> ## Documentation Index
> Fetch the complete documentation index at: https://laws.sayed.app/llms.txt
> Use this file to discover all available pages before exploring further.

# বাংলাদেশ গ্যাস (সংশোধন) আইন, ২০২৬

> বাংলাদেশ গ্যাস আইন, ২০১০ এর সংশোধনকল্পে প্রণীত আইন

**Status:** Active

**Date of Publication:** ১০ এপ্রিল, ২০২৬

**Act No:** ২০২৬ সনের ৫২ নং আইন

যেহেতু নিম্নবর্ণিত উদ্দেশ্যসমূহ পূরণকল্পে [বাংলাদেশ গ্যাস আইন, ২০১০](/laws/act-1052 "Act 1052") (২০১০ সনের ৪০ নং আইন) এর সংশোধন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;

সেহেতু এতদ্দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল:—

### সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন

১। (১) এই আইন [বাংলাদেশ গ্যাস (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1681 "Act 1681") নামে অভিহিত হইবে।

(২) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে।

### ২০১০ সনের ৪০ নং আইনের ধারা ২ এর সংশোধন

২। [বাংলাদেশ গ্যাস আইন, ২০১০](/laws/act-1052 "Act 1052") (২০১০ সনের ৪০ নং আইন), অতঃপর উক্ত আইন বলিয়া উল্লিখিত, এর ধারা ২ এর দফা (২২) এর পর নিম্নরূপ নূতন দফা (২২ক) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:-

“(২২ক) “প্ররোচনা” অর্থ কাউকে কোনো কাজ করিবার জন্য উৎসাহিত করা, প্রলুব্ধ করা বা প্রেরণা দেওয়া;”।

### ২০১০ সনের ৪০ নং আইনের ধারা ৬ এর সংশোধন

৩। উক্ত আইনের ধারা ৬ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ঘ) বিলুপ্ত হইবে।

### ২০১০ সনের ৪০ নং আইনের ধারা ১০ এর সংশোধন

৪। উক্ত আইনের ধারা ১০ এর-

(ক) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “শিল্প” শব্দের পর উল্লিখিত “, মৌসুমী” কমা ও শব্দ বিলুপ্ত হইবে;

(খ) উপ-ধারা (১) এর দফা (গ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (গ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(গ) সরবরাহ লাইন হইতে নিজে বা ঠিকাদার বা অন্য কাহারও সহায়তায় বা প্ররোচনায় অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহার করা;”;

(গ) উপ-ধারা (১) এর দফা (চ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (চ) ও ব্যাখ্যা প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(চ) নন-মিটারড গ্রাহক কর্তৃক অনুমোদিত সংখ্যার অতিরিক্ত চুলা ব্যবহার ও মিটারড গ্রাহক কর্তৃক অনুমোদিত ঘন্টা প্রতি লোড অতিক্রম করিয়া গ্যাস ব্যবহার করা।

ব্যাখ্যা।-এই দফার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, “নন-মিটারড (non-metered)” অর্থ মিটারবিহীন গৃহস্থালি গ্যাস সংযোগ যেখানে গ্যাস ব্যবহারের সঠিক পরিমাপের জন্য কোন মিটার নাই এবং যেখানে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত চুলাভিত্তিক নির্দিষ্ট মূল্যে গ্যাস বিল আদায় করা হয়;”;

(ঘ) উপ-ধারা (১) এর পর নিম্নরূপ উপ-ধারা (১ক) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:-

“(১ক) যদি উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত অপরাধ সংঘটনের স্থানের (যেমন- জমি, ভবন বা ফ্ল্যাট) স্বত্ত্বাধিকারী, সংশ্লিষ্ট গ্যাস বিতরণ কোম্পানির কর্মকর্তা-কর্মচারী, ঠিকাদার বা অন্য কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) হইতে (জ)-তে বর্ণিত পন্থায় গ্যাস ব্যবহার করিতে সহায়তা করেন বা প্ররোচনা প্রদান করেন বা অন্য কোনভাবে জড়িত থাকেন তাহা হইলে উহাও হইবে একটি অপরাধ, যদি না তিনি প্রমাণ করিতে পারেন যে, উক্তরূপ অপরাধ সংঘটন তাহার অজ্ঞাতসারে হইয়াছে অথবা উহা রোধ করিবার জন্য তিনি যথাসাধ্য চেষ্টা করিয়াছেন।”।

(ঙ) উপ-ধারা (২) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (২) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন অপরাধের দায়ে-

(ক) কোন গৃহস্থালী গ্রাহক দোষী সাব্যস্ত হইলে, তিনি অনধিক ৩ (তিন) মাস কারাদণ্ড বা অনধিক ২০ (বিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন, এবং একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটিলে উক্ত ব্যক্তি অন্যূন ৩ (তিন) মাস কিন্তু অনধিক ৬ (ছয়) মাস কারাদণ্ড এবং অনধিক ৪০ (চল্লিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন;

(খ) দফা (ক)-তে বর্ণিত ক্ষেত্রে অপরাধ সংঘটনের স্থানের (যেমন- জমি, ভবন বা ফ্ল্যাট) স্বত্ত্বাধিকারী দোষী সাব্যস্ত হইলে তিনি অনধিক ১০ (দশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন, এবং একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটিলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক ২০ (বিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন;

(গ) কোন বাণিজ্যিক গ্রাহক দোষী সাব্যস্ত হইলে, তিনি অনধিক ৬ (ছয়) মাস কারাদণ্ড বা অনধিক ৪০ (চল্লিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন, এবং একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটিলে উক্ত ব্যক্তি অন্যূন ৬ (ছয়) মাস কিন্তু অনধিক ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ড এবং অনধিক ৮০ (আশি) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন;

(ঘ) দফা (গ)-তে বর্ণিত ক্ষেত্রে অপরাধ সংঘটনের স্থানের (যেমন- জমি, ভবন বা ফ্ল্যাট) স্বত্ত্বাধিকারী দোষী সাব্যস্ত হইলে তিনি অনধিক ২০ (বিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন, এবং একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটিলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক ৪০ (চল্লিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন;

(ঙ) কোন শিল্প, ক্যাপটিভ পাওয়ার, সিএনজি স্টেশন বা চা বাগান শ্রেণিভুক্ত গ্রাহক দোষী সাব্যস্ত হইলে, তিনি অনধিক ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ড বা অনধিক ২ (দুই) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন, এবং একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটিলে উক্ত ব্যক্তি অন্যূন ১ (এক) বৎসর কিন্তু অনধিক ৩ (তিন) বৎসর কারাদণ্ড এবং অনধিক ৪ (চার) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন;

(চ) দফা (ঙ)-তে বর্ণিত ক্ষেত্রে অপরাধ সংঘটনের স্থানের (যেমন- জমি, ভবন বা ফ্ল্যাট) স্বত্ত্বাধিকারী দোষী সাব্যস্ত হইলে তিনি অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন, এবং একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটিলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক ২ (দুই) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন;

(ছ) কোন বিদ্যুৎ ও সার শ্রেণিভুক্ত গ্রাহক দোষী সাব্যস্ত হইলে, তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ড বা অনধিক ৪ (চার) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন, এবং একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটিলে উক্ত ব্যক্তি অন্যূন ২ (দুই) বৎসর কিন্তু অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ড এবং অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।”।

(চ) উপ-ধারা (২) এর পর নিম্নরূপ নূতন উপ-ধারা (৩) সংযোজিত হইবে, যথা:-

“(৩) কোন ঠিকাদার দোষী সাব্যস্ত হইলে তাহাকে বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে কালো তালিকাভুক্তকরণ এবং সংশ্লিষ্ট গ্যাস বিতরণ কোম্পানির কোন কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাহার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে।”।

### ২০১০ সনের ৪০ নং আইনের ধারা ২৮ এর সংশোধন

৫। উক্ত আইনের ধারা ২৮ এ উল্লিখিত “সরকার” শব্দের পর উল্লিখিত “, কমিশনের সহিত আলোচনাক্রমে,” কমাগুলি ও শব্দগুলি বিলুপ্ত হইবে।

### রহিতকরণ ও হেফাজত

৬। (১) [বাংলাদেশ গ্যাস (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬](/laws/act-1624 "Act 1624") (২০২৬ সনের ৩১ নং অধ্যাদেশ) এতদ্দ্বারা রহিত করা হইল।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন রহিতকরণ সত্ত্বেও, রহিত অধ্যাদেশ দ্বারা সংশোধিত [বাংলাদেশ গ্যাস আইন, ২০১০](/laws/act-1052 "Act 1052") (২০১০ সনের ৪০ নং আইন) এর অধীন কৃত কোনো কাজ বা গৃহীত কোনো ব্যবস্থা এই আইন দ্বারা সংশোধিত উক্ত আইনের অধীন কৃত বা গৃহীত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।

***

### Footnotes

<Note>
  Click [here](http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-1681.html) to see the original act on the Bangladesh Legal Database.
</Note>
