> ## Documentation Index
> Fetch the complete documentation index at: https://laws.sayed.app/llms.txt
> Use this file to discover all available pages before exploring further.

# বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬

> বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী আইন, ১৯৮৯ এর অধিকতর সংশোধনকল্পে প্রণীত অধ্যাদেশ

**Date of Publication:** \[ ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ]

## Preamble

যেহেতু নিম্নবর্ণিত উদ্দেশ্যসমূহ পূরণকল্পে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী আইন, ১৯৮৯ (১৯৮৯ সনের ২২ নং আইন) এর অধিকতর সংশোধন করা সমীচীন ও প্রয়োজন; এবং যেহেতু সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় রহিয়াছে এবং রাষ্ট্রপতির নিকট ইহা সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইয়াছে যে, আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে; সেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৩ (১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি নিম্নরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করিলেন:-

## Sections/Articles

### সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন

১।  (১) এই অধ্যাদেশ [বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬](/laws/act-1615 "বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬") নামে অভিহিত হইবে।  (২) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে।

### ১৯৮৯ সনের ২২ নং আইনের কতিপয় শব্দের সংশোধন

২।  বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আইন ১৯৮৯, (১৯৮৯ সনের ২২ নং আইন), অতঃপর উক্ত আইন বলিয়া উল্লিখিত, এর সংক্ষিপ্ত শিরোনামসহ সর্বত্র উল্লিখিত “একাডেমী”, “একাডেমীর” ও “একাডেমীতে” শব্দগুলির পরিবর্তে যথাক্রমে, “একাডেমি”, “একাডেমির” ও “একাডেমিতে” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

### ১৯৮৯ সনের ২২ নং আইনের ধারা ২ এর সংশোধন

৩।  উক্ত আইনের ধারা ২ এর দফা (গ) এর পরিবর্তে নিম্নবর্ণিত দফা (গ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-  “(গ) “পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ)” অর্থ একাডেমির পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ);”।

### ১৯৮৯ সনের ২২ নং আইনের ধারা ৩ এর সংশোধন

৪।   উক্ত আইনের ধারা ৩ এর-  (ক) উপ-ধারা (২) এ দুইবার উল্লিখিত “করার” শব্দের পরিবর্তে “করিবার” এবং “রাখার” শব্দের পরিবর্তে “রাখিবার” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে;  (খ) উপ-ধারা (৩) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৩) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-  “(৩) একাডেমির প্রধান কার্যালয় ঢাকায় থাকিবে, তবে একাডেমি, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, দেশের অন্যান্য স্থানে ইহার শাখা কার্যালয় স্থাপন করিতে পারিবে।”।

### ১৯৮৯ সনের ২২ নং আইনের ধারা ৫ এর প্রতিস্থাপন

৫।  উক্ত আইনের ধারা ৫ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৫ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-  “৫। পরিষদের গঠন।- (১) নিম্নবর্ণিত সদস্যগণের সমন্বয়ে পরিষদ গঠিত হইবে, যথা:-  (ক) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মন্ত্রী/উপদেষ্টা/প্রতিমন্ত্রী/ উপমন্ত্রী, যিনি ইহার সভাপতিও হইবেন;  (খ) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব/সচিব, যিনি ইহার সহ-সভাপতিও হইবেন;  (গ) অর্থ বিভাগ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ ও তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব/সচিব বা তাহাদের কর্তৃক মনোনীত স্ব-স্ব মন্ত্রণালয় বা বিভাগ হইতে যুগ্মসচিবের নিম্নে নহেন এইরূপ ১ (এক) জন করিয়া প্রতিনিধি;  (ঘ) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট অনুবিভাগ বা অধিশাখার যুগ্মসচিব;  (ঙ) বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক, পদাধিকারবলে;  (চ) জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক, পদাধিকারবলে;  (ছ) সরকার কর্তৃক মনোনীত ৮ টি প্রশাসনিক বিভাগ হইতে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রসমূহের বিশিষ্ট ব্যক্তিগণের মধ্য হইতে ১ (এক) জন করিয়া মোট ৮ (আট) জন ব্যক্তি, যথা:-  (১) সংগীত;  (২) চারুকলা;  (৩) নাট্যকলা;  (৪) চলচ্চিত্র;  (৫) আলোকচিত্র;  (৬) নৃত্য ও অন্যান্য পারফর্মিং আর্টস;  (৭) গবেষণা, প্রকাশনা ও নিউ মিডিয়া;  (৮) সাংস্কৃতিক ব্র্যান্ডিং, উৎসব ও প্রযোজনা:  তবে শর্ত থাকে যে, কোনো প্রশাসনিক বিভাগ হইতে একটি ক্ষেত্রে ১ (এক) জনের অধিক মনোনয়ন প্রদান করা যাইবে না;  (জ) সরকার কর্তৃক মনোনীত ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী হইতে ১ (এক) জন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব;  (ঝ) সরকার কর্তৃক মনোনীত কোনো জাতীয় দৈনিক পত্রিকার একজন সম্পাদক;  (ঞ) একাডেমির মহাপরিচালক, যিনি ইহার সদস্য সচিবও হইবেন।  (২) পরিষদের মনোনীত সদস্যগণ তাঁহাদের মনোনয়নের তারিখ হইতে ৩ (তিন) বৎসরের জন্য সদস্য পদে বহাল থাকিবেন:  তবে শর্ত থাকে যে, একজন মনোনীত সদস্য যে কোনো সময় সভাপতিকে উদ্দেশ্য করিয়া তাঁহার স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে পদত্যাগ করিতে পারিবেন:  তবে আরও শর্ত থাকে যে, সরকার যে কোনো সময় কোনো মনোনীত সদস্যের মনোনয়ন বাতিল করিতে পারিবে।”।

### ১৯৮৯ সনের ২২ নং আইনের ধারা ৭ এর প্রতিস্থাপন

৬।  উক্ত আইনের ধারা ৭ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৭ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-  “৭। একাডেমির দায়িত্ব ও কার্যাবলি।- একাডেমির দায়িত্ব ও কার্যাবলি হইবে নিম্নরূপ, যথা:-  (ক) শত বছরের জমিদারি ও ঔপনিবেশিক শাসনের ফলে সৃষ্ট রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক আধিপত্য রোধকল্পে জাতীয় আশা-আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সংগতি রাখিয়া সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের বিকাশ, ললিতকলা, জাতীয় সংস্কৃতির উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও প্রসার ঘটনোর লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সুযোগ সুবিধা সৃষ্টি করা;  (খ) সকল ধর্মের, সকল ভাষার, সকল জনগোষ্ঠীর মানুষের সংস্কৃতিকে ধারণ, লালন, পৃষ্ঠপোষকতা ও বিশ্বময় ছড়িয়ে দেওয়া;  (গ) শিল্পের বিদ্যমান নানা শাখার চর্চায় কাজ করিবার পাশাপাশি সংস্কৃতির যে নূতন নূতন ধারার উদ্ভব হইবে তাহা ধারণ করা;  (ঘ) প্রতিভাবান শিল্পী এবং কলাকুশলী দ্বারা কর্মশালা, সেমিনার ও আলোচনা সভার আয়োজন করা;  (ঙ) সংস্কৃতির সকল ক্ষেত্র বা ধারার উৎকর্ষ সাধনের উদ্দেশ্যে স্বল্পকালীন উচ্চতর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা;  (চ) প্রতিভার বিকাশ সাধনের উদ্দেশ্যে শিক্ষার্থী-শিল্পীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা;  (ছ) অসচ্ছল অথচ প্রতিভাবান শিক্ষার্থী শিল্পীদের জন্য বৃত্তি প্রদানের ব্যবস্থা করা;  (জ) অজ্ঞাত বা স্বল্প পরিচিত প্রতিভাবান শিল্পীদের অনুসন্ধান করিয়া তাঁহাদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করা;  (ঝ) সংস্কৃতির সকল ক্ষেত্রে নিবেদিত প্রতিষ্ঠানের অবদান মূল্যায়ন করিয়া আবেদনের প্রেক্ষিতে উহাদিগকে আর্থিক অনুদান প্রদান করা এবং এইরূপ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের গুণগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়তা প্রদান করা;  (ঞ) শিল্পকলার সংশ্লিষ্ট বিষয়ের উপর প্রতিযোগিতার আয়োজন করা ও কৃতি শিল্পীদের পুরস্কার প্রদান করা;  (ট) বিভিন্ন দেশে সংস্কৃতির সকল ক্ষেত্রে উদ্ভাবিত নব নব কলাকৌশল ও ধ্যানধারণা সম্পর্কে দেশের শিল্পী ও শিল্পানুরাগীদের পরিচিত করিয়া তুলিবার জন্য বিদেশ হইতে উন্নতমানের সাংস্কৃতিক দল বা গোষ্ঠীকে আমন্ত্রণ জানাইয়া দেশের শিল্পী ও শিল্পানুরাগীদের সম্মুখে তাঁহাদের কলাকৌশল পরিবেশনের ব্যবস্থা করা;  (ঠ) রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা;  (ড) সংস্কৃতির সকল ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট সমস্যা সমাধানের জন্য যোগ্য ব্যক্তির দ্বারা গবেষণা কর্মসূচী গ্রহণ এবং তাহা প্রকাশের ব্যবস্থা করা।  (ঢ) দেশের সংস্কৃতিকে জনগণের সম্মুখে উপস্থাপনের জন্য বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও প্রদর্শনীর আয়োজন করা;  (ণ) বিদেশে বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে তুলিয়া ধরিবার লক্ষ্যে সরকারের পূর্ব অনুমোদন লইয়া বিদেশে সাংস্কৃতিক দল প্রেরণ করা;  (ত) উল্লিখিত কার্যাদির সম্পূরক ও প্রাসঙ্গিক অন্যান্য কার্য সম্পাদন করা।”।

### ১৯৮৯ সনের ২২ নং আইনের ধারা ৮ এর প্রতিস্থাপন

৭।   উক্ত আইনের ধারা ৮ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৮ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:  “৮। একাডেমির বিভাগ।- (১) একাডেমির নিম্নবর্ণিত বিভাগ থাকিবে, যথা:-  (ক) সংগীত;  (খ) চারুকলা;  (গ) নাট্যকলা;  (ঘ) চলচ্চিত্র;  (ঙ) আলোকচিত্র;  (চ) নৃত্য ও অন্যান্য পারফর্মিং আর্টস;  (ছ) গবেষণা, প্রকাশনা ও নিউ মিডিয়া;  (ঝ) সাংস্কৃতিক ব্র্যান্ডিং, উৎসব ও প্রযোজনা;  (ঝ) প্রশাসন ও অর্থ;  (২) একাডেমি, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, নূতন বিভাগ সৃষ্টি করিতে পারিবে এবং উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত বিভাগগুলির যে কোনো বিভাগ বিলুপ্ত করিতে পারিবে এবং উহাদের পুনর্বিন্যাস করিতে পারিবে।  (৩) একাডেমির সাচিবিক দায়িত্ব পালনের জন্য একজন পরিচালক থাকিবেন, যিনি পদাধিকারবলে প্রশাসন ও অর্থ বিভাগের দায়িত্বে থাকেবে এবং অন্যান্য প্রত্যেকটি বিভাগ একজন পরিচালকের দায়িত্বে ন্যস্ত থাকিবে।  (৪) প্রতিটি বিভাগ একাডেমি কর্তৃক নির্ধারিত দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করিবে।”।

### ১৯৮৯ সনের ২২ নং আইনের ধারা ৯ এর সংশোধন

৮।  উক্ত আইনের ধারা ৯ এর উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত “সচিব মহাপরিচালকরূপে কার্য করিবেন” শব্দগুলির পরিবর্তে “পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) মহাপরিচালক এর দায়িত্ব পালন করিবেন” শব্দগুলি ও বন্ধনী প্রতিস্থাপিত হইবে।

### ১৯৮৯ সনের ২২ নং আইনের ধারা ১০ এর প্রতিস্থাপন

৯।  উক্ত আইনের ধারা ১০ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ১০ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-  “১০। পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ)।- (১) একাডেমির একজন পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) থাকিবে, যিনি সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং তাঁহার চাকরির শর্তাদি সরকার কর্তৃক স্থিরীকৃত হইবে।  (২) পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) মহাপরিচালককে তাঁহার যাবতীয় প্রশাসনিক কার্যে সহায়তা করিবেন।”।

### ১৯৮৯ সনের ২২ নং আইনের ধারা ১৩ এর সংশোধন

১০।  উক্ত আইনের ধারা ১৩ এর উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত “সচিব” শব্দের পরিবর্তে “পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ)” শব্দগুলি ও বন্ধনী প্রতিস্থাপিত হইবে।

<Note>
  Click [here](http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-1615.html) to see the original act on the Bangladesh Legal Database.
</Note>
