> ## Documentation Index
> Fetch the complete documentation index at: https://laws.sayed.app/llms.txt
> Use this file to discover all available pages before exploring further.

# মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন, ১৯৯৯

> মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজনের বিধান করার উদ্দেশ্যে প্রণীত আইন৷

**Status:** Repealed

**Date of Publication:** ১৩ এপ্রিল, ১৯৯৯

**Act No:** ১৯৯৯ সনের ৫ নং আইন

**এই আইন মানবদেহে অঙ্গ - প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন , ২০২৬ ( ২০২৬ সনের ৫৩ নং আইন ) দ্বারা রহিত করা হইয়াছে।**

যেহেতু মানবদেহে সংযোজনের নিমিত্তে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও উহার আইনানুগ ব্যবহার নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে বিধান করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;

সেহেতু এতদ্‌দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল :-

### সংক্ষিপ্ত শিরোনামা

১৷ এই আইন [মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন, ১৯৯৯](/laws/act-828 "Act 828") নামে অভিহিত হইবে৷

### সংজ্ঞা

<sup><a id="fnref-1" href="#fn-1">1</a></sup> \[ ২। সংজ্ঞা।- বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থি কোন কিছু না থাকিলে, এই আইনে-

(১) ‘‘অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ” অর্থ মানবদেহের কিডনী, হৃৎপিন্ড, ফুসফুস, অন্ত্র, যকৃত, অগ্নাশয়, অস্থি, অস্থিমজ্জা, চক্ষু, চর্ম ও টিস্যুসহ মানবদেহে সংযোজনযোগ্য যে কোন অঙ্গ বা প্রত্যঙ্গ;

(২) ‘‘আইনানুগ উত্তরাধিকারী’’ অর্থ স্বামী, স্ত্রী, প্রাপ্ত বয়স্ক পুত্র ও কন্যা, পিতা, মাতা, প্রাপ্ত বয়স্ক ভাই ও বোন এবং রক্ত সম্পর্কের অন্যান্য প্রাপ্ত বয়স্ক আত্নীয়, তবে এই আইনের অধীনে আইনানুগ উত্তরাধিকারীর ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে, প্রথমোল্লিখিত ব্যক্তিগণ ক্রমানুসারে তৎপরবর্তীতে উল্লিখিত ব্যক্তিগণের তুলনায় অগ্রাধিকার লাভ করিবেন;

(৩) ‘‘ক্যাডাভেরিক (Cadaveric)’’ অর্থ হৃদপিন্ড স্পন্দনরত এইরূপ মানবদেহ যাহা অনুমোদিত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকবৃন্দ কর্তৃক ব্রেইন ডেথ মর্মে ঘোষিত এবং যাহার অঙ্গসমূহ অন্য মানবদেহে প্রতিস্থাপনের জন্য লাইফ সাপোর্ট দ্বারা কার্যক্ষম রাখা হইয়াছে;

(৪) ‘‘নিকট আত্মীয়’’ অর্থ পিতা, মাতা, পুত্র, কন্যা, ভাই, বোন, স্বামী, স্ত্রী ও রক্ত সম্পর্কিত আপন চাচা, ফুফু, মামা, খালা, নানা, নানি, দাদা, দাদি, নাতি, নাতনি, আপন চাচাতো, মামাতো, ফুপাতো, খালাতো ভাই বা বোন;

(৫) ‘‘নির্ধারিত’’ অর্থ বিধি দ্বারা নির্ধারিত;

(৬) ‘‘প্রত্যয়ন বোর্ড’’ (Authentication Board) অর্থ এই আইনের ধারা ৭(ক) এর উপ-ধারা (১) এর অধীন গঠিত প্রত্যয়ন বোর্ড;

(৭) ‘‘বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল’’ অর্থ [বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন, ২০১০](/laws/act-1065 "Act 1065") (২০১০ সনের ৬১ নং আইন) এর ধারা ৩ এর অধীন প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল;

(৮) ‘‘বিধি’’ অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত বিধি;

(৯) ‘‘ব্রেইন ডেথ’’ অর্থ ধারা ৫ এর অধীন ঘোষিত ব্রেইন ডেথ;

(১০) ‘‘মেডিকেল বোর্ড’’ অর্থ ধারা ৭ এর উপ-ধারা (১) এর অধীন গঠিত মেডিকেল বোর্ড;

(১১) ‘‘সমন্বয়কারী’’ অর্থ ধারা ৭ এর উপ-ধারা (৪) এর অধীন নিয়োগপ্রাপ্ত কোন চিকিৎসক;

(১২) ‘‘সংশ্লিষ্ট বিষয়’’ অর্থ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ভেদে-

(ক) কিডনীর ক্ষেত্রে নেফ্রোলজি, ইউরোলজি সার্জারী;

(খ) যকৃত-অগ্নাশয়ের ক্ষেত্রে হেপাটোলজি, হেপাটোবিলিয়ারি সার্জারী;

(গ) হৃদপিন্ডের ক্ষেত্রে কার্ডিওলজি, কার্ডিও থোরাসিক সার্জারী;

(ঘ) অস্থির ক্ষেত্রে অর্থোপেডিক্স, অস্থিমজ্জার ক্ষেত্রে হেমাটোলজি;

(ঙ) কর্ণিয়ার ক্ষেত্রে অপথালমোলজি;

(চ) ফুসফুসের ক্ষেত্রে পালমোনোলজি, কার্ডিও থোরাসিক সার্জারী;

(ছ) অন্ত্রের ক্ষেত্রে গ্যাস্ট্রো-এন্টারোলজি;

(জ) চর্ম ও টিস্যুর ক্ষেত্রে ডার্মাটোলজি, বার্ণ ও প্লাস্টিক সার্জারী; এবং

(ঝ) দফা (ক) হইতে (জ) এ উল্লিখিত হয় নাই, এইরূপ ক্ষেত্রে, সরকার কর্তৃক, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা ঘোষিত বিষয়; এবং

(১৩) ‘‘হাসপাতাল’’ অর্থ চিকিৎসা সেবা প্রদানের উদ্দেশ্যে স্থাপিত কোন সরকারি বা সরকার কর্তৃক অনুমোদিত কোন বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, নার্সিং হোম, মেডিকেল সেন্টার, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, ইনস্টিটিউট বা প্রতিষ্ঠান, উহা যে নামেই অভিহিত হউক না কেন।]

### অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজনের অনুমতি

<sup><a id="fnref-2" href="#fn-2">2</a></sup> \[ ২ক। (১) কোন হাসপাতাল সরকারের অনুমতি ব্যতীত মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন করিতে পারিবে না।

(২) কোন হাসপাতাল মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন করিতে ইচ্ছুক হইলে অনুমতির জন্য নির্ধারিত পদ্ধতি ও শর্ত পূরণ সাপেক্ষে সরকারের নিকট আবেদন করিতে হইবে।

(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন আবেদন প্রাপ্তির পর সরকার যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, আবেদনকারী হাসপাতাল নির্ধারিত শর্ত পূরণ করিয়াছে তাহা হইলে উক্ত হাসপাতালকে মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজনের অনুমতি প্রদান করিবে।

(৪) এই আইন কার্যকর হইবার অব্যবহিত পূর্বে যেই সকল হাসপাতালে মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন করা হইয়াছে বা করিতেছে সেই সকল হাসপাতালকে এই আইন কার্যকর হইবার ৬০(ষাট) দিনের মধ্যে উপ-ধারা (২) এর অধীন অনুমতির জন্য সরকারের নিকট আবেদন করিতে হইবে।

(৫) কোন হাসপাতাল উপ-ধারা (৪) এর বিধান লঙ্ঘন করিলে সরকার বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ উক্ত হাসপাতালের লাইসেন্স স্থগিত করিতে পারিবে।

(৬) এই ধারার অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সরকার কর্তৃক স্থাপিত বা প্রতিষ্ঠিত মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন সংক্রান্ত হাসপাতালের বিশেষায়িত ইউনিটে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজনের ক্ষেত্রে অনমুতির প্রয়োজন হইবে না।]

### জীবিত ব্যক্তি কর্তৃক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দান

<sup><a id="fnref-3" href="#fn-3">3</a></sup> \[ ৩। (১) ধারা ৪ এর বিধান সাপেক্ষে, সুস্থ ও স্বাভাবিক বুদ্ধিসম্পন্ন কোন জীবিত ব্যক্তি তাহার এমন কোন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ, যাহা বিযুক্তির কারণে তাহার স্বাভাবিক জীবন-যাপনে ব্যাঘাত সৃষ্টির আশংকা না থাকিলে উহা, তাহার কোন নিকট আত্মীয়ের দেহে সংযোজনের জন্য দান করিতে পারিবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, চক্ষু, চর্ম, টিস্যু ও অস্থিমজ্জা সংযোজন বা প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে নিকট আত্মীয় হইবার প্রয়োজন হইবে না।

(২) এই ধারার অধীন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দানের সহিত সম্পর্কিত অন্যান্য বিষয়াবলি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।]

### অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিযুক্তকরণ

<sup><a id="fnref-4" href="#fn-4">4</a></sup> \[ ৪। (১) ধারা ৫ এর বিধান সাপেক্ষে, নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রসমূহে কোন ব্যক্তির দেহ হইতে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অন্য কোন ব্যক্তির দেহে সংযোজনের উদ্দেশ্যে বিযুক্ত করা যাইবে, যথা :-

(ক) উক্ত ব্যক্তি জীবদ্দশায় স্বেচ্ছায় তাহার কোন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দান করিলে;

(খ) দফা (ক) এ উল্লিখিত দানের অবর্তমানে উক্ত ব্যক্তির ব্রেইন ডেথ ঘোষণার পর তাহার কোন আইনানুগ উত্তরাধিকারী যদি উক্ত ব্যক্তির দেহ হইতে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিযুক্ত করিবার জন্য লিখিতভাবে অনুমতি প্রদান করেন;

(গ) কোন ব্যক্তির ব্রেইন ডেথ ঘোষণার ২৪(চবিবশ) ঘন্টার মধ্যে কোন দাবীদার না থাকিলে ব্রেইন ডেথ ঘোষণাকারী হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্তৃত্ব পালনকারী ব্যক্তি; অথবা

(ঘ) চক্ষু, চর্ম, টিস্যু বিযুক্তকরণের ক্ষেত্রে মৃতদেহ অন্য কোন ব্যক্তির নিকট বা প্রতিষ্ঠান বা স্থানে থাকিলে উক্ত ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা স্থান যে জেলা প্রশাসকের প্রশাসনিক এখতিয়ারাধীন তিনি বা, ক্ষেত্রমত, তাহার নিকট হইতে এতদুদ্দেশ্যে লিখিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি যদি অনুরূপ বিযুক্তির জন্য লিখিত অনুমতি প্রদান করেন।

(২) এই ধারার অধীন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিযুক্তির সহিত সম্পর্কিত অন্যান্য বিষয়াবলি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।]

### ব্রেইন ডেথ ঘোষণা

<sup><a id="fnref-5" href="#fn-5">5</a></sup> \[ ৫। (১) এই ধারার অন্যান্য বিধান সাপেক্ষে, মেডিসিন অথবা ক্রিটিক্যাল কেয়ার মেডিসিন, নিউরোলজি এবং এ্যানেসথেসিওলজি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক অথবা সহযোগী অধ্যাপক পদমর্যাদার অন্যূন ৩(তিন) জন চিকিৎসক সমন্বয়ে গঠিত কমিটি কোন ব্যক্তির ব্রেইন ডেথ ঘোষণা করিতে পারিবে:

তবে শর্ত থাকে যে, ব্রেইন ডেথ ঘোষণাকারী কমিটির কোন চিকিৎসক বা তাহার কোন নিকট আত্মীয় এইরূপ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ প্রতিস্থাপন বা সংযোজন প্রক্রিয়ার সহিত কোনভাবে জড়িত থাকিতে পারিবেন না।

(২) কোন ব্যক্তির ব্রেইন ডেথ ঘোষণা করা যাইবে না, যদি না নিম্নবর্ণিত শর্তসমূহ পূরণ হয়, যথা :-

(ক) অন্যূন ১২ (বারো) ঘন্টা সুস্পষ্ট কারণে অবিরাম কোমা (Coma) অবস্থায় থাকিলে:

তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নিম্নবর্ণিত কোন কারণে কোমা অবস্থার সৃষ্টি হইলে উহা গ্রহণযোগ্য হইবে না, যথা:-

(অ) কার্ডিওজেনিক শক হইতে রিভাইভকৃত ব্যক্তির কোমা অবস্থা ৩৬ (ছত্রিশ) ঘন্টা অতিবাহিত না হইলে;

(আ) কোমার অব্যবহিত পূর্বে শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৩৫° সেলসিয়াসের নীচে হইলে; এবং

(ই) কোন ঔষধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ায় কোমা অবস্থার সৃষ্টি হইলে;

(খ) কোমার পূর্বে কোন মেটাবোলিক বা এন্ডোক্রাইন ডিসঅর্ডার নিরসন না হইলে;

(গ) স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস প্রক্রিয়া অকার্যকর হইবার পর ভেন্টিলেটরের মাধ্যমে শ্বাস-প্রশ্বাস সঞ্চালন করা হইলে; এবং

(ঘ) নিম্নবর্ণিত অবস্থায় ব্রেইন স্টেম রিফ্লেক্স সম্পূর্ণভাবে অনুপস্থিত থাকিলে, যথাঃ-

(অ) দুই চোখের মণি প্রসারিত ও স্থির (ডাইলেটেড এবং ফিক্সড) থাকিলে;

(আ) দুই চোখের কর্ণিয়ায় রিফ্লেক্স এর অনুপস্থিতি;

(ই) যে কোন ধরনের পেইন সেনসেশন (Pain Sensation) রিফ্লেক্স এর অনুপস্থিতি;

(ঈ) অকুলো কেফালিক বা ডলস রিফ্লেক্স এর অনুপস্থিতি; এবং

(উ) ভেসটিবিউলো অকুলার রিফ্লেক্স এর অনুপস্থিতি।

(৩) উপ-ধারা (২) এ বর্ণিত অবস্থার অনুপস্থিতিতে নিম্নবর্ণিত পরীক্ষা দ্বারা ব্রেইন ডেথ ঘোষণা করা যাইবে, যথা:―

(ক) ন্যূনতম ৩০(ত্রিশ) মিনিট ব্যাপি মস্তিষ্কের ইলেক্ট্রোএনসেফালোগ্রাম (ইইজি) পরীক্ষা অথবা মস্তিষ্কের এনজিওগ্রাম;

(খ) এপনিয়া টেস্ট।

(৪) ২ (দুই) বৎসর হইতে ১৩ (তেরো) বৎসর বয়স্ক কোন শিশুর ব্রেইন ডেথ ঘোষণা করিতে হইলে সংশ্লিষ্ট শিশুটিকে ইলেক্ট্রোএনসেফালোগ্রাম (ইইজি) পরীক্ষা দ্বারা অন্যূন ১২ (বারো) ঘন্টা পর্যবেক্ষণ করিতে হইবে।]

### অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দাতা ও গ্রহীতার যোগ্যতা

<sup><a id="fnref-6" href="#fn-6">6</a></sup> \[ ৬। (১) অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দাতা হিসাবে কোন ব্যক্তি উপযুক্ত বলিয়া বিবেচিত হইবেন না, যদি―

(ক) ব্রেইন ডেথ ঘোষিত ব্যক্তির, ক্যাডাভেরিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংগ্রহের ক্ষেত্রে, বয়স ২ (দুই) বৎসরের কম অথবা ৭০ (সত্তর) বৎসরের ঊর্ধ্বে হয়:

তবে শর্ত থাকে যে, চক্ষু, চর্ম, টিস্যু ও অস্থিমজ্জা সংযোজন বা প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে এই বিধান প্রযোজ্য হইবে না;

(খ) জীবিত ব্যক্তির ক্ষেত্রে, বয়স ১৮ (আঠারো) বৎসরের কম অথবা ৬৫(পঁয়ষট্টি) বৎসরের ঊর্ধ্বে হয়:

তবে শর্ত থাকে যে, পুনঃউৎপাদনশীল টিস্যুর ক্ষেত্রে দাতা ও গ্রহীতা রক্ত সম্পর্কীয় ভাই বা বোন হইলে অথবা চক্ষু, চর্ম, টিস্যু ও অস্থিমজ্জা সংযোজন বা প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে এই বিধান প্রযোজ্য হইবে না;

(গ) তিনি মৃত্যুর পূর্বে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দানে লিখিত আপত্তি করিয়া থাকেন;

(ঘ) তাহার সংশ্লিষ্ট অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের কার্যকারিতা কোন কারণে নষ্ট হইবার সম্ভাবনা থাকে;

(ঙ) তাহার চক্ষু, অস্থিমজ্জা ও যকৃত প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্র ব্যতিত অন্যান্য ক্ষেত্রে, এইচ.বি.এস.এ.জি, এন্টিএইচ.সি.বি অথবা এইচ.আই.ভি পজেটিভ থাকে;

(চ) তিনি মেডিকেল বোর্ড কর্তৃক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দান করিতে অযোগ্য বলিয়া ঘোষিত হন;

(ছ) তিনি নিম্নবর্ণিত কোন রোগে আক্রান্ত হন, যথা:―

(অ) চর্ম বা মস্তিষ্কের প্রাইমারী স্টেজ ক্যান্সার ব্যতিত অন্য যে কোন ধরনের ক্যান্সার;

(আ) কিডনী সংক্রান্ত রোগ;

(ই) এইচ. আই. ভি এবং হেপাটাইটিস ভাইরাসজনিত কোন রোগ:

তবে শর্ত থাকে যে, ক্ষেত্র বিশেষে মেডিকেল বোর্ড কিংবা প্রত্যয়ন বোর্ডের অনুমোদন সাপেক্ষে যকৃত প্রতিস্থাপনে উক্ত বিধান প্রযোজ্য হইবে না;

(ঈ) মেলিগন্যান্ট হাইপারটেনশন;

(উ) চক্ষু ও অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্র ব্যতিত অন্যান্য ক্ষেত্রে ইনস্যুলিন নির্ভরশীল ডায়াবেটিস ম্যালাইটাস;

(ঊ) জীবাণু সংক্রমণজনিত রোগ (আনট্রিটেড বা ইনএডিকুয়েটলি ট্রিটেড সিস্টেমিক ইনফেকশন)।

(২) অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গ্রহীতা হিসাবে কোন ব্যক্তি উপযুক্ত বলিয়া বিবেচিত হইবেন না, যদি―

(ক) তাহার বয়স ২(দুই) বৎসর হইতে ৭০(সত্তর) বৎসর বয়সসীমার মধ্যে না হয়:

তবে শর্ত থাকে যে ১৫ (পনেরো) বৎসর হইতে ৫০ (পঞ্চাশ) বৎসর পর্যন্ত বয়সসীমার ব্যক্তিগণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গ্রহীতা হিসাবে অগ্রাধিকার লাভ করিবেন:

আরও শর্ত থাকে যে কর্ণিয়া, চর্ম ও টিস্যু প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে এই বিধান প্রযোজ্য হইবে না;

(খ) তিনি যে সকল রোগের কারণে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ প্রতিস্থাপন বা সংযাজনের সাফল্য বিঘ্নিত হইতে পারে সেই সকল রোগে আক্রান্ত হন; এবং

(গ) তিনি মেডিকেল বোর্ড কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে অযোগ্য বলিয়া ঘোষিত হন।]

### মেডিকেল বোর্ড গঠন ও উহার কার্যাবলি

<sup><a id="fnref-7" href="#fn-7">7</a></sup> \[ ৭। (১) মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট হাসপাতালে নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিগণের সমন্বয়ে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করিতে হইবে, যথা:―

(ক) সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সার্জারীতে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন অধ্যাপক পদমর্যাদার ১ (এক) জন চিকিৎসক;

(খ) অন্যূন সহযোগী অধ্যাপক পদমর্যাদার ১ (এক) জন এ্যানেসথেসিওলজিস্ট; এবং

(গ) সংশ্লিষ্ট হাসপাতালে অন্যূন পরিচালক পদমর্যাদার একজন প্রতিনিধি বা চিকিৎসক।

(২) মেডিকেল বোর্ড, প্রয়োজনে, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন অনধিক দুই জন সদস্য কো-অপ্ট করিতে পারিবে।

(৩) মেডিকেল বোর্ডের কার্যাবলি হইবে নিম্নরূপ, যথা:-

(ক) অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দাতা ও গ্রহীতার আত্মীয়তার সম্পর্ক নির্ধারণ;

(খ) ধারা ৫ এর বিধান সাপেক্ষে, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজনের সিদ্ধান্ত প্রদান;

(গ) ব্রেইন ডেথ ঘোষিত ব্যক্তির অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংগ্রহের সিদ্ধান্ত প্রদান; এবং

(ঘ) ধারা ৭গ এর উপ-ধারা (৩) এর অধীন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজনে অগ্রাধিকার নির্ধারণের সুপারিশ প্রদান।

(৪) কোন হাসপাতালে মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজনের কার্যক্রম সমন্বয়ের উদ্দেশ্যে সরকার, সংশ্লিষ্ট বিষয়ের কোন অধ্যাপক বা সহযোগী অধ্যাপক বা সমপদমর্যাদার কোন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন সমন্বয়কারী হিসাবে নিয়োগ করিবে।

(৫) কোন ব্যক্তির ব্রেইন ডেথ ঘোষণা করা হইলে তৎসম্পর্কে উক্তরূপ ঘোষণাকারীগণ অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন সমন্বয়কারীকে অবহিত করিবেন এবং উক্ত সমন্বয়কারী মেডিকেল বোর্ডের মাধ্যমে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংগ্রহ ও সংযোজনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।]

### প্রত্যয়ন বোর্ড গঠন ও উহার কার্যাবলি

<sup><a id="fnref-8" href="#fn-8">8</a></sup> \[ ৭ক। (১) অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংগ্রহ ও সংযোজনে সহায়তা প্রদানের নিমিত্ত নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে একটি প্রত্যয়ন বোর্ড গঠিত হইবে, যথা:-

(ক) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অন্যূন পরিচালক পদমর্যাদার একজন প্রতিনিধি;

(খ) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অন্যূন উপ-পরিচালক পদমর্যাদার একজন প্রতিনিধি;

(গ) সরকার কর্তৃক মনোনীত সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক; এবং

(ঘ) সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের পরিচালক কর্তৃক মনোনীত একজন উপযুক্ত প্রতিনিধি।

(২) ধারা ৭ এর উপ-ধারা (৩) এর দফা (ক) এর অধীন মেডিকেল বোর্ড কর্তৃক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দাতা ও গ্রহীতার আত্মীয়তা সম্পর্ক নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোন সন্দেহ দেখা দিলে উহা প্রত্যয়ন বোর্ডের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে এবং ক্ষেত্রে এই প্রত্যয়ন বোর্ডের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে।

### ক্যাডাভেরিক জাতীয় কমিটি গঠন ও উহার কার্যাবলি

৭খ। (১) ক্যাডাভেরিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংগ্রহের অনুমতি প্রদানের লক্ষ্যে সরকার, উপ-ধারা (২) এর বিধান সাপেক্ষে, নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে একটি ক্যাডাভেরিক জাতীয় কমিটি গঠন করিবে, যথা:-

(ক) উপাচার্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা, যিনি ইহার সভাপতিও হইবেন;

(খ) অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজনকারী হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় প্রধান;

(গ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা, এর সংশ্লিষ্ট বিভাগের একজন অধ্যাপক;

(ঘ) লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের অন্যূন যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার একজন প্রতিনিধি;

(ঙ) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অন্যূন পরিচালক পদমর্যাদার একজন প্রতিনিধি;

(চ) সরকার কর্তৃক মনোনীত সংশ্লিষ্ট বিশেষায়িত হাসপাতালের একজন প্রতিনিধি;

(ছ) বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের সভাপতি বা তৎকর্তৃক মনোনীত প্রতিনিধি;

(জ) সরকার কর্তৃক মনোনীত প্রথিতযশা একজন নিউরোলজিস্ট, একজন কার্ডিওলজিস্ট ও একজন এ্যানেসথেসিওলজিস্ট; এবং

(ঝ) স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অন্যূন যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার একজন প্রতিনিধি, যিনি ইহার সদস্য-সচিবের দায়িত্ব পালন করিবেন।

(২) অঙ্গ-প্রত্যঙ্গভেদে বিষয়ভিত্তিক সুপারিশ প্রণয়নের ক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর দফা (খ), (গ) এবং (চ) এ বর্ণিত প্রতিনিধিগণ অন্তর্ভুক্ত হইবেন।

(৩) ক্যাডাভেরিক জাতীয় কমিটির কার্যাবলি হইবে নিম্নরূপ, যথা:-

(ক) ক্যাডাভেরিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংগ্রহ কার্যক্রমের বিষয়ে দিক নির্দেশনা প্রদান;

(খ) ক্যাডাভেরিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংগ্রহ কার্যক্রম পরিদর্শন; এবং

(গ) ক্যাডাভেরিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংগ্রহ কার্যক্রম সহজীকরণ, সম্প্রসারণ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য তাৎক্ষণিক পরামর্শ প্রদান এবং এতদ্‌সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের নিকট সুপারিশ প্রদান।

(৪) ক্যাডাভেরিক জাতীয় কমিটি, প্রয়োজনে, উহার কোন সদস্য সমন্বয়ে উপ কমিটি গঠন ও উহার দায়িত্ব ও কর্মপরিধি নির্ধারণ করিতে পারিবে।

(৫) ক্যাডাভেরিক জাতীয় কমিটির সভা সংক্রান্ত বিষয়াবলি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।

### ক্যাডাভেরিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন পদ্ধতি

৭গ। (১) নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র (আইসিইউ) সম্বলিত কোন হাসপাতাল ব্রেইন ডেথ ঘোষিত ব্যক্তির ক্যাডাভেরিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংগ্রহের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সমন্বয়কারীর মাধ্যমে গ্রহণ করিতে পারিবে।

(২) সমন্বয়কারী বিযুক্ত ক্যাডাভেরিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গসমূহ সচল রাখিবার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণসহ সকল পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।

(৩) ক্যাডাভেরিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজনের ক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত গ্রহীতগণ অগ্রাধিকার পাইবে, যথা :-

(ক) ব্রেইন ডেথ ঘোষিত ব্যক্তি কর্তৃক তাহার জীবদ্দশায় তাহার কোন নিকট আত্মীয় বা অন্য কোন ব্যক্তিকে কোন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ লিখিতভাবে দানের সম্মতি প্রদান করা হইলে;

(খ) ধারা ৮ অনুসারে রেজিস্টারের ক্রমানুসারে তালিকাভুক্ত ব্যক্তি, ক্রস ম্যাচিং সাপেক্ষে;

(গ) তুলনামূলক কমবয়সী;

(ঘ) রোগীর জীবন রক্ষার গুরুত্ব বিবেচনায় অধিকতর মুমূর্ষু ব্যক্তি; এবং

(ঙ) ভৌগলিক দূরত্ব বা ভ্রমণের সময় বিবেচনায় তুলনামূলক নিকটবর্তী ব্যক্তি।

(৪) ক্যাডাভেরিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন ও বিযুক্তকরণ সম্পর্কিত অন্যান্য বিষয়াবলি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।]

### রেজিস্টার সংরক্ষণ

<sup><a id="fnref-9" href="#fn-9">9</a></sup> \[ ৮। (১) প্রতিটি হাসপাতাল অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজনে আগ্রহী এবং মেডিকেল বোর্ড কর্তৃক উপযুক্ত ঘোষিত ব্যক্তির তথ্যাবলী সংবলিত একটি রেজিস্টার সংরক্ষণ করিবে।

(২) রেজিস্টার সংরক্ষণ সংক্রান্ত বিষয়াদি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।]

### অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ক্রয়-বিক্রয় ইত্যাদি নিষিদ্ধ

৯৷ মানব দেহের যে কোন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ক্রয়-বিক্রয় বা উহার বিনিময়ে কোন প্রকার সুবিধা লাভ এবং সেই উদ্দেশ্যে কোন প্রকার বিজ্ঞাপন প্রদান বা অন্য কোনরূপ প্রচারণা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ৷

### অপরাধ ও দণ্ড

<sup><a id="fnref-10" href="#fn-10">10</a></sup> \[ ১০। (১) কোন ব্যক্তি নিকট আত্মীয়তা সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য প্রদান করিলে অথবা উক্তরূপ তথ্য প্রদানে উৎসাহিত, প্ররোচিত বা ভীতি প্রদর্শন করিলে উহা হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড বা অনধিক ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।

(২) কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অপরাধ ব্যতীত এই আইনের অন্য কোন বিধান লঙ্ঘন করিলে অথবা লঙ্ঘনে সহায়তা করিলে উহা হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ৩ (তিন) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।

(৩) এই আইনের অধীন কোন অপরাধের জন্য কোন চিকিৎসক দণ্ডিত হইলে, বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল কর্তৃক তাহাকে প্রদত্ত রেজিস্ট্রেশন বাতিলযোগ্য হইবে।]

### হাসপাতাল কর্তৃক অপরাধ সংঘটন

<sup><a id="fnref-11" href="#fn-11">11</a></sup> \[ ১০ক। (১) কোন হাসপাতাল কর্তৃক এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটিত হইলে, অপরাধের সহিত প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্টতা রহিয়াছে এইরূপ হাসপাতালের পরিচালনা বা ব্যবস্থাপনার সহিত জড়িত মালিক, পরিচালক, ব্যবস্থাপক, তিনি যে নামেই পরিচিত হউন না কেন, উক্ত অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে, যদি না তিনি প্রমাণ করিতে সক্ষম হন যে, উক্ত অপরাধ তাহার অজ্ঞাতসারে সংঘটিত হইয়াছে এবং উহা রোধ করিবার জন্য তিনি যথাসাধ্য চেষ্টা করিয়াছেন।

(২) কোন হাসপাতাল কর্তৃক এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটিত হইলে উহার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজনের অনুমতি বাতিল হইবে এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধের জন্য অর্থ দণ্ড আরোপ করা যাইবে।

### Code of Criminal Procedure এর প্রয়োগ

১০খ। এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের তদন্ত, বিচার, আপিল এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ে [Code of Criminal Procedure, 1898](/laws/act-75 "Act 75") (Act No. V of 1898) এর বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে।]

### বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা

১১৷ এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে৷

***

### Footnotes

<a id="fn-1" />**1.** ধারা ২ মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ১ নং আইন) এর ২ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

<a id="fn-2" />**2.** ধারা ২ক মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ১ নং আইন) এর ৩ ধারাবলে সন্নিবেশিত।

<a id="fn-3" />**3.** ধারা ৩ মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ১ নং আইন) এর ৪ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

<a id="fn-4" />**4.** ধারা ৪ মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ১ নং আইন) এর ৫ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

<a id="fn-5" />**5.** ধারা ৫ মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ১ নং আইন) এর ৬ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

<a id="fn-6" />**6.** ধারা ৬ মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ১ নং আইন) এর ৭ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

<a id="fn-7" />**7.** ধারা ৭ মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ১ নং আইন) এর ৮ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

<a id="fn-8" />**8.** ধারা ৭ক, ৭খ ও ৭গ মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ১ নং আইন) এর ৯ ধারাবলে সন্নিবেশিত।

<a id="fn-9" />**9.** ধারা ৮ মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ১ নং আইন) এর ১০ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

<a id="fn-10" />**10.** ধারা ১০ মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ১ নং আইন) এর ১১ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

<a id="fn-11" />**11.** ধারা ১০ক ও ১০খ মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ১ নং আইন) এর ১২ ধারাবলে সন্নিবেশিত।

<Note>
  Click [here](http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-828.html) to see the original act on the Bangladesh Legal Database.
</Note>
