো অনুকরণ ব্যবহার করিতে পারিবেন না।

### লাইসেন্স, ইত্যাদি

১৬। (১) কোনো ব্যক্তি, কোনো পণ্য অথবা প্রক্রিয়া বা কোনো প্যাটেন্টের শিরোনাম বা কোনো ট্রেড মার্ক বা ডিজাইনে স্ট্যান্ডার্ড মার্ক ব্যবহার করিতে চাহিলে অথবা ধারা ২০ বা ২১ অনুযায়ী অনুরূপ বাধ্যবাধকতা থাকিলে, তিনি স্ট্যান্ডার্ড মার্কের এইরূপ ব্যবহারের উদ্দেশ্যে লাইসেন্স গ্রহণের জন্য প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত ফি পরিশোধপূর্বক প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত ফরমে ইনস্টিটিউশনের নিকট আবেদন করিবেন।

(২) ইনস্টিটিউশন প্রয়োজনীয় তদন্তের পর নিম্নবর্ণিত বিষয় সম্পর্কে সন্তুষ্ট হইলে লাইসেন্স প্রদান করিতে পারিবে, যথা:-

(ক) যে পণ্য বা প্রক্রিয়ায় স্ট্যান্ডার্ড মার্ক ব্যবহৃত হইবে উহা সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডের সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ; এবং

(খ) বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডের সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না উহা নিশ্চিত করিবার জন্য সংশ্লিষ্ট পণ্য বা প্রক্রিয়া নিয়মিত পরিদর্শন বা পরীক্ষা করিবার ব্যবস্থা রহিয়াছে।

(৩) ইনস্টিটিউশন কর্তৃক, প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত ফরমে ও শর্তে, ফি প্রাপ্তি সাপেক্ষে, লাইসেন্স প্রদান করা যাইবে।

(৪) এই ধারার অধীন প্রদত্ত লাইসেন্সের মেয়াদ তিন বৎসর বলবৎ থাকিবে।

(৫) উপ-ধারা (৪) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, লাইসেন্সে বর্ণিত কোনো শর্ত লঙ্ঘিত হইয়াছে মর্মে সন্তুষ্ট হইলে ইনস্টিটিউশন, শুনানি গ্রহণের যুক্তিসঙ্গত সুযোগ প্রদান করিয়া, উহা বাতিল করিতে পারিবে।

(৬) কোনো লাইসেন্সধারীর লাইসেন্স হারাইয়া গেলে বা অন্যভাবে নষ্ট হইয়া গেলে তিনি প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে ও ফি প্রদান সাপেক্ষে লাইসেন্সের প্রতিলিপির জন্য আবেদন করিতে পারিবেন।

(৭) উপ-ধারা (৬) এর অধীন আবেদন প্রাপ্তির পর ইনস্টিটিউশন প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে ও সময়ে লাইসেন্সের প্রতিলিপি প্রদান করিবে।

### ছাড়পত্র অনুমোদন

১৭। ইনস্টিটিউশন আমদানিকৃত পণ্যের অনুকূলে প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে এবং ফি পরিশোধ সাপেক্ষে, গুণগতমানের ছাড়পত্র প্রদান করিতে পারিবে।

### কতিপয় নাম ব্যবহার নিষিদ্ধ, ইত্যাদি

১৮। প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত ক্ষেত্র এবং পরিস্থিতি ব্যতীত অন্য কোনো ক্ষেত্র বা পরিস্থিতিতে কোনো ব্যক্তি, ইনস্টিটিউশনের পূর্বানুমতি ব্যতিরেকে, নিম্নরূপ কোনো নাম, অভিব্যক্তি বা মার্ক ব্যবহার করিতে পারিবেন না, যথা:-

(ক) ইনস্টিটিউশনের নামের সহিত সাদৃশ্য রহিয়াছে এইরূপ কোনো নাম যাহার দ্বারা মানুষ প্রতারিত হইতে পারে বা প্রতারিত হইবার সম্ভাবনা রহিয়াছে অথবা ‘‘বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড’’ অথবা ‘‘বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড নির্দিষ্টকরণ’’ বা অনুরূপ অভিব্যক্তি; বা

(খ) ‘‘বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড’’ অথবা ‘‘বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড নির্দিষ্টকরণ’’ অথবা অনুরূপ কোনো অভিব্যক্তির সংক্ষিপ্তরূপ প্রকাশ করে এইরূপ কোনো মার্ক বা ট্রেড মার্ক।

ব্যাখ্যা ।- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ‘‘নির্দিষ্টকরণ (specification)’’ অর্থ কোনো দ্রব্য বা প্রক্রিয়াকে অন্য কোনো দ্রব্য বা প্রক্রিয়া হইতে পৃথক করিবার জন্য যতদূর সম্ভব উহার প্রকৃতি, মান, দৃঢ়তা, বিশুদ্ধতা, মিশ্রণ, পরিমাণ, আয়তন, ওজন, শ্রেণিবিন্যাস, স্থায়ীত্ব, প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান, স্থায়ীত্ব, উপকরণ,উৎস, প্রস্তুতকরণের ধরন অথবা অন্যান্য বৈশিষ্ট্য উল্লেখপূর্বক দ্রব্য বা প্রক্রিয়ার বিবরণ।

### কতিপয় ক্ষেত্রে নিবন্ধন নিষিদ্ধ

১৯। (১) আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ কোনো নাম বা মার্ক ব্যবহারের ফলে ধারা ১৫ বা ১৮ এর বিধান লঙ্গিত হয় এইরূপ নাম বিশিষ্ট কোনো কোম্পানি, প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি শ্রেণিকে অথবা ট্রেড মার্ক বা ডিজাইন নিবন্ধন করিবে না।

(২) কোনো নাম বা মার্ক ব্যবহারের ফলে ধারা ১৫ বা ধারা ১৮ এর বিধান লঙ্গিত হইয়াছে কিনা তদমর্মে কোনো প্রশ্ন উত্থাপিত হইলে, নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ উহা সরকারের নিকট প্রেরণ করিবে, এবং এইক্ষেত্রে সরকারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হইবে।

ব্যাখ্যা ।- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ‘‘নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ’’ অর্থ কোনো কোম্পানি, প্রতিষ্ঠান, অথবা ব্যক্তি-শ্রেণি, অথবা কোনো ট্রেড মার্ক বা ডিজাইন নিবন্ধনের জন্য অথবা প্যাটেন্ট প্রদানের জন্য আপাতত বলবৎ কোনো আইনের অধীন উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ।

### কতিপয় পণ্য রপ্তানি নিষিদ্ধ বা সীমাবদ্ধ করিবার ক্ষমতা

২০। (১) সরকার, ইনস্টিটিউশনের সহিত পরামর্শক্রমে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, প্রজ্ঞাপনে উল্লিখিত শর্ত এবং ব্যতিক্রম সাপেক্ষে, যে কোনো নির্দিষ্ট বর্ণনার পণ্য যাহা রপ্তানির সহিত সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ায় স্ট্যান্ডার্ড মার্ক ধারণ করে না অথবা প্রচলিত সাধারণ রীতি, বাণিজ্য রীতিসহ, অনুসরণ করে না তাহা বাংলাদেশের বাহিরে লইয়া যাওয়া নিষিদ্ধ বা সীমাবদ্ধ অথবা অন্য কোনোভাবে নিয়ন্ত্রণ করিতে পারিবে।

(২) নির্দিষ্ট বর্ণনার কোনো পণ্য সরকারের নিকট হইতে এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মচারী কর্তৃক প্রদত্ত লাইসেন্সের শর্ত অনুসরণ ব্যতিরেকে বাংলাদেশের বাহিরে নেওয়া যাইবে না।

(৩) যে সকল পণ্যের ক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো প্রজ্ঞাপন প্রযোজ্য উহা [Customs Act, 1969](/laws/act-354 "Act 354") (Act No. IV of 1969) এর section 16 এর অধীন সীমাবদ্ধ বা নিষিদ্ধ করা হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে এবং তদনুসারে উক্ত Act এর সকল বিধান কার্যকর থাকিবে।

### কতিপয় পণ্য বিক্রয়, বিতরণ, বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন, ইত্যাদি নিষিদ্ধ করিবার ক্ষমতা

২১। (১) সরকার, ইনস্টিটিউশনের সহিত পরামর্শক্রমে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, প্রজ্ঞাপনে উল্লিখিত তারিখ হইতে উহাতে বর্ণিত কোনো পণ্যের, যাহা উক্ত পণ্যের ক্ষেত্রে ইনস্টিটিউশন কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে না, বিক্রয়, বিতরণ এবং বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করিতে পারিবে :

তবে শর্ত থাকে যে, প্রজ্ঞাপনে উল্লিখিত তারিখ, প্রজ্ঞাপন প্রকাশের তারিখ হইতে ২ (দুই) মাসের কম হইবে না।

(২) সরকার, কোনো পণ্য বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডের সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ হইলে, উহা সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, স্ট্যান্ডার্ড মার্ক দ্বারা চিহ্নিত করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।

ব্যাখ্যা ।- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে,-

(ক) কোনো পণ্য বা উহার সহিত যুক্ত আবরণ বা লেভেল স্ট্যান্ডার্ড মার্ক দ্বারা চিহ্নিত থাকিলে উক্ত পণ্য স্ট্যান্ডার্ড মার্ক দ্বারা চিহ্নিত বলিয়া গণ্য হইবে; এবং

(খ) দফা (ক) তে উল্লিখিত ‘‘আবরণ’’ অর্থ যে কোনো প্রকারের ছিপি, পিপা, বোতল, পাত্র, বাক্স, ঝাঁজর (crate), ঢাকনা, ক্যাপসুল, খাপ, ফ্রেম, মোড়ক, অথবা অন্যান্য আধার।

### পরিদর্শক

২২। (১) ইনস্টিটিউশন, কোনো দ্রব্য বা প্রক্রিয়ায় বা কোনো প্যাটেন্টের শিরোনামে, অথবা কোনো ট্রেড মার্ক বা ডিজাইনে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড মার্ক অনুচিতভাবে ব্যবহৃত হইয়াছে কিনা উহা পরিদর্শন এবং তাহার উপর অর্পিত অন্যান্য দায়িত্ব পালনের উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক পরিদর্শক নিয়োগ করিতে পারিবে।

(২) এই আইনের অধীন প্রণীত প্রবিধান সাপেক্ষে, একজন পরিদর্শকের নিম্নবর্ণিত ক্ষমতা থাকিবে, যথা:-

(ক) স্ট্যান্ডার্ড মার্ক ব্যবহৃত কোনো পণ্য বা প্রক্রিয়া সংক্রান্ত যে কোনো কার্যক্রম পরিদর্শন;

(খ) স্ট্যান্ডার্ড মার্ক ব্যবহৃত হইয়াছে এইরূপ কোনো পণ্য বা প্রক্রিয়া সংক্রান্ত বস্তু বা মালামাল অথবা পণ্যের নমুনা সংগ্রহ;

(গ) সাব-ইন্সপেক্টর পদ মর্যাদার একজন পুলিশ অফিসারের ন্যায় এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ সম্পর্কে তল্লাশি, আটক বা তদন্ত; এবং

(ঘ) অন্যান্য ক্ষমতা প্রয়োগ।

(৩) প্রত্যেক পরিদর্শককে ইনস্টিটিউশন কর্তৃক পরিদর্শক হিসাবে নিয়োগের সনদপত্র প্রদান করা হইবে এবং পরিদর্শকগণ চাহিবামাত্র উহা প্রদর্শন করিবেন।

### তথ্য, ইত্যাদি সংগ্রহের ক্ষমতা

২৩। প্রত্যেক লাইসেন্সধারী, ইনস্টিটিউশনের চাহিদা অনুযায়ী, কোনো পণ্য অথবা প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত কোনো দ্রব্য বা বস্তুর নমুনা এবং তথ্য ইনস্টিটিউশনের নিকট দাখিল করিবেন।

### ক্ষমতা অর্পণ

২৪। ইনস্টিটিউশন, সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা, লিখিতভাবে আদেশে উল্লিখিত ক্ষেত্রে ও শর্তে, যদি থাকে, উহার যে কোনো ক্ষমতা চেয়ারম্যান বা মহাপরিচালক বা পরিষদের কোনো সদস্য বা ইনস্টিটিউশনের কোনো ৯ম বা তদূর্ধ্ব গ্রেডভুক্ত কর্মচারীকে অর্পণ করিতে পারিবে।

### আপিল

২৫। (১) ধারা ৬ এর দফা (ঠ) এর অধীন প্রদত্ত আদেশ দ্বারা সংক্ষুব্ধ কোনো ব্যক্তি, সিদ্ধান্ত প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৩ (তিন) মাসের মধ্যে অথবা সরকার কর্তৃক সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা অনুমোদিত অতিরিক্ত সময়ের মধ্যে, প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত ফি পরিশোধ সাপেক্ষে সরকারের নিকট আপিল দায়ের করিতে পারিবেন।

(২) সরকার, ইনস্টিটিউশনের নিকট হইতে প্রাসঙ্গিক কাগজপত্র তলব করিতে পারিবে এবং উক্ত বিষয়ে, প্রয়োজনে, তদন্তের পর আদেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং সরকার কর্তৃক প্রদত্ত অনুরূপ আদেশই চূড়ান্ত হইবে।

### কতিপয় বিষয় গোপন রাখা

২৬। (১) এই আইনের অধীন কোনো পরিদর্শক বা পরিষদের কোনো সদস্য বা ইনস্টিটিউশনের কোনো কর্মচারী কর্তৃক প্রদত্ত কোনো বিবৃতি বা সরবরাহকৃত বা প্রদত্ত কোনো সাক্ষ্য বা পরিদর্শনের ফলে প্রাপ্ত যে কোনো তথ্য গোপনীয় বলিয়া গণ্য হইবে।

(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন বিচারকার্য পরিচালনার উদ্দেশ্যে কোনো তথ্য প্রকাশ করিবার ক্ষেত্রে উক্ত উপ-ধারার কোনো কিছু প্রযোজ্য হইবে না।

### ধারা ১৫, ১৮ বা ১৯ লঙ্ঘনের দণ্ড, ইত্যাদি

২৭। (১) কোনো ব্যক্তি যদি ধারা ১৫, ১৮ বা ১৯ এর কোনো বিধান লঙ্ঘন করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির উক্ত কার্য হইবে একটি অপরাধ, এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ড, অথবা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড, তবে পঁচিশ হাজার টাকার নিম্নে নহে, বা উভয় দণ্ড দণ্ডিত হইবেন।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো ব্যক্তিকে দণ্ডাদেশ প্রদানকারী আদালত যে সম্পত্তি সম্পর্কে আইনের বিধান লঙ্ঘিত হইয়াছে উহা সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

### ধারা ২০ লঙ্ঘনের দণ্ড

২৮। কোনো ব্যক্তি যদি ধারা ২০ এর অধীন জারিকৃত কোনো প্রজ্ঞাপন অথবা উহার অধীন প্রদত্ত কোনো লাইসেন্সের শর্ত লঙ্ঘন করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির উক্ত কার্য হইবে একটি অপরাধ, এবং তজ্জন্য তিনি, ধারা ২০ এর উপ-ধারা (৩) দ্বারা প্রয়োগযোগ্য [Customs Act, 1969](/laws/act-354 "Act 354") (Act No. IV of 1969) এর বিধানের অধীন বাজেয়াপ্তি বা দণ্ড ক্ষুণ্ণ না করিয়া, অনধিক ১(এক) বৎসর কারাদণ্ড, অথবা অনধিক ৫০(পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ড, তবে ১০ (দশ) হাজার টাকার নিম্নে নহে, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

### ধারা ২১ লঙ্ঘনের দণ্ড

২৯। কোনো ব্যক্তি যদি ধারা ২১ এর অধীন জারিকৃত কোনো প্রজ্ঞাপনের বিধান লঙ্ঘন করেন, তাহা হইল উক্ত ব্যক্তির উক্ত কার্য হইবে একটি অপরাধ, এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ৪(চার) বৎসর কারাদণ্ড, অথবা অনধিক ২(দুই) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড, তবে ৫০(পঞ্চাশ) হাজার টাকার নিম্নে নহে, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

### পরিদর্শককে তাহার দায়িত্ব পালনকালে বাধা প্রদানের দণ্ড

৩০। কোনো ব্যক্তি যদি পরিদর্শক কর্তৃক সরকারি দায়িত্ব পালনকালে ইচ্ছাকৃতভাবে বাধা প্রদান করেন, অথবা মিথ্যা তথ্য প্রদান করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির উক্ত কার্য হইবে একটি অপরাধ, এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ১(এক) বৎসর কারাদণ্ড, অথবা অনধিক ৫০(পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ড, তবে ১০ (দশ) হাজার টাকার নিম্নে নহে, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

### অন্যান্য অপরাধের দণ্ড

৩১। কোনো ব্যক্তি যদি এই আইন বা তদধীন প্রণীত কোনো বিধি বা প্রবিধান লঙ্ঘন করেন, তাহা হইল উক্ত ব্যক্তির উক্ত কার্য হইবে একটি অপরাধ, এবং তজ্জন্য তিনি, যদি এই আইনের কোনো ধারায় কোনো দণ্ডের বিধান না থাকে, অনধিক ১(এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, তবে ২৫ (পঁচিশ) হাজার টাকার নিম্নে নহে, দণ্ডিত হইবেন।

### অপরাধ পুনঃসংঘটনের দণ্ড

৩২। এই আইনে উল্লিখিত কোনো অপরাধের জন্য দণ্ডিত ব্যক্তি যদি পুনরায় একই অপরাধ করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি উক্ত অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ যে দণ্ড রহিয়াছে উহার দ্বিগুণ দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

### অপরাধ বিচারার্থে গ্রহণ

৩৩। কোনো আদালত, সরকার বা ইনস্টিটিউশন কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শকের লিখিত অভিযোগ ব্যতীত, এই আইনের অধীন কোনো মামলা বিচারার্থে আমলে গ্রহণ করিবে না।

### অপরাধের বিচার

৩৪। (১) ফৌজদারি কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ, উপ-ধারা (২) এর বিধান সাপেক্ষে, প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা, ক্ষেত্রমত, মেট্রোপলিটন এলাকার জন্য মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, কর্তৃক বিচার্য হইবে।

(২) ধারা ২৯ বা, ক্ষেত্রমত, অন্য কোনো ধারায় বর্ণিত অপরাধ পুনঃসংঘটনের ক্ষেত্রে উহার বিচার ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার্য হইবে।

### মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ এর প্রয়োগ

৩৫। আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, [মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯](/laws/act-1025 "Act 1025") (২০০৯ সনের ৫৯ নং আইন), অতঃপর উক্ত আইন বলিয়া উল্লিখিত, এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, এই আইনের অধীন অপরাধের ক্ষেত্রে, উক্ত আইনের তপশিলভুক্ত হওয়া সাপেক্ষে, মোবাইল কোর্ট দণ্ড আরোপ করিতে পারিবে।

### অর্থদণ্ড আরোপের ক্ষেত্রে ম্যজিস্ট্রেটের বিশেষ ক্ষমতা

৩৬। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩২ এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো ব্যক্তির উপর এই আইনের কোনো ধারায় উল্লিখিত অর্থদণ্ড আরোপের ক্ষেত্রে একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা, ক্ষেত্রমত, মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত ধারায় উল্লিখিত অর্থদণ্ড আরোপ করিতে পারিবেন।

### বাজেয়াপ্তযোগ্য দ্রব্যাদি

৩৭। (১) এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ সংঘটিত হইলে, উক্ত অপরাধ যে দ্রব্য বা বস্তু সম্পর্কে বা যাহার দ্বারা সংঘটিত হইয়াছে উহা বাজেয়াপ্ত করা যাইবে।

(২) এই আইনের অধীন বাজেয়াপ্তযোগ্য কোনো দ্রব্য, ধারা ২৭ এর উপ-ধারা (২) এর অধীন বাজেয়াপ্তির আদেশ প্রদানের পর, অবিলম্বে মহাপরিচালকের নিকট, অথবা মহাপরিচালক কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত ইনস্টিটিউশনের কোনো কর্মচারীর নিকট হস্তান্তর করিতে হইবে এবং তিনি প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত উপায়ে উহা ধ্বংস বা নিষ্পন্নের ব্যবস্থা করিবেন।

### কারখানা, ইত্যাদি বন্ধের ক্ষমতা

৩৮। (১) কোনো দ্রব্য পরীক্ষার পর, যদি দেখা যায় যে, উহা ইনস্টিটিউশন কর্তৃক উক্ত দ্রব্য সম্পর্কে নির্ধারিত বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডের অনুরূপ নহে, অথবা ২০ এর শর্ত অনুসরণ ব্যতীত বাংলাদেশের বাহিরে লইয়া যাওয়া বা প্রেরণ করিবার কার্যক্রম গ্রহণ করা হইয়াছে বা ধারা ২১ এর অধীন লাইসেন্স গ্রহণের বাধ্যবাধকতা রহিয়াছে এমন কোনো দ্রব্য বিক্রয়, বিতরণ বা উহার বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন প্রচার করা হইতেছে, তাহা হইলে মহাপরিচালক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত ইনস্টিটিউশনের কোনো কর্মচারী লিখিত আদেশ দ্বারা, প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, উক্ত দ্রব্য উৎপাদনকারী কারখানা অথবা উক্ত দ্রব্য যে প্রাঙ্গণে গুদামজাত রহিয়াছে উহা বন্ধ করিতে পারিবেন।

(২) কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে উপ-ধারা (১) এর অধীন বন্ধকরণের আদেশ প্রদান করা হইলে, তিনি এইরূপ আদেশ প্রদানের তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে সরকারের নিকট আপিল করিতে পারিবেন।

ব্যাখ্যা ।- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে ‘‘প্রাঙ্গণ’’ অর্থে নিম্নবর্ণিত স্থান, পণ্যাগার, আবাসস্থল, যানবাহন, ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত হইবে, যথা:-

(ক) কোনো স্থান, যেখানে কোনো ব্যক্তি কর্তৃক, স্বয়ং বা কোনো এজেন্টের মাধ্যমে, যে নামেই অভিহিত হউক না কেন, কোনো ব্যবসায়, শিল্প, উৎপাদন বা ক্রয়-বিক্রয়ের কার্য পরিচালনা করা হয় ;

(খ) কোনো পণ্যাগার (ware house), গুদাম বা অন্য কোনো স্থান, যেখানে কোনো দ্রব্য বা দ্রব্যাদি গুদামজাত, প্রদর্শন বা ক্রয়-বিক্রয় করা হয় ;

(গ) কোনো আবাসস্থল, যদি উহার কোনো অংশ কোনো ব্যবসায়, শিল্প, উৎপাদন বা ক্রয়-বিক্রয়ের কার্য পরিচালনার জন্য ব্যবহার করা হয়; এবং

(ঘ) কোনো যাহবাহন বা জলযান বা অন্য যে কোনো চলমান যন্ত্র, যাহার সাহায্যে কোনো কিছু ক্রয়-বিক্রয় বা ব্যবসায় পরিচালনা করা হয়।

### আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও অন্যান্য কর্তৃপক্ষের সহায়তা গ্রহণ

৩৯। এই আইন বা ইনস্টিটিউশন কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন অন্য কোনো আইনের অধীন কোনো ক্ষমতা প্রয়োগ বা কার্য সম্পাদনের উদ্দেশ্যে মহাপরিচালক বা তাহার নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ইনস্টিটিউশনের কোনো কর্মচারী আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বা অন্যান্য সরকারি বা সংবিধিবদ্ধ কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় সহায়তা করিবার জন্য অনুরোধ করিতে পারিবেন এবং এইরূপ কোনো অনুরোধ করা হইলে উক্ত সংস্থা বা কর্তৃপক্ষ উক্ত সহায়তা প্রদান করিতে বাধ্য থাকিবে।

### ইনস্টিটিউশন কর্তৃক সেবা প্রদান, ইত্যাদি

৪০। ধারা ৬ এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন,-

(ক) কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউশনের কার্যাবলির আওতাভুক্ত কোনো পণ্যের পরীক্ষণ, পরিমাপন বা মাননিয়ন্ত্রণ সম্পর্কিত কোনো বিষয় পরীক্ষা করিবার জন্য ইনস্টিটিউশনের নিকট আবেদন করিলে বা এতদ্বিষয়ক তথ্য প্রদানের জন্য উহাকে অনুরোধ জানাইলে ইনস্টিটিউশন, প্রযোজ্য ফি গ্রহণক্রমে, পরীক্ষান্তে প্রতিবেদন এবং তথ্য প্রদান করিতে পারিবে;

(খ) সরকার বা সরকারি কোনো প্রতিষ্ঠান উপ-ধারা (১) এর অধীন আবেদন করিলে ইনস্টিটিউশন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রতিবেদন এবং তথ্য প্রদান করিবে; এবং

(গ) দফা (ক) এবং (খ) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউশনের কার্যাবলির আওতাবহির্ভূত কোনো পণ্যের উপাদানের গুণগতমান পরীক্ষণ, পরিমাপন বা মাননিয়ন্ত্রণ সম্পর্কিত কোনো বিষয় যাচাই করিবার জন্য ইনস্টিটিউশনের নিকট আবেদন করিতে পারিবে এবং ইনস্টিটিউশন, উহার সক্ষমতা সাপেক্ষে, প্রযোজ্য ফি গ্রহণক্রমে, পরীক্ষান্তে প্রতিবেদন এবং তথ্য প্রদান করিতে পারিবে।

### ইনস্টিটিউশনের তহবিল

৪১। (১) ইনস্টিটিউশনের একটি তহবিল থাকিবে এবং নিন্মবর্ণিত উৎস হইতে প্রাপ্ত অর্থ উক্ত তহবিলে জমা হইবে, যথা:-

(ক) সরকারের নিকট হইতে প্রাপ্ত অনুদান ও ঋণ;

(খ) ইনস্টিটিউশনের অর্থ বিনিয়োগ, রয়েলটিজ এবং সম্পদ হইতে প্রাপ্ত আয়; এবং

(গ) ইনস্টিটিউশনের অন্যান্য সকল আয়।

(২) তহবিলের অর্থ ইনস্টিটিউশনের নামে ইনস্টিটিউশন কর্তৃক নির্দিষ্টকৃত কোনো তপশিলি ব্যাংকে জমা রাখিতে হইবে এবং বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে উক্ত তহবিল পরিচালনা করিতে হইবে :

তবে শর্ত থাকে যে, এই উপ-ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, বিধি প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত পরিষদ কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে তহবিল পরিচালনা করা যাইবে।

ব্যাখ্যা ।- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ‘‘তপশিলি ব্যাংক’’ অর্থ [Bangladesh Bank Order, 1972](/laws/act-415 "Act 415") (P.O. 127 of 1972) এর Article 2(j) তে সংজ্ঞায়িত কোনো “Scheduled Bank”।

(৩) তহবিলের অর্থ হইতে সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণক্রমে ইনস্টিটিউটের প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহ করা যাইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, তহবিলের অর্থে বাস্তবায়নাধীন কোনো প্রকল্পের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ বা যে কোনো অর্থ-বৎসরের শুরুতে প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান রাখিয়া তহবিলের উদ্বৃত্ত অর্থ, যদি থাকে, সরকারি কোষাগারে জমা করিতে হইবে।

### বাজেট

৪২। ইনস্টিটিউশন, প্রতি বৎসর সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে, পরবর্তী অর্থ বৎসরের বার্ষিক বাজেট বিবরণী সরকারের নিকট পেশ করিবে এবং উহাতে উক্ত অর্থ বৎসরে সরকারের নিকট হইতে ইনস্টিটিউশনের কি পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হইবে উহার উল্লেখ থাকিবে।

### হিসাব ও নিরীক্ষা

৪৩। (১) ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, অতঃপর মহা হিসাব-নিরীক্ষক বলিয়া অভিহিত, এর সহিত পরামর্শক্রমে, সরকার কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে, উহার হিসাব সংরক্ষণ করিবে।

(২) মহা হিসাব-নিরীক্ষক যেইরূপ উপযুক্ত মনে করিবেন সেইরূপ পদ্ধতিতে ইনস্টিটিউশনের হিসাব নিরীক্ষিত হইবে।

(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন নিরীক্ষার উদ্দেশ্যে, মহা হিসাব-নিরীক্ষক বা এতদুদ্দেশ্যে তাহার নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি, ইনস্টিটিউশনের সকল রেকর্ড, বহি, দলিল, নগদ অর্থ, জামানত, ভাণ্ডার এবং অন্যান্য সম্পদ পরীক্ষা করিতে পারিবেন এবং ইনস্টিটিউশনের যে কোনো সদস্য, মহাপরিচালক অথবা অন্য কোনো কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করিতে পারিবেন।

(৪) মহা হিসাব-নিরীক্ষক তাহার নিরীক্ষা প্রতিবেদন সরকারের নিকট পেশ করিবেন এবং উহার একটি কপি ইনস্টিটিউশনের নিকট প্রেরণ করিবেন।

### বার্ষিক প্রতিবেদন

৪৪। (১) ইনস্টিটিউশন প্রতিবৎসর তদকর্তৃক সম্পাদিত কার্যাবলির বিবরণ সম্বলিত একটি বার্ষিক প্রতিবেদন পরবর্তী বৎসরের ৩১ জানুয়ারির মধ্যে সরকারের নিকট পেশ করিবে।

(২) সরকার, প্রয়োজনে, যে কোনো সময়, ইনস্টিটিউশনের নিকট হইতে উহার যে কোনো বিষয়ের উপর প্রতিবেদন, বিবরণী বা রিটার্ন আহবান করিতে পারিবে এবং ইনস্টিটিউশন উহা সরকারের নিকট সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবে।

### অসুবিধা দূরীকরণ

৪৫। এই আইনের কোনো বিধান কার্যকর করিবার ক্ষেত্রে কোনো অসুবিধা দেখা দিলে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের বিধানাবলির সহিত সঙ্গতিপূর্ণ হওয়া সাপেক্ষে, উক্তরূপ অসুবিধা দূর করিতে পারিবে।

### জনসেবক

৪৬। ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ও কর্মচারীগণসহ এই আইনের অধীন নিয়োগপ্রাপ্ত বা দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিদর্শক বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মচারী দণ্ডবিধির ধারা ২১ এ public servant (জনসেবক) অভিব্যক্তিটি যে অর্থে ব্যবহৃত হইয়াছে সেই অর্থে জনসেবক বলিয়া গণ্য হইবে।

### সরকারি কর্মচারী কর্তৃক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা

৪৭। (১) এই আইনের অধীন অপরাধ দমনে সহায়তাকারী কোনো সরকারি কর্মচারী জ্ঞাতসারে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হইলে বা কোনো বিধান লঙ্ঘন করিলে অনুরূপ ব্যর্থতা বা লঙ্ঘনের জন্য তিনি দায়ী হইবেন।

(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোনো ব্যর্থতা বা লঙ্ঘনের অভিযোগে কোনো সরকারি কর্মচারী দায়ী হইলে তিনি সরকারি কর্মচারীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বিধি-বিধান অনুযায়ী আচরণ ও শৃঙ্খলা সংক্রান্ত অপরাধে অভিযুক্ত হইবেন এবং উক্ত কারণে তাহার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শৃঙ্খলামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করিতে হইবে।

### তপশিল সংশোধন

৪৮। সরকার, ইনস্টিটিউশনের সহিত পরামর্শক্রমে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের তপশিল সংশোধন করিতে পারিবে।

### বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা

৪৯। এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের সহিত অসামঞ্জস্যপূর্ণ নহে এইরূপ বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।

### প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা

৫০। এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ইনস্টিটিউশন, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে এবং সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইন ও তদধীন প্রণীত বিধির সহিত অসামঞ্জস্যপূর্ণ নহে এইরূপ প্রবিধান প্রণয়ন করিতে পারিবে।

### রহিতকরণ ও হেফাজতকরণ

৫১। (১) [Bangladesh Standards and Testing Institution Ordinance, 1985](/laws/act-689 "Act 689") (Ord. No. XXXVII of 1985), অতঃপর রহিত Ordinance বলিয়া উল্লিখিত, এতদ্দ্বারা রহিত করা হইল।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন রহিতকরণ সত্ত্বেও, রহিত Ordinance এর অধীন-

(ক) কৃত কোনো কাজ-কর্ম, গৃহীত কোনো ব্যবস্থা বা সূচিত কোনো কার্যধারা এই আইনের অধীন কৃত, গৃহীত বা সূচিত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে;

(খ) দায়েরকৃত কোনো মামলা, গৃহীত কোনো ব্যবস্থা বা সূচিত কোনো কার্য বা কার্যধারা নিষ্পন্নাধীন থাকিলে, উক্ত কার্য বা কার্যধারা উক্ত রহিত Ordinance এর বিধান অনুসারে এইরূপে নিষ্পত্তি করিতে হইবে যেন এই আইন প্রবর্তিত হয় নাই;

(গ) প্রতিষ্ঠিত Bangladesh Standards and Testing Institution, অতঃপর Institution বলিয়া অভিহিত, কর্তৃক সম্পাদিত কোনো চুক্তি, দলিল বা ইনস্ট্রুমেন্ট এমনভাবে বহাল থাকিবে যেন উহা এই আইনের অধীন ইনস্টিটিউশন কর্তৃক সম্পাদিত হইয়াছে;

(ঘ) প্রতিষ্ঠিত Institution এর সকল প্রকার ঋণ, দায় ও আইনগত বাধ্যবাধকতা এই আইনের বিধান অনুযায়ী একই শর্তে ইনস্টিটিউশনের ঋণ, দায় ও আইনগত বাধ্যবাধকতা হিসাবে গণ্য হইবে;

(ঙ) কোনো চুক্তি বা চাকরির শর্তে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইন প্রবর্তনের পূর্বে উক্ত Institution এর সকল কর্মচারী যে শর্তাধীনে চাকরিতে নিয়োজিত ছিলেন, উহা পরিবর্তিত বা সংশোধিত না হওয়া পর্যন্ত, সেই একই শর্তে ইনস্টিটিউশনের চাকরিতে নিয়োজিত এবং, ক্ষেত্রমত, বহাল থাকিবেন;

(চ) প্রতিষ্ঠিত Institution এর সকল সম্পদ, অধিকার, ক্ষমতা, কর্তৃত্ব ও সুবিধা, ফি, স্থাবর ও অস্থাবর সকল সম্পত্তি, অনুমোদিত মূলধন, তহবিল, নগদ অর্থ, ব্যাংক জমা ও সিকিউরিটিসহ সকল হিসাব এবং এতদসংশ্লিষ্ট সকল হিসাব বহি, রেজিস্টার, রেকর্ডপত্রসহ অন্যান্য সকল দলিল-দস্তাবেজ এই আইন প্রবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ইনস্টিটিউশনের নিকট হস্তান্তরিত হইবে এবং ইনস্টিটিউশন উহার অধিকারী হইবে; এবং

(ছ) প্রতিষ্ঠিত বা স্থাপিত কার্যালয় বা শাখার, ঢাকা শাখাসহ, যে নামে ও স্থানেই প্রতিষ্ঠিত বা স্থাপিত হউক না কেন, কার্যক্রম এই আইনের অধীন ইনস্টিটিউশনের কার্যালয় বা শাখা প্রতিষ্ঠিত বা স্থাপিত না হওয়া পর্যন্ত বা, ক্ষেত্রমত, বিলুপ্ত না করা পর্যন্ত, এমনভাবে কার্যকর ও অব্যাহত থাকিবে যেন উহারা এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত বা স্থাপিত হইয়াছে।

(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন রহিতকরণ সত্ত্বেও, রহিত Ordinance এর অধীন প্রণীত কোনো প্রবিধান, জারিকৃত কোনো প্রজ্ঞাপন, প্রদত্ত কোনো আদেশ, নির্দেশ, অনুমোদন, সুপারিশ, প্রণীত সকল স্কীম বা কার্যক্রম এবং অনুমোদিত সকল হিসাব বিবরণী ও বার্ষিক প্রতিবেদন উক্তরূপ রহিতের অব্যবহিত পূর্বে বলবৎ থাকিলে, এই আইনের কোনো বিধানের সহিত অসঙ্গতিপূর্ণ না হওয়া সাপেক্ষে, এই আইনের অনুরূপ বিধানের অধীন প্রণীত, জারিকৃত, প্রদত্ত এবং অনুমোদিত বলিয়া গণ্য হইবে, এবং মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত অথবা এই আইনের অধীন রহিত বা সংশোধিত না হওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে।

### ইংরেজিতে অনূদিত পাঠ প্রকাশ

৫২। (১) এই আইন কার্যকর হইবার পর সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের মূল বাংলা পাঠের ইংরেজিতে অনূদিত একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ (Authentic English Text) প্রকাশ করিতে পারিবে।

(২) ইংরেজি পাঠ এবং মূল বাংলা পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাইবে।

***

### Footnotes

<Note>
  Click [here](http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-1280.html) to see the original act on the Bangladesh Legal Database.
</Note>
