> ## Documentation Index
> Fetch the complete documentation index at: https://laws.sayed.app/llms.txt
> Use this file to discover all available pages before exploring further.

# নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০

> নারী ও শিশু নির্যাতনমূলক অপরাধসমূহ কঠোরভাবে দমনের উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন৷

**Status:** Active

**Date of Publication:** ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০০০

**Act No:** ২০০০ সনের ৮ নং আইন

যেহেতু নারী ও শিশু নির্যাতনমূলক অপরাধসমূহ কঠোরভাবে দমনের উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় বিধান প্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;

সেহেতু এতদ্‌দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল :-

### সংক্ষিপ্ত শিরোনামা

১৷ এই আইন [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০](/laws/act-835 "Act 835") নামে অভিহিত হইবে।

### সংজ্ঞা

২৷ বিষয় বা প্রসংগের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকিলে, এই আইনে,-

(ক) “অপরাধ” অর্থ এই আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধ;

(খ) “অপহরণ” অর্থ বলপ্রয়োগ বা প্রলুব্ধ করিয়া বা ফুসলাইয়া বা ভুল বুঝাইয়া বা ভীতি প্রদর্শন করিয়া কোন স্থান হইতে কোন ব্যক্তিকে অন্যত্র যাইতে বাধ্য করা;

(গ) “আটক” অর্থ কোন ব্যক্তিকে তাহার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোন স্থানে আটকাইয়া রাখা;

(ঘ) “ট্রাইব্যুনাল” অর্থ এই আইনের অধীন গঠিত কোন ট্রাইব্যুনাল;

(ঙ) “ধর্ষণ” অর্থ ধারা ৯ এর বিধান সাপেক্ষে, [Penal Code, 1860](/laws/act-11 "Act 11") (Act XLV of 1860) এর Section 375 এ সংজ্ঞায়িত "rape";

(চ) “নবজাতক শিশু” অর্থ অনূর্ধ্ব চল্লিশ দিন বয়সের কোন শিশু;

(ছ) “নারী” অর্থ যে কোন বয়সের নারী;

<sup><a id="fnref-1" href="#fn-1">1</a></sup> \[(ছছ) “বলাৎকার” অর্থ কোন ছেলে শিশুর মুখ বা পায়ুপথে কোন ব্যক্তি কর্তৃক সংঘটিত যৌনকর্ম;

(ছছছ) “মারাত্মক জখম” অর্থ [Penal Code, 1860](/laws/act-11 "Act 11") (Act XLV of 1860) এর Section 320 এ সংজ্ঞায়িত “grievous hurt”;]

(জ) “মুক্তিপণ” অর্থ আর্থিক সুবিধা বা অন্য যে কোন প্রকারের সুবিধা;

(ঝ) “ফৌজদারী কার্যবিধি” অর্থ [Code of Criminal Procedure, 1898](/laws/act-75 "Act 75") (Act V of 1898);

<sup><a id="fnref-2" href="#fn-2">2</a></sup> \[ (ঞ) “যৌতুক” অর্থ-

(অ) কোন বিবাহের বর বা বরের পিতা বা মাতা বা প্রত্যক্ষভাবে বিবাহের সহিত জড়িত বর পক্ষের অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক উক্ত বিবাহের সময় বা তৎপুর্বে বা বৈবাহিক সম্পর্ক বিদ্যমান থাকাকালে, বিবাহ স্থির থাকার শর্তে, বিবাহের পণ হিসাবে বিবাহের কনে পক্ষের নিকট দাবীকৃত অর্থ, সামগ্রী বা অন্যবিধ সম্পদ; অথবা

(আ) কোন বিবাহের কনে পক্ষ কর্তৃক বিবাহের বর বা বরের পিতা বা মাতা বা প্রত্যক্ষভাবে বিবাহের সহিত জড়িত বর পক্ষের অন্য কোন ব্যক্তিকে উক্ত বিবাহের সময় বা তৎপুর্বে বা বৈবাহিক সম্পর্ক বিদ্যমান থাকাকালে, বিবাহ স্থির থাকার শর্তে, বিবাহের পণ হিসাবে প্রদত্ত বা প্রদানে সম্মত অর্থ, সামগ্রী বা অন্যবিধ সম্পদ;

<sup><a id="fnref-3" href="#fn-3">3</a></sup> \[(ঞঞ) “যৌনকর্ম” অর্থ কোনো ব্যক্তি কর্তৃক যৌন কামনা চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে কোন  নারী বা শিশুর যোনি বা পায়ুপথে পুরুষাঙ্গ, দেহের যে কোন অংশ বা  অন্য যে কোন বস্তুর প্রবিষ্টকরণ অথবা মুখের অভ্যন্তরে পুরুষাঙ্গ প্রবিষ্টকরণ;]

(ট) “শিশু” অর্থ অনধিক ষোল বৎসর বয়সের কোন ব্যক্তি;]

(ঠ) “হাইকোর্ট বিভাগ” অর্থ বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্ট এর হাইকোর্ট বিভাগ৷

### আইনের প্রাধান্য

৩৷ আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের বিধানাবলী কার্যকর থাকিবে।

### দহনকারী, ইত্যাদি পদার্থ দ্বারা সংঘটিত অপরাধের শাস্তি

৪৷ (১) যদি কোন ব্যক্তি দহনকারী, ক্ষয়কারী অথবা বিষাক্ত পদার্থ দ্বারা কোন শিশু বা নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব <sup><a id="fnref-4" href="#fn-4">4</a></sup> \[বিশ লক্ষ টাকা] অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(২) যদি কোন ব্যক্তি কোন দহনকারী, ক্ষয়কারী বা বিষাক্ত পদার্থ দ্বারা কোন শিশু বা নারীকে এমনভাবে আহত করেন যাহার ফলে উক্ত শিশু বা নারীর দৃষ্টিশক্তি বা শ্রবণশক্তি নষ্ট হয় বা শরীরের কোন অংগ, গ্রন্থি বা অংশ বিকৃত বা নষ্ট হয় বা তাহার শরীরের অন্য কোন স্থান আহত হয়, তাহা হইলে উক্ত শিশুর বা নারীর-

(ক) দৃষ্টিশক্তি বা শ্রবণশক্তি নষ্ট বা মুখমণ্ডল, স্তন বা যৌনাংগ বিকৃত বা নষ্ট হওয়ার ক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব <sup><a id="fnref-5" href="#fn-5">5</a></sup> \[দশ লক্ষ টাকার] অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(খ) শরীরের অন্য কোন অংগ, গ্রন্থি বা অংশ বিকৃত বা নষ্ট হওয়ার বা শরীরের কোন স্থানে আঘাত পাওয়ার ক্ষেত্রে, উক্ত ব্যক্তি অনধিক চৌদ্দ বৎসর কিন্তু অন্যূন সাত বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব <sup><a id="fnref-6" href="#fn-6">6</a></sup> \[পাঁচ লক্ষ টাকার] অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(৩) যদি কোন ব্যক্তি কোন দহনকারী, ক্ষয়কারী অথবা বিষাক্ত পদার্থ কোন শিশু বা নারীর উপর নিক্ষেপ করেন বা করার চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি, তাহার উক্তরূপ কার্যের দরুণ সংশ্লিষ্ট শিশু বা নারীর শারীরিক, মানসিক বা অন্য কোনভাবে কোন ক্ষতি না হইলেও, অনধিক সাত বৎসর কিন্তু অন্যূন তিন বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব <sup><a id="fnref-7" href="#fn-7">7</a></sup> \[পাঁচ লক্ষ টাকার] অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(৪) এই ধারার অধীন অর্থদণ্ডের অর্থ প্রচলিত আইনের বিধান অনুযায়ী দণ্ডিত ব্যক্তির নিকট হইতে বা তাহার বিদ্যমান সম্পদ, বা তাহার মৃত্যুর ক্ষেত্রে মৃত্যুর সময় রাখিয়া যাওয়া সম্পদ হইতে আদায় করিয়া অপরাধের দরুণ যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটিয়াছে তাহার উত্তরাধিকারীকে বা, ক্ষেত্রমত, যেই ব্যক্তি শারীরিক বা মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হইয়াছেন, সেই ব্যক্তিকে বা সেই ব্যক্তির মৃত্যুর ক্ষেত্রে, তাহার উত্তরাধিকারীকে প্রদান করা হইবে।

### \[রহিত]

৫। <sup><a id="fnref-8" href="#fn-8">8</a></sup> \[\*\*\*]

### \[রহিত]

৬। <sup><a id="fnref-9" href="#fn-9">9</a></sup> \[\*\*\*]

### নারী ও শিশু অপহরণের শাস্তি

৭৷ যদি কোন ব্যক্তি <sup><a id="fnref-10" href="#fn-10">10</a></sup> \[ [মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২](/laws/act-1086 "Act 1086") (২০১২ সনের ৩ নং আইন) এর ধারা ৩ ও ৬ এ উল্লিখিত] কোন অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্য ব্যতীত অন্য কোন উদ্দেশ্যে কোন নারী বা শিশুকে অপহরণ করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অন্যূন চৌদ্দ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

### মুক্তিপণ আদায়ের শাস্তি

৮৷ যদি কোন ব্যক্তি মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে কোন নারী বা শিশুকে আটক করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

### ধর্ষণ, ধর্ষণজনিত কারণে মৃত্যু, ইত্যাদির শাস্তি

৯৷ <sup><a id="fnref-11" href="#fn-11">11</a></sup> \[(১) যদি কোন ব্যক্তি কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন, তাহা হইলে তিনি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

ব্যাখ্যা।- (১) যদি কোন ব্যক্তি বিবাহ বন্ধন ব্যতীত ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সহিত তাহার সম্মতি ব্যতিরেকে বা ভীতি প্রদর্শন করিয়া বা প্রতারণামূলকভাবে তাহার সম্মতি আদায় করিয়া, অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সের কোন শিশুর সহিত তাহার সম্মতিসহ বা সম্মতি ব্যতিরেকে যৌনকর্ম করেন, তাহা হইলে তিনি উক্ত নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।

(২) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, “ধর্ষণ” অর্থে বলাৎকারও অন্তর্ভুক্ত হইবে।]

(২) যদি কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধর্ষণ বা উক্ত ধর্ষণ পরবর্তী তাহার অন্যবিধ কার্যকলাপের ফলে <sup><a id="fnref-12" href="#fn-12">12</a></sup> \[ধর্ষণের শিকার] নারী বা শিশুর মৃত্যু ঘটে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত <sup><a id="fnref-13" href="#fn-13">13</a></sup> \[অন্যূন দুই লক্ষ টাকা] অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(৩) যদি একাধিক ব্যক্তি দলবদ্ধভাবে <sup><a id="fnref-14" href="#fn-14">14</a></sup> \[বা সংঘবদ্ধভাবে] কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন এবং ধর্ষণের ফলে উক্ত নারী বা শিশুর মৃত্যু ঘটে বা তিনি আহত হন, তাহা হইলে ঐ দলের প্রত্যেক ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত <sup><a id="fnref-15" href="#fn-15">15</a></sup> \[অন্যূন দুই লক্ষ টাকা] অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(৪) যদি কোন ব্যক্তি কোন নারী বা শিশুকে-

(ক) ধর্ষণ করিয়া মৃত্যু ঘটানোর বা আহত করার চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি <sup><a id="fnref-16" href="#fn-16">16</a></sup> \[মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে] দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(খ) ধর্ষণের চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক দশ বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন <sup><a id="fnref-17" href="#fn-17">17</a></sup> \[;]

<sup><a id="fnref-18" href="#fn-18">18</a></sup> \[(গ) ধর্ষণের উদ্দেশ্যে শরীরের কোন অঙ্গ, ধারালো অস্ত্র, রাসায়নিক পদার্থ, বা অন্য কোন উপকরণ ব্যবহার করিয়া কিংবা অন্য কোনভাবে নারী বা শিশুর যৌনাঙ্গ বা স্তনে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অন্যূন তিন লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।]

(৫) যদি পুলিশ <sup><a id="fnref-19" href="#fn-19">19</a></sup> \[বা অন্য কোন শৃঙ্খলা-বাহিনীর] হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে কোন নারী <sup><a id="fnref-20" href="#fn-20">20</a></sup> \[ধর্ষণের শিকার] হন, তাহা হইলে যাহাদের হেফাজতে থাকাকালীন উক্তরূপ ধর্ষণ সংঘটিত হইয়াছে, সেই ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ <sup><a id="fnref-21" href="#fn-21">21</a></sup> \[ধর্ষণের শিকার] নারীর হেফাজতের জন্য সরাসরিভাবে <sup><a id="fnref-22" href="#fn-22">22</a></sup> \[দায়িত্বপ্রাপ্ত] ছিলেন, তিনি বা তাহারা প্রত্যেকে, ভিন্নরূপ প্রমাণিত না হইলে, হেফাজতের ব্যর্থতার জন্য, অনধিক দশ বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত <sup><a id="fnref-23" href="#fn-23">23</a></sup> \[অন্যূন পঞ্চাশ হাজার টাকা] অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

<sup><a id="fnref-24" href="#fn-24">24</a></sup> \[(৬) এই ধারায় উল্লিখিত অর্থদণ্ড ধারা ১৫ এর বিধান অনুসারে আদায়পূর্বক ক্ষতিপূরণ হিসাবে অপরাধের শিকার ব্যক্তি বা, ক্ষেত্রমত, তাহার আইনগত উত্তরাধিকারীকে প্রদান করিতে হইবে।]

### নারীর আত্মহত্যায় প্ররোচনা, ইত্যাদির শাস্তি

<sup><a id="fnref-25" href="#fn-25">25</a></sup> \[৯ক। কোন নারীর সম্মতি ছাড়া বা ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোন ব্যক্তির ইচ্ছাকৃত (Wilful) কোন কার্য দ্বারা সম্ভ্রমহানি হইবার প্রত্যক্ষ কারণে কোন নারী আত্মহত্যা করিলে উক্ত ব্যক্তি উক্ত নারীকে অনুরূপ কার্য দ্বারা আত্মহত্যা করিতে প্ররোচিত করিবার অপরাধে অপরাধী হইবেন এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক দশ বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।]

### বিয়ের প্রলোভনের মাধ্যমে যৌনকর্ম করিবার দণ্ড

<sup><a id="fnref-26" href="#fn-26">26</a></sup> \[৯খ। যদি কোন ব্যক্তি দৈহিক বলপ্রয়োগ ব্যতীত বিবাহের প্রলোভন দেখাইয়া ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সংগে যৌনকর্ম করেন এবং যদি উক্ত ঘটনার সময় উক্ত ব্যক্তির সহিত উক্ত নারীর আস্থাভাজন সম্পর্ক থাকে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।]

### যৌন পীড়ন, ইত্যাদির দণ্ড

<sup><a id="fnref-27" href="#fn-27">27</a></sup> \[১০। যদি কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে তাহার যৌন কামনা চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে তাহার শরীরের যে কোন অঙ্গ বা কোন বস্তু দ্বারা কোন নারী বা শিশুর যৌন অঙ্গ বা অন্য কোন অঙ্গ স্পর্শ করেন বা কোন নারীর শ্লীলতাহানি করেন তাহা হইলে তাহার এই কাজ হইবে যৌন পীড়ন এবং তজ্জন্য উক্ত ব্যক্তি অনধিক দশ বৎসর কিন্তু অন্যূন তিন বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।]

### যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি

১১৷ যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন <sup><a id="fnref-28" href="#fn-28">28</a></sup> \[কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম (simple hurt) করেন] তাহা হইলে উক্ত স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি-

<sup><a id="fnref-29" href="#fn-29">29</a></sup> \[(ক) মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;]

<sup><a id="fnref-30" href="#fn-30">30</a></sup> \[(কক) মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে বা অনধিক বার বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;]

<sup><a id="fnref-31" href="#fn-31">31</a></sup> \[(খ) মারাত্মক জখম (grievous hurt) করার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য <sup><a id="fnref-32" href="#fn-32">32</a></sup> \[অনধিক পাঁচ বৎসর কিন্তু অন্যূন দুই বৎসর] সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।]

### ভিক্ষাবৃত্তি, ইত্যাদির উদ্দেশ্যে শিশুকে অঙ্গহানি করার শাস্তি

১২৷ যদি কোন ব্যক্তি ভিক্ষাবৃত্তি বা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিক্রির উদ্দেশ্যে কোন শিশুর হাত, পা, চক্ষু বা অন্য কোন অংগ বিনষ্ট করেন বা অন্য কোনভাবে বিকলাংগ বা বিকৃত করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

### ধর্ষণের ফলশ্রুতিতে জন্মলাভকারী শিশু সংক্রান্ত বিধান

<sup><a id="fnref-33" href="#fn-33">33</a></sup> \[১৩। (১) অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধর্ষণের কারণে কোন সন্তান জন্মলাভ করিলে-

(ক) উক্ত সন্তানকে তাহার মাতা কিংবা তাহার মাতৃকুলীয় আত্মীয় স্বজনের তত্ত্বাবধানে রাখা যাইবে;

(খ) উক্ত সন্তান তাহার পিতা বা মাতা, কিংবা উভয়ের পরিচয়ে পরিচিত হইবার অধিকারী হইবে;

(গ) উক্ত সন্তানের ভরণপোষণের ব্যয় রাষ্ট্র বহণ করিবে;

(ঘ) উক্ত সন্তানের ভরণপোষণের ব্যয় তাহার বয়স একুশ বৎসর পূর্তি না হওয়া পর্যন্ত প্রদেয় হইবে, তবে একুশ বত্সরের অধিক বয়স্ক কন্যা সন্তানের ক্ষেত্রে তাহার বিবাহ না হওয়া পর্যন্ত এবং পঙ্গু সন্তানের ক্ষেত্রে তিনি স্বীয় ভরণপোষণের যোগ্যতা অর্জন না করা পর্যন্ত প্রদেয় হইবে।

(২) সরকার বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সন্তানের ভরণপোষণ বাবদ প্রদেয় অর্থের পরিমাণ নির্ধারণ করিবে।

(৩) এই ধারার অধীন কোন সন্তানকে ভরণপোষণের জন্য প্রদেয় অর্থ সরকার ধর্ষকের নিকট হইতে আদায় করিতে পারিবে এবং ধর্ষকের বিদ্যমান সম্পদ হইতে উক্ত অর্থ আদায় করা সম্ভব না হইলে, ভবিষ্যতে তিনি যে সম্পদের মালিক বা অধিকারী হইবেন সেই সম্পদ হইতে উহা আদায়যোগ্য হইবে।]

### সংবাদ মাধ্যমে34\[নির্যাতনের শিকার] নারী ও শিশুর পরিচয় প্রকাশের ব্যাপারে বাধা-নিষেধ

১৪। (১) এই আইনে বর্ণিত অপরাধের শিকার হইয়াছেন এইরূপ নারী বা শিশুর ব্যাপারে সংঘটিত অপরাধ বা তত্সম্পর্কিত আইনগত কার্যধারার সংবাদ বা তথ্য বা নাম-ঠিকানা <sup><a id="fnref-35" href="#fn-35">35</a></sup> \[বা ছবি] বা অন্যবিধ তথ্য কোন সংবাদ পত্রে বা অন্য কোন সংবাদ মাধ্যমে <sup><a id="fnref-36" href="#fn-36">36</a></sup> \[বা অনলাইনে বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে] এমনভাবে প্রকাশ বা পরিবেশন করা যাইবে যাহাতে উক্ত নারী বা শিশুর পরিচয় প্রকাশ না পায় ।

(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান লংঘন করা হইলে উক্ত লংঘনের জন্য দায়ী ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের প্রত্যেকে অনধিক দুই বৎসর কারাদণ্ডে বা অনূর্ধ্ব এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন ।

### ভবিষ্যত্ সম্পত্তি হইতে অর্থদণ্ড আদায়

১৫৷ এই আইনের ধারা ৪ হইতে ১৪ পর্যন্ত ধারাসমূহে উল্লিখিত অপরাধের জন্য ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক আরোপিত অর্থদণ্ডকে, প্রয়োজনবোধে, ট্রাইব্যুনাল অপরাধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির জন্য ক্ষতিপূরণ হিসাবে গণ্য করিতে পারিবে এবং অর্থদণ্ড বা ক্ষতিপূরণের অর্থ দণ্ডিত ব্যক্তির নিকট হইতে বা তাহার বিদ্যমান সম্পদ হইতে আদায় করা সম্ভব না হইলে, ভবিষ্যতে তিনি যে সম্পদের মালিক বা অধিকারী হইবেন সেই সম্পদ হইতে আদায়যোগ্য হইবে এবং এইরূপ ক্ষেত্রে উক্ত সম্পদের উপর অন্যান্য দাবী অপেক্ষা উক্ত অর্থদণ্ড বা ক্ষতিপূরণের দাবী প্রাধান্য পাইবে।

### অর্থদণ্ড বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের পদ্ধতি

১৬। এই আইনের অধীনে কোন অর্থদণ্ড আরোপ করা হইলে, ট্রাইব্যুনাল সংশ্লিষ্ট জেলার কালেক্টরকে, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে বা অনুরূপ বিধি না থাকিলে, ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে, অপরাধীর স্থাবর বা অস্থাবর বা উভয়বিধ সম্পত্তির তালিকা প্রস্তুতক্রমে ক্রোক ও নিলাম বিক্রয় বা ক্রোক ছাড়াই সরাসরি নিলামে বিক্রয় করিয়া বিক্রয়লব্ধ অর্থ ট্রাইব্যুনালে জমা দিবার নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং ট্রাইব্যুনাল উক্ত অর্থ অপরাধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে প্রদানের ব্যবস্থা করিবে।

### মিথ্যা মামলা, অভিযোগ দায়ের ইত্যাদির শাস্তি

১৭। (১) যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির <sup><a id="fnref-37" href="#fn-37">37</a></sup> \[মর্যাদাহানি বা] ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের অন্য কোন ধারার অধীন মামলা বা অভিযোগ করার জন্য ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ নাই জানিয়াও মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান তাহা হইলে মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তি এবং যিনি অভিযোগ দায়ের করাইয়াছেন উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

<sup><a id="fnref-38" href="#fn-38">38</a></sup> \[(২) এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত ট্রাইব্যুনাল কোন লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অথবা তাহার স্বীয় ক্ষমতায় উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত অপরাধ আমলে লইয়া তাহার বিচার করিতে পারিবে।]

<sup><a id="fnref-39" href="#fn-39">39</a></sup> \[(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কোন অপরাধের বিচার সম্পন্ন হওয়ার পর রায় প্রদানকালে যদি ট্রাইব্যুনালের নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রমাণিত হয় যে, কোন অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা ও হয়রানিমূলক, তাহা হইলে উক্ত ট্রাইব্যুনাল মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তিকে কারণ দর্শানোর সুযোগ প্রদানপূর্বক সংশ্লিষ্ট অভিযুক্ত ব্যক্তি বা অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ বরাবর যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারিবে এবং প্রয়োজন মনে করিলে ক্ষতিপূরণের আদেশ প্রদানের পাশাপাশি উক্ত মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তিকে অনধিক দুই বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।]

### অপরাধের তদন্ত

<sup><a id="fnref-40" href="#fn-40">40</a></sup> \[১৮৷ (১) ফৌজদারী কার্যবিধিতে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কোন অপরাধের তদন্ত-

(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনের সময়ে হাতেনাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হইলে বা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধৃত হইয়া পুলিশের নিকট সোপর্দ হইলে, তাহার ধৃত হইবার তারিখ হইতে পরবর্তী পনের কার্য দিবসের মধ্যে সম্পন্ন করিতে হইবে; অথবা

(খ) অভিযুক্ত ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনের সময়ে হাতেনাতে ধৃত না হইলে তাহার অপরাধ সংঘটন সংক্রান্ত প্রাথমিক তথ্য প্রাপ্তি বা, ক্ষেত্রমত, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা তাহার নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অথবা ট্রাইব্যুনালের নিকট হইতে তদন্তের আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হইতে পরবর্তী <sup><a id="fnref-41" href="#fn-41">41</a></sup> \[ত্রিশ] কার্য দিবসের মধ্যে সম্পন্ন করিতে হইবে ।

<sup><a id="fnref-42" href="#fn-42">42</a></sup> \[(২) কোন যুক্তিসংগত কারণে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সময়ের মধ্যে তদন্তকার্য সমাপ্ত করা সম্ভব না হইলে তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্তের মেয়াদ শেষ হইবার পূর্বে কেস ডায়েরিসহ বিলম্বের কারণ সংবলিত লিখিত প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালে বা, ক্ষেত্রমত, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট উপস্থাপন করিবেন এবং ট্রাইব্যুনাল বা ম্যাজিস্ট্রেট সন্তুষ্ট হইলে তদন্তকারী কর্মকর্তা পরবর্তী পনেরো কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করিবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, যেসব মামলার তদন্তে ট্রাইব্যুনাল বা, ক্ষেত্রমত, ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমোদন সাপেক্ষে ডিএনএ পরীক্ষা আবশ্যক, সেসকল মামলার তদন্তের মেয়াদ ট্রাইব্যুনাল বা, ক্ষেত্রমত, ম্যাজিস্ট্রেট ন্যূনতম প্রয়োজনীয় সময় পর্যন্ত বর্ধিত করিতে পারিবে।]

<sup><a id="fnref-43" href="#fn-43">43</a></sup> \[(৩) তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর উহার বিরুদ্ধে নারাজি দাখিল হইলে ট্রাইব্যুনাল অধিকতর তদন্তের নিমিত্ত নূতন তদন্তকারী কর্মকর্তা নিযুক্ত করিতে পারিবে এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তদন্তের আদেশ প্রাপ্ত হইবার পরবর্তী পনের কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করিতে হইবে।]

<sup><a id="fnref-44" href="#fn-44">44</a></sup> \[\*\*\*]

<sup><a id="fnref-45" href="#fn-45">45</a></sup> \[(৬) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সময়সীমা বা, ক্ষেত্রমত, উপ-ধারা (২) ও (৩) এর অধীন বর্ধিত সময়সীমার মধ্যে কোন তদন্তকার্য সম্পন্ন না করার ক্ষেত্রে, তৎসম্পর্কে ব্যাখ্যা সংবলিত প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর তদন্তের আদেশ প্রদানকারী ট্রাইব্যুনাল কিংবা, ক্ষেত্রমত, ম্যাজিস্ট্রেট যদি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন না হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী কর্মকর্তা বা, ক্ষেত্রবিশেষে, কোন সরকারি কর্মকর্তা দায়ী, তাহা হইলে উহা দায়ী ব্যক্তির অদক্ষতা ও অসদাচরণ বলিয়া বিবেচিত হইবে এবং এই অদক্ষতা ও অসদাচরণ তাহার বার্ষিক গোপনীয় অনুবেদনে লিপিবদ্ধ করা হইবে এবং উপযুক্ত ক্ষেত্রে চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী তাহার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে।]

(৭) তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর যদি ট্রাইব্যুনাল তদন্ত সংশ্লিষ্ট তথ্যাদি পর্যালোচনা করিয়া এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, তদন্ত প্রতিবেদনে আসামী হিসাবে উল্লিখিত কোন ব্যক্তিকে ন্যায়বিচারের স্বার্থে সাক্ষী করা বাঞ্ছনীয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে আসামীর পরিবর্তে সাক্ষী হিসাবে গণ্য করিবার নির্দেশ দিতে পারিবে ।

(৮) যদি মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ সমাপ্তির পর ট্রাইব্যুনালের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, এই আইনের অধীন কোন অপরাধের তদন্তকারী কর্মকর্তা <sup><a id="fnref-46" href="#fn-46">46</a></sup> \[নিজ বা তাহার ঊর্ধ্বতন কোন কর্মকর্তার নির্দেশে] কোন ব্যক্তিকে অপরাধের দায় হইতে রক্ষা করার উদ্দেশ্যে বা তদন্তকার্যে গাফিলতির মাধ্যমে অপরাধটি প্রমাণে ব্যবহারযোগ্য কোন আলামত সংগ্রহ বা বিবেচনা না করিয়া বা মামলার প্রমাণের প্রয়োজন ব্যতিরেকে উক্ত ব্যক্তিকে আসামীর পরিবর্তে সাক্ষী করিয়া বা কোন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীকে পরীক্ষা না করিয়া তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করিয়াছেন, তাহা হইলে উক্ত তদন্তকারী কর্মকর্তার <sup><a id="fnref-47" href="#fn-47">47</a></sup> \[বা, ক্ষেত্রমত, তাহার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার] বিরুদ্ধে উক্ত কার্য বা অবহেলাকে অদক্ষতা বা, ক্ষেত্রমত, অসদাচরণ হিসাবে চিহ্নিত করিয়া ট্রাইব্যুনাল উক্ত কর্মকর্তার নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষকে তাহার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারিবে ।

(৯) ট্রাইব্যুনাল <sup><a id="fnref-48" href="#fn-48">48</a></sup> \[বা, ক্ষেত্রমত, ম্যাজিস্ট্রেট] কোন আবেদনের প্রেক্ষিতে বা অন্য কোন তথ্যের ভিত্তিতে কোন তদন্তকারী কর্মকর্তার পরিবর্তে অন্য কোন তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিতে পারিবে ।]

<sup><a id="fnref-49" href="#fn-49">49</a></sup> \[(১০) ধারা ৯ এর অধীন মামলা তদন্ত করার সময়ে প্রশাসনিক আদেশে কোন তদন্তকারী কর্মকর্তার বদলি কার্যকর করা যাইবে না।]

### অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ, ইত্যাদি

<sup><a id="fnref-50" href="#fn-50">50</a></sup> \[১৯৷ <sup><a id="fnref-51" href="#fn-51">51</a></sup> \[(১) এই আইনের অধীন সকল অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণীয় হইবে <sup><a id="fnref-52" href="#fn-52">52</a></sup> \[\*\*\*]।]

(২) উপ-ধারা (৩) এর বিধান সাপেক্ষে, এই আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধ সংঘটনে জড়িত মূল এবং প্রত্যক্ষভাবে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হইবে না, যদি-

(ক) তাহাকে মুক্তি দেওয়ার আবেদনের উপর অভিযোগকারী পক্ষকে শুনানীর সুযোগ দেওয়া না হয়; এবং

(খ) তাহার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগে তিনি দোষী সাব্যস্ত হওয়ার যুক্তিসংগত কারণ রহিয়াছে মর্মে ট্রাইব্যুনাল <sup><a id="fnref-53" href="#fn-53">53</a></sup> \[বা, ক্ষেত্রমত, এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত] সন্তুষ্ট হন।

(৩) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত কোন ব্যক্তি নারী বা শিশু হইলে কিংবা শারীরিকভাবে অসুস্থ (sick or infirm) হইলে, সেইক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার কারণে ন্যায় বিচার বিঘ্নিত হইবে না মর্মে ট্রাইব্যুনাল <sup><a id="fnref-54" href="#fn-54">54</a></sup> \[বা, ক্ষেত্রমত, এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত] সন্তুষ্ট হইলে তাহাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া যাইবে।

(৪) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত ব্যক্তি ব্যতীত এই আইনের অধীন অপরাধ সংঘটনের জন্য অভিযুক্ত অন্য কোন ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দেওয়া ন্যায়সংগত হইবে মর্মে ট্রাইব্যুনাল <sup><a id="fnref-55" href="#fn-55">55</a></sup> \[বা, ক্ষেত্রমত, এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত] সন্তুষ্ট হইলে তদ্‌মর্মে কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ট্রাইব্যুনাল <sup><a id="fnref-56" href="#fn-56">56</a></sup> \[বা, ক্ষেত্রমত, এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত] জামিনে মুক্তি দিতে পারিবে।]

### বিচার পদ্ধতি

২০৷ <sup><a id="fnref-57" href="#fn-57">57</a></sup> \[(১) ধারা ৩৫ এর বিধান সাপেক্ষে এই আইনের অধীন কোন অপরাধের বিচার ধারা ২৬ বা, ক্ষেত্রমত, ধারা ২৬ক এর অধীন গঠিত ট্রাইব্যুনালে বিচারযোগ্য হইবে।]

(২) ট্রাইব্যুনালে মামলার শুনানী শুরু হইলে উহা শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রতি কর্মদিবসে একটানা চলিবে।

(৩) বিচারের জন্য মামলা প্রাপ্তির তারিখ হইতে একশত আশি <sup><a id="fnref-58" href="#fn-58">58</a></sup> \[কার্যদিবসের] মধ্যে ট্রাইব্যুনাল বিচারকার্য সমাপ্ত করিবে।

<sup><a id="fnref-59" href="#fn-59">59</a></sup> \[(৩ক) উপ-ধারা (৩) এ যাহা কিছু থাকুক না কেন, ধারা ৯ এর অধীন ধর্ষণ সংক্রান্ত মামলার বিচারকার্য ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ গঠনের তারিখ হইতে নব্বই কার্যদিবসের মধ্যে সমাপ্ত করিবে।]

<sup><a id="fnref-60" href="#fn-60">60</a></sup> \[(৪) উপ-ধারা (৩) এবং উপ-ধারা (৩ক) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে মামলার বিচারকার্য সমাপ্ত করিবার ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল যদি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন না হইবার জন্য কোন সরকারি কর্মকর্তা দায়ী তাহা হইলে উহা দায়ী ব্যক্তির অদক্ষতা ও অসদাচারণ বলিয়া বিবেচিত হইবে এবং উক্ত অদক্ষতা ও অসদাচরণ তাহার বার্ষিক গোপনীয় অনুবেদনে লিপিবন্ধ করা হইবে এবং উপযুক্ত ক্ষেত্রে চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী তাহার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে।]

(৫) কোন মামলার বিচারকার্য শেষ না করিয়া যদি কোন ট্রাইব্যুনালের বিচারক বদলী হইয়া যান, তাহা হইলে তিনি বিচারকার্যের যে পর্যায়ে মামলাটি রাখিয়া গিয়াছেন, সেই পর্যায় হইতে তাহার স্থলাভিষিক্ত বিচারক বিচার করিবেন এবং তাহার পূর্ববর্তী বিচারক যে সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করিয়াছেন সেই সাক্ষীর সাক্ষ্য পুনরায় গ্রহণ করার প্রয়োজন হইবে না:

তবে শর্ত থাকে যে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে যদি বিচারক কোন সাক্ষীর সাক্ষ্য পুনরায় গ্রহণ করা অপরিহার্য বলিয়া মনে করেন, তাহা হইলে তিনি সাক্ষ্য গ্রহণ করা হইয়াছে এমন যে কোন সাক্ষীকে তলব করিয়া পুনরায় তাহার সাক্ষ্য গ্রহণ করিতে পারিবেন।

<sup><a id="fnref-61" href="#fn-61">61</a></sup> \[(৬) কোন ব্যক্তির আবেদনের প্রেক্ষিতে কিংবা ট্রাইব্যুনাল স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত মনে করিলে এই আইনের ধারা ৯ এর অধীন অপরাধের বিচার কার্যক্রম রুদ্ধদ্বার কক্ষে (trial in camera) অনুষ্ঠান করিতে পারিবে।]

(৭) কোন শিশু এই আইনের অধীন অপরাধ সংঘটনের অভিযোগে অভিযুক্ত হইলে বা উক্ত অপরাধের সাক্ষী হইলে তাহার ক্ষেত্রে <sup><a id="fnref-62" href="#fn-62">62</a></sup> \[ [শিশু আইন, ২০১৩](/laws/act-1119 "Act 1119") (২০১৩ সনের ২৪ নং আইন)] এর বিধানাবলী যতদূর সম্ভব অনুসরণ করিতে হইবে।

<sup><a id="fnref-63" href="#fn-63">63</a></sup> \[(৮) কোন নারী বা শিশুকে নিরাপত্তা হেফাজতে রাখিবার আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল, উক্ত নারী বা শিশুর কল্যাণ ও স্বার্থ রক্ষার্থে তাহার মতামত গ্রহণ ও বিবেচনা করিবে।]

<sup><a id="fnref-64" href="#fn-64">64</a></sup> \[(৯) এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কেবল ধর্ষণের মামলার ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল উপযুক্ত বিবেচনা করিলে মেডিক্যাল সার্টিফিকেট ও পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্যের উপর ভিত্তি করিয়া বিচারকার্য সম্পন্ন করিতে পারিবে।]

### আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার

<sup><a id="fnref-65" href="#fn-65">65</a></sup> \[২১।  ফৌজদারী কার্যবিধির Section 87, 88 ও 339B এ ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যেক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনালের এই মর্মে বিশ্বাস করিবার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছেন বা আত্মগোপন করিয়াছেন এবং তাহার আশু গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই, সেইক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগপত্র গৃহীত হইবার তারিখ হইতে পরবর্তী বিশ দিনের মধ্যে উক্ত অনুপস্থিত বা পলাতক অভিযুক্ত ব্যক্তিকে হাজির করিবার নিমিত্ত তথ্যপ্রযুক্তির যে কোন উপযুক্ত মাধ্যমে বা একটি বাংলা দৈনিক জাতীয় খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা বা অন্যবিধ যুক্তিসংগত যে কোন উপায়ে উক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নোটিশ জারি করিয়া হাজির হইবার নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি উক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির না হন, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার করিতে পারিবে:

তবে শর্ত থাকে যে, যদি কোন অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির হইবার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করিবার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জামিনে মুক্তি দেওয়ার পর পলাতক হন, তাহা হইলে তাহার ক্ষেত্রে উল্লিখিত বিধান প্রযোজ্য হইবে না, এবং সেইক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল, কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে তাহার বিচার সম্পন্ন করিতে পারিবে।]

### ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক যে কোন স্থানে জবানবন্দি গ্রহণের ক্ষমতা

২২৷ (১) এই আইনের অধীন সংঘটিত কোন অপরাধের তদন্তকারী কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তদন্তকারী অন্য কোন ব্যক্তি কিংবা অকুস্থলে কোন আসামীকে ধৃত করার সময় কোন পুলিশ কর্মকর্তা যদি মনে করেন যে, <sup><a id="fnref-66" href="#fn-66">66</a></sup> \[অপরাধের শিকার ব্যক্তি বা] ঘটনা সম্পর্কে ওয়াকেফহাল বা ঘটনাটি নিজ চক্ষে দেখিয়াছেন এমন কোন ব্যক্তির জবানবন্দি অপরাধের ত্বরিত বিচারের স্বার্থে কোন ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক অবিলম্বে লিপিবদ্ধ করা প্রয়োজন, তাহা হইলে তিনি কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটকে উক্ত ব্যক্তির জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করিবার জন্য লিখিতভাবে বা অন্য কোনভাবে অনুরোধ করিতে পারিবেন।

(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত ম্যাজিষ্ট্রেট ঘটনাস্থল বা অন্য কোন যথাযথ স্থানে উক্ত ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণ করিবেন এবং উক্তরূপে গৃহীত জবানবন্দি তদন্ত প্রতিবেদনের সহিত সামিল করিয়া ট্রাইব্যুনালে দাখিল করিবার নিমিত্ত তদন্তকারী কর্মকর্তার বা ব্যক্তির নিকট সরাসরি প্রেরণ করিবেন।

(৩) যদি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন অপরাধের জন্য অভিযুক্ত কোন ব্যক্তির বিচার কোন ট্রাইব্যুনালে শুরু হয় এবং দেখা যায় যে, উপ-ধারা (২) এর অধীন জবানবন্দি প্রদানকারী ব্যক্তির সাক্ষ্য প্রয়োজন, কিন্তু তিনি মৃত্যুবরণ করিয়াছেন বা তিনি সাক্ষ্য দিতে অক্ষম বা তাহাকে খুঁজিয়া পাওয়া সম্ভব নহে বা তাহাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করিবার চেষ্টা এইরূপ বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধার ব্যাপার হইবে যাহা পরিস্থিতি অনুসারে কাম্য হইবে না, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল উক্ত জবানবন্দি মামলায় সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করিতে পারিবে:

তবে শর্ত থাকে যে, শুধুমাত্র উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্যের উপর ভিত্তি করিয়া ট্রাইব্যুনাল অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শাস্তি প্রদান করিতে পারিবে না।

### রাসায়নিক পরীক্ষক, রক্ত পরীক্ষক, ইত্যাদির সাক্ষ্য

২৩৷ সরকার কর্তৃক নিয়োজিত কোন চিকিৎসক, রাসায়নিক পরীক্ষক, সহকারী রাসায়নিক পরীক্ষক, রক্ত পরীক্ষক, হস্তলিপি বিশেষজ্ঞ, আংগুলাংক বিশারদ অথবা আগ্নেয়াস্ত্র বিশারদকে এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংক্রান্ত কার্যক্রম চলাকালীন সময়ে কোন বিষয়ে পরীক্ষা বা বিশ্লেষণ করিয়া প্রতিবেদন প্রদান করিবার পর বিচারকালে তাহার সাক্ষ্য গ্রহণ প্রয়োজন, কিন্তু তিনি মৃত্যুবরণ করিয়াছেন বা তিনি সাক্ষ্য দিতে অক্ষম বা তাহাকে খুঁজিয়া পাওয়া সম্ভব নয় বা তাহাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করিবার চেষ্টা এইরূপ বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধার ব্যাপার হইবে যাহা পরিস্থিতি অনুসারে কাম্য হইবে না তাহা হইলে তাহার স্বাক্ষরযুক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট এই আইনের অধীন বিচারকালে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করা যাইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, শুধুমাত্র উক্ত প্রতিবেদনের উপর ভিত্তি করিয়া ট্রাইব্যুনাল অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শাস্তি প্রদান করিতে পারিবে না।

### সাক্ষীর উপস্থিতি

২৪৷ (১) এই আইনের অধীন কোন অপরাধের বিচারের জন্য সাক্ষীর সমন বা ওয়ারেন্ট কার্যকর করার জন্য সংশ্লিষ্ট সাক্ষীর সর্বশেষ বসবাসের ঠিকানা যে থানায় অবস্থিত, সেই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করিতে হইবে এবং উক্ত সাক্ষীকে উক্ত ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত করিবার দায়িত্ব উক্ত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার থাকিবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান সত্ত্বেও সাক্ষীর সমনের একটি অনুলিপি সংশ্লিষ্ট সাক্ষীকে এবং সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিশ সুপার বা, ক্ষেত্রমত, পুলিশ কমিশনারকে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র সমেত নিবন্ধিত ডাকযোগে প্রেরণ করা যাইবে।

(৩) এই ধারার অধীন কোন সমন বা ওয়ারেন্ট কার্যকর করিতে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা ইচ্ছাকৃত গাফিলতি করিলে ট্রাইব্যুনাল উহাকে অদক্ষতা হিসাবে চিহ্নিত করিয়া সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তার নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্ত নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।

<sup><a id="fnref-67" href="#fn-67">67</a></sup> \[(৪) কোন ব্যক্তির আবেদনের প্রেক্ষিতে কিংবা ট্রাইব্যুনাল স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত মনে করিলে যে কোন দূরবর্তী সাক্ষীর সাক্ষ্য, এ সম্পর্কিত বলবৎ আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে, তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে গ্রহণ করিতে পারিবে এবং এতদুদ্দেশ্যে সরকার এবং অন্যান্য কর্তৃপক্ষ ট্রাইব্যুনালকে তথ্যপ্রযুক্তিগত প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ করিবে।]

### সম্মতি সংক্রান্ত অনুমান

<sup><a id="fnref-68" href="#fn-68">68</a></sup> \[২৪ক। যেক্ষেত্রে কোন কার্য সম্পাদনের ক্ষেত্রে অপরাধের শিকার ব্যক্তির সম্মতি বা অসম্মতি দানের সক্ষমতা থাকে না, সেইক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল অনুমান করিতে পারিবে যে, উক্ত কার্যে তাহার সম্মতি ছিল না।]

### ফৌজদারী কার্যবিধির প্রয়োগ, ইত্যাদি

২৫৷ (১) এই আইনে ভিন্নরূপ কিছু না থাকিলে, কোন অপরাধের অভিযোগ দায়ের, তদন্ত, বিচার ও নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধির বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে এবং ট্রাইব্যুনাল একটি দায়রা আদালত বলিয়া গণ্য হইবে এবং এই আইনের অধীন যে কোন অপরাধ বা তদনুসারে অন্য কোন অপরাধ বিচারের ক্ষেত্রে দায়রা আদালতের সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারিবে।

(২) ট্রাইব্যুনালে অভিযোগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী ব্যক্তি পাবলিক প্রসিকিউটর বলিয়া গণ্য হইবেন।

### থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্ব

<sup><a id="fnref-69" href="#fn-69">69</a></sup> \[২৫ক। (১) এই আইনের অধীন সংঘটিত কোন অপরাধের প্রাথমিক সাক্ষ্য প্রমাণসহ কোনো অভিযোগকারী থানায় হাজির হইলে অফিসার ইনচার্জ তাৎক্ষণিকভাবে তাহার অভিযোগটি এজাহারভুক্ত করিবেন এবং, ক্ষেত্রমত, এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে অপরাধের শিকার ব্যক্তির প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল পরীক্ষা ও চিকিৎসার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করিবেন।

(২) অভিযোগকারী প্রাথমিক সাক্ষ্য প্রমাণসহ থানায় হাজির হইলে তাহাকে কেবল এই যুক্তিতে ফিরাইয়া দেওয়া যাইবে না যে, তাহার ঘটনাটি অন্য থানার এখতিয়ারাধীন এলাকায় ঘটিয়াছে, বরং যেই থানাতেই অভিযোগ করা হউক না কেন, উক্ত থানার অফিসার ইনচার্জ অবিলম্বে অভিযোগকারীর বক্তব্য লিপিবদ্ধ করিবেন, অপরাধের শিকার ব্যক্তির প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল পরীক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করিবেন এবং অনতিবিলম্বে কেস ডায়েরিসহ অভিযোগটি উপযুক্ত থানায় প্রেরণ করিবেন।]

### নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল

২৬৷ (১) এই আইনের অধীন অপরাধ বিচারের জন্য প্রত্যেক জেলা সদরে একটি করিয়া ট্রাইব্যুনাল থাকিবে এবং প্রয়োজনে সরকার উক্ত জেলায় একাধিক ট্রাইব্যুনালও গঠন করিতে পারিবে; এইরূপ ট্রাইব্যুনাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল নামে অভিহিত হইবে।

(২) একজন বিচারক সমন্বয়ে ট্রাইব্যুনাল গঠিত হইবে এবং সরকার জেলা ও দায়রা জজগণের মধ্য হইতে উক্ত ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিযু্‌ক্ত করিবে।

(৩) সরকার, প্রয়োজনবোধে, কোন জেলা ও দায়রা জজকে তাহার দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসাবে ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিযুক্ত করিতে পারিবে।

(৪) এই ধারায় জেলা জজ ও দায়রা জজ বলিতে <sup><a id="fnref-70" href="#fn-70">70</a></sup> \[অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজও] অন্তর্ভুক্ত।

### শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল

<sup><a id="fnref-71" href="#fn-71">71</a></sup> \[২৬ক।  (১) ধারা ২৬ এর উপ-ধারা (১) এর বিধান সত্ত্বেও সরকার এই আইনের অধীন শিশু ধর্ষণ সংক্রান্ত অপরাধ বিচারের নিমিত্ত প্রত্যেক জেলায় ও মহানগর এলাকায় এক বা একাধিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করিতে পারিবে এবং এইরূপ ট্রাইব্যুনাল শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল নামে অভিহিত হইবে।

(২) একজন বিচারক সমন্বয়ে ট্রাইব্যুনাল গঠিত হইবে এবং সরকার জেলা ও দায়রা জজগণের মধ্য হইতে উক্ত ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিযুক্ত করিবে।

(৩) সরকার, প্রয়োজনে, কোন জেলা ও দায়রা জজকে তাহার দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসাবে ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিযুক্ত করিতে পারিবে।

(৪) এই ধারায় জেলা ও দায়রা জজ বলিতে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজও অন্তর্ভুক্ত হইবে।

(৫) শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল এই আইনের অধীন গঠিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের কার্যপদ্ধতি প্রয়োজনীয় অভিযোজন সহকারে অনুসরণ করিবে।

(৬) শিশু ধর্ষণ অপরাধের সহিত এই আইন বা অন্য আইনের অধীন কোন অপরাধ সংশ্লিষ্ট থাকিলে, উক্ত উভয় অপরাধের বিচার শিশু সহিংসতার দমন ট্র্রাইব্যুনালে করা যাইবে।

(৭) এই ধারার অধীন ট্রাইব্যুনাল গঠিত না হওয়া পর্যন্ত ধারা ২৬ এর অধীন গঠিত ট্রাইব্যুনাল এই ধারায় উল্লিখিত ট্রাইব্যুনালের দায়িত্ব পালন করিতে পারিবে।]

### ট্রাইব্যুনালের এখ্‌তিয়ার

২৭৷ <sup><a id="fnref-72" href="#fn-72">72</a></sup> \[(১) সাব-ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার নিম্নে নহেন এমন কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা এতদুদ্দেশ্যে সরকারের নিকট হইতে সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তির লিখিত রিপোর্ট ব্যতিরেকে কোন ট্রাইব্যুনাল কোন অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ করিবেন না।

(১ক) কোন অভিযোগকারী উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন পুলিশ কর্মকর্তাকে বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কোন অপরাধের অভিযোগ গ্রহণ করিবার জন্য অনুরোধ করিয়া ব্যর্থ হইয়াছেন মর্মে হলফনামা সহকারে ট্রাইব্যুনালের নিকট অভিযোগ দাখিল করিলে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগকারীকে পরীক্ষা করিয়া,-

(ক) সন্তুষ্ট হইলে অভিযোগটি অনুসন্ধানের (inquiry) জন্য কোন ম্যাজিষ্ট্রেট কিংবা অন্য কোন ব্যক্তিকে নির্দেশ প্রদান করিবেন এবং অনুসন্ধানের জন্য নির্দেশপ্রাপ্ত ব্যক্তি অভিযোগটি অনুসন্ধান করিয়া সাত কার্য দিবসের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের নিকট রিপোর্ট প্রদান করিবেন;

(খ) সন্তুষ্ট না হইলে অভিযোগটি সরাসরি নাকচ করিবেন।

(১খ) উপ-ধারা (১ক) এর অধীন রিপোর্ট প্রাপ্তির পর কোন ট্রাইব্যুনাল যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে,-

(ক) অভিযোগকারী উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন পুলিশ কর্মকর্তাকে বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কোন অপরাধের অভিযোগ গ্রহণ করিবার জন্য অনুরোধ করিয়া ব্যর্থ হইয়াছেন এবং অভিযোগের সমর্থনে প্রাথমিক সাক্ষ্য প্রমাণ আছে সেই ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল উক্ত রিপোর্ট ও অভিযোগের ভিত্তিতে অপরাধটি বিচারার্থ গ্রহণ করিবেন;

(খ) অভিযোগকারী উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন পুলিশ কর্মকর্তাকে বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কোন অপরাধের অভিযোগ গ্রহণ করিবার জন্য অনুরোধ করিয়া ব্যর্থ হইয়াছেন মর্মে প্রমাণ পাওয়া যায় নাই কিংবা অভিযোগের সমর্থনে কোন প্রাথমিক সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া যায় নাই সেই ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগটি নাকচ করিবেন।

(১গ) উপ-ধারা (১) এবং (১ক) এর অধীন প্রাপ্ত রিপোর্টে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ বা তত্সম্পর্কে কার্যক্রম গ্রহণের সুপারিশ না থাকা সত্ত্বেও ট্রাইব্যুনাল, যথাযথ এবং ন্যায়বিচারের স্বার্থে প্রয়োজনীয় মনে করিলে, কারণ উল্লেখপূর্বক উক্ত ব্যক্তির ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ করিতে পারিবেন।]

<sup><a id="fnref-73" href="#fn-73">73</a></sup> \[(১ঘ) উপ-ধারা (১ক) ও (১খ) এ যাহা কিছু থাকুক না কেন, উপযুক্ত ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগটিকে এজাহার হিসাবে গণ্য করিবার জন্য সংশ্লিষ্ট থানার অফিসার ইনচার্জকে আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।]

(২) যে ট্রাইব্যুনালের এখ্‌তিয়ারাধীন এলাকায় কোন অপরাধ বা উহার কোন অংশ সংঘটিত হইয়াছে অথবা যেখানে অপরাধীকে বা, একাধিক অপরাধীর ক্ষেত্রে, তাহাদের যে কোন একজনকে পাওয়া গিয়াছে, সেই স্থান বা ট্রাইব্যুনালের এখ্‌তিয়ারাধীন, সেই ট্রাইব্যুনালে অপরাধটি বিচারার্থ গ্রহণের জন্য রিপোর্ট বা অভিযোগ পেশ করা যাইবে এবং সেই ট্রাইব্যুনাল অপরাধটির বিচার করিবে।

(৩) যদি এই আইনের অধীন কোন অপরাধের সহিত অন্য কোন অপরাধ এমনভাবে জড়িত থাকে যে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে উভয় অপরাধের বিচার একই সংগে বা একই মামলায় করা প্রয়োজন, তাহা হইলে উক্ত অন্য অপরাধটির বিচার এই আইনের অধীন অপরাধের সহিত এই আইনের বিধান অনুসরণে একই সংগে বা একই ট্রাইব্যুনালে করা যাইবে।

### আপীল

২৮৷ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ, রায় বা আরোপিত দণ্ড দ্বারা সংক্ষুব্ধ পক্ষ, উক্ত আদেশ, রায় বা দণ্ডাদেশ প্রদানের তারিখ হইতে <sup><a id="fnref-74" href="#fn-74">74</a></sup> \[ত্রিশ] দিনের মধ্যে, হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করিতে পারিবেন।

### মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন

২৯৷ এই আইনের অধীনে কোন ট্রাইব্যুনাল, মৃত্যুদণ্ড প্রদান করিলে সংশ্লিষ্ট মামলার নথিপত্র অবিলম্বে ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৩৭৪ এর বিধান অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করিতে হইবে এবং উক্ত বিভাগের অনুমোদন ব্যতীত মৃতুদণ্ড কার্যকর করা যাইবে না।

### অপরাধে প্ররোচনা বা সহায়তার শাস্তি

৩০৷ যদি কোন ব্যক্তি এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা যোগান এবং সেই প্ররোচনার ফলে উক্ত অপরাধ সংঘটিত হয় বা অপরাধটি সংঘটনের চেষ্টা করা হয় বা কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করেন, তাহা হইলে ঐ অপরাধ সংঘটনের জন্য বা অপরাধটি সংঘটনের চেষ্টার জন্য নির্ধারিত দণ্ডে প্ররোচনাকারী বা সহায়তাকারী ব্যক্তি দণ্ডনীয় হইবেন৷

### নিরাপত্তামূলক হেফাজত

<sup><a id="fnref-75" href="#fn-75">75</a></sup> \[৩১।  এই আইনের অধীন কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচার চলাকালে যদি ট্রাইব্যুনাল বা, ক্ষেত্রমত, ম্যাজিস্ট্রেট বিবেচনা করেন যে, কোন নারী বা শিশু বা তাহার সংশ্লিষ্ট যে কোন ব্যক্তিকে নিরাপত্তামূলক হেফাজতে রাখা প্রয়োজন বা তাহাদের জানমালের সার্বিক হেফাজত করা প্রয়োজন, তাহা হইলে [শিশু আইন, ২০১৩](/laws/act-1119 "Act 1119") (২০১৩ সনের ২৪ নং আইন) এর বিধান সাপেক্ষে ট্রাইব্যুনাল বা, ক্ষেত্রমত, ম্যাজিস্ট্রেট, উক্ত নারী বা শিশুকে কারাগারের বাহিরে ও সরকার কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নির্ধারিত স্থানে সরকারি কর্তৃপক্ষের হেফাজতে বা ট্রাইব্যুনাল বা, ক্ষেত্রমত, ম্যাজিস্ট্রেটের বিবেচনায় যথাযথ অন্য কোন ব্যক্তি বা সংস্থার হেফাজতে রাখিবার নির্দেশ দিতে পারিবে বা উপযুক্ত যে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করিতে পারিবে।]

### ট্রাইব্যুনাল, ইত্যাদির জবাবদিহিতা

<sup><a id="fnref-76" href="#fn-76">76</a></sup> \[৩১ক৷ (১) কোন মামলা ধারা ২০ এর উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি না হইবার ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনালকে উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া একটি প্রতিবেদন ত্রিশ দিনের মধ্যে সুপ্রীম কোর্টের নিকট দাখিল করিতে হইবে, যাহার একটি অনুলিপি সরকারের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে ।

(২) অনুরূপ ক্ষেত্রে পাবলিক প্রসিকিউটর ও সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাকেও উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া একটি প্রতিবেদন ত্রিশ দিনের মধ্যে সরকারের নিকট দাখিল করিতে হইবে, যাহার একটি অনুলিপি সুপ্রীম কোর্টে প্রেরণ করিতে হইবে ।

(৩) উপ-ধারা (১) বা (২) এর অধীন পেশকৃত প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর যথাযথ কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি না হওয়ার জন্য দায়ী ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন ৷]

<sup><a id="fnref-77" href="#fn-77">77</a></sup> \[(৪) ধারা ২০ এর উপ-ধারা (৩ক) এর অধীন মামলা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি না হইলে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের বিচারককে পরবর্তী তিন কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা সুপ্রীম কোর্টের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে, যাহার একটি অনুলিপি সরকারের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে এবং উক্ত ব্যাখ্যার ভিত্তিতে কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে।]

### 78\[অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং অপরাধের শিকার ব্যক্তির মেডিক্যাল পরীক্ষা]

<sup><a id="fnref-79" href="#fn-79">79</a></sup> \[৩২৷ <sup><a id="fnref-80" href="#fn-80">80</a></sup> \[(১) এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং অপরাধের শিকার ব্যক্তির মেডিক্যাল পরীক্ষা সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করিয়া সরকারি হাসপাতালে কিংবা সরকার কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে স্বীকৃত কোন বেসরকারি হাসপাতালে সম্পন্ন করা যাইবে এবং সরকারি হাসপাতালে এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের শিকার ব্যক্তি সশরীরে হাজির হইলে কিংবা এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা অপরাধের শিকার ব্যক্তি পুলিশ কর্তৃক উপস্থাপিত হইলে তাহাদের মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য কোন ফি প্রদেয় হইবে না।

(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন হাসপাতালে এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের শিকার ব্যক্তিকে চিকিৎসার জন্য উপস্থিত করা হইলে, উক্ত হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাহার মেডিক্যাল পরীক্ষা অতিদ্রুত সম্পন্ন করিবে এবং উক্ত মেডিক্যাল পরীক্ষা সম্পন্ন হইবার পরবর্তী বাহাত্তর ঘণ্টার মধ্যে এই সংক্রান্ত একটি সার্টিফিকেট বিনামূল্যে অপরাধের শিকার ব্যক্তিকে বা, ক্ষেত্রমত, তাহার পরিবারকে ও তদন্তকারী কর্মকর্তাকে প্রদান করিবে এবং এইরূপ অপরাধ সংঘটনের বিষয়টি স্থানীয় থানাকে অবহিত করিবে।]

(৩) এই ধারার অধীন যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে কোন মেডিক্যাল পরীক্ষা সম্পন্ন না করার ক্ষেত্রে, তৎসম্পর্কে ব্যাখ্যা সম্বলিত প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা কিংবা, ক্ষেত্রমত, মেডিক্যাল পরীক্ষার আদেশ প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ বা তাহার নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ম্যাজিষ্ট্রেট, ট্রাইব্যুনাল বা সংশ্লিষ্ট অন্য কোন কর্তৃপক্ষ যদি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে মেডিক্যাল পরীক্ষা সম্পন্ন না হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকই দায়ী, তাহা হইলে উহা দায়ী ব্যক্তির অদক্ষতা ও অসদাচরণ বলিয়া বিবেচিত হইবে এবং এই অদক্ষতা ও অসদাচরণ তাহার বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনে লিপিবদ্ধ করা হইবে এবং উপযুক্ত ক্ষেত্রে চাকুরী বিধিমালা অনুযায়ী তাহার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে, এবং সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কর্তব্যে অবহেলার জন্য তাহার নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ বা, ক্ষেত্রমত, যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ট্রাইব্যুনাল নির্দেশ দিতে পারিবে ৷]

### অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং অপরাধের শিকার ব্যক্তির ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড (ডিএনএ) পরীক্ষা

<sup><a id="fnref-81" href="#fn-81">81</a></sup> \[ <sup><a id="fnref-82" href="#fn-82">82</a></sup> \[৩২ক। (১) এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং অপরাধের শিকার ব্যক্তির ধারা ৩২ এর অধীন মেডিক্যাল পরীক্ষা ছাড়াও, উক্ত ব্যক্তির সম্মতি থাকুক বা না থাকুক, তদন্তকারী কর্মকর্তা মামলার ঘটনা ও পারিপার্শ্বিকতা বিবেচনায় প্রয়োজন মনে করিলে [ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড (ডিএনএ) আইন, ২০১৪](/laws/act-1151 "Act 1151") (২০১৪ সনের ১০ নং আইন) এবং উক্ত আইনের অধীন প্রণীত বিধিমালা এর বিধান অনুযায়ী ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড (ডিএনএ) পরীক্ষা করিতে পারিবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, উক্তরূপ ডিএনএ পরীক্ষা করিবার বা না করিবার ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল বা, ক্ষেত্রমত, এখতিয়ারসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমোদন আবশ্যক হইবে এবং যেক্ষেত্রে তদন্তকারী কর্মকর্তা উক্তরূপ অনুমোদনক্রমে ডিএনএ পরীক্ষা না করেন, সেইক্ষেত্রে তিনি উক্তরূপ পরীক্ষা না করিবার কারণ, যথার্থতা এবং ট্রাইব্যুনাল বা, ক্ষেত্রমত, এখতিয়ারসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমোদন সম্পর্কিত তথ্য তাহার তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করিবেন।

(২) এই আইনের অধীন ধর্ষণ সম্পর্কিত অপরাধের ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নমুনা কোন ডিএনএ ল্যাবে প্রেরিত হইলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উক্ত পরীক্ষা সম্পন্নপূর্বক পরীক্ষার ফলাফল ন্যূনতম সময়ের মধ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তা বা, ক্ষেত্রমত, ট্রাইব্যুনাল বা এখতিয়ারসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট সরবরাহের ব্যবস্থা করিতে হইবে।]]

### সাক্ষী, ইত্যাদির সুরক্ষা ও ভাতা

<sup><a id="fnref-83" href="#fn-83">83</a></sup> \[৩২খ।  (১) ট্রাইব্যুনাল বা, ক্ষেত্রমত, ম্যাজিস্ট্রেট সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিত্তে বা স্বীয় বিবেচনায় তদন্তাধীন বা বিচারাধীন মামলার অভিযোগকারী বা অপরাধের শিকার ব্যক্তি বা কোন সাক্ষীকে নিরাপত্তা বা সুরক্ষা প্রদানে প্রয়োজনীয় আদেশ প্রদান ও ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে।

(২) ট্রাইব্যুনাল এই আইনের অধীন দায়েরকৃত মামলায় আগত সাক্ষীদের যাতায়াত ও সময়ের ক্ষতিপূরণ বাবদ যুক্তিসংগত পরিমাণ অর্থ নির্ধারণ ও প্রদান করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং এতদুদ্দেশ্যে সরকার প্রত্যেক ট্রাইব্যুনালের অনুকূলে পৃথক অর্থ বরাদ্দ করিবে।]

### বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা

৩৩৷ সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে ।

### ১৯৯৫ সনের ১৮ নং আইনের রহিতকরণ ও হেফাজত

৩৪৷ (১) নারী ও শিশু নির্যাতন (বিশেষ বিধান) আইন, ১৯৯৫ (১৯৯৫ সনের ১৮ নং আইন), অতঃপর উক্ত আইন বলিয়া উল্লিখিত, এতদ্বারা রহিত করা হইল ।

(২) উক্তরূপ রহিতকরণের অব্যবহিত পূর্বে উক্ত আইনের অধীন অনিষ্পন্ন মামলা সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালে এবং অনুরূপ মামলায় প্রদত্ত আদেশ, রায় বা শাস্তির বিরুদ্ধে আপীল সংশ্লিষ্ট আদালতে এমনভাবে পরিচালিত ও নিষ্পত্তি হইবে যেন উক্ত আইন রহিত করা হয় নাই ।

(৩) উক্ত আইনের অধীন অপরাধের কারণে যে সমস্ত মামলার রিপোর্ট বা অভিযোগ করা হইয়াছে বা তত্প্রেক্ষিতে চার্জশীট দাখিল করা হইয়াছে, বা মামলা তদন্তাধীন রহিয়াছে, সেই সমস্ত মামলাও উপ-ধারা (২) এ উল্লেখিত আদালতে বিচারাধীন মামলা বলিয়া গণ্য হইবে ।

(৪) উক্ত আইনের অধীন গঠিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালত সমূহ এই আইনের অধীন গঠিত ট্রাইব্যুনাল হিসাবে গণ্য হইবে এবং উপ-ধারা (২) অনুসারে উহাতে উল্লিখিত মামলাসমূহ নিষ্পত্তি করা যাইবে ।

### ধারা ১১ এর দফা (গ) এ বর্ণিত অপরাধ সম্পর্কে বিশেষ বিধান

<sup><a id="fnref-84" href="#fn-84">84</a></sup> \[৩৫।  (১) এই আইনে যাহা কিছু থাকুক না কেন, [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") বলবৎ হওয়ার তারিখ হইতে ধারা ১১ এর দফা (গ) এ বর্ণিত অপরাধ প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচারার্থ গ্রহণীয় ও বিচারযোগ্য হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") বলবৎ হওয়ার পূর্বে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ধারা ১১ এর দফা (গ) এর অধীন দায়েরকৃত অনিষ্পন্ন মামলাসমূহ এখতিয়ারসম্পন্ন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বদলি হইবে না এবং উক্ত আইন বলবৎ হইবার পূর্বে এই আইনের অধীন অনিষ্পন্ন মামলাসমূহ তদন্তকারী কর্মকর্তা, এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত, ট্রাইব্যুনাল এবং আপীল-সংশ্লিষ্ট আদালতে এইরূপে পরিচালিত ও নিষ্পত্তি হইবে যেন উক্ত আইন বলবৎ হয় নাই।

(২) ধারা ১১ এর দফা (গ) এ বর্ণিত অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণীয় (Cognizable), আপসযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের অভিযোগ দায়ের, তদন্ত, বিচার, আপিল ও নিষ্পত্তিসহ পদ্ধতিগত সকল ক্ষেত্রে এই আইনের অন্যান্য ধারার বিশেষ বিধানাবলির পরিবর্তে ফৌজদারী কার্যবিধি ও [Evidence Act, 1872](/laws/act-24 "Act 24") (Act I of 1872)-এর বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।

(৩) যদি ট্রাইব্যুনালে বিচার্য কোন অপরাধের সহিত ধারা ১১ এর দফা (গ) এ বর্ণিত অপরাধ এমনভাবে জড়িত থাকে যে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে উভয় অপরাধের বিচার একই সংগে বা একই মামলায় করা প্রয়োজন, তাহা হইলে উক্ত ধারা ১১ এর দফা (গ) এ বর্ণিত অপরাধটির বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচার্য অপরাধের সহিত এই আইনের বিধান অনুসরণে একই সংগে বা একই ট্রাইব্যুনালে করা যাইবে।]

***

### Footnotes

<a id="fn-1" />**1.** দফা (ছছ) এবং (ছছছ) [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ২ (ক) ধারাবলে সন্নিবেশিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-2" />**2.** দফা (ঞ) এবং (ট) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০০৩ (২০০৩ সনের ৩০ নং আইন) এর ২ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত ।

<a id="fn-3" />**3.** দফা (ঞঞ) [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ২ (খ) ধারাবলে সন্নিবেশিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-4" />**4.** “বিশ লক্ষ টাকা” শব্দগুলি “এক লক্ষ টাকা” শব্দগুলির পরিবর্তে [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৩ (ক) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-5" />**5.** “দশ লক্ষ টাকার” শব্দগুলি “এক লক্ষ টাকার” শব্দগুলির পরিবর্তে [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৩ (খ) (অ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-6" />**6.** “পাঁচ লক্ষ টাকার” শব্দগুলি “পঞ্চাশ হাজার টাকার” শব্দগুলির পরিবর্তে [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৩ (খ) (আ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-7" />**7.** “পাঁচ লক্ষ টাকার” শব্দগুলি “পঞ্চাশ হাজার টাকার” শব্দগুলির পরিবর্তে [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৩ (গ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-8" />**8.** মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৩ নং আইন) এর ৪৭(১) ধারাবলে রহিত

<a id="fn-9" />**9.** মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৩ নং আইন) এর ৪৭(১) ধারাবলে রহিত

<a id="fn-10" />**10.** “ [মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২](/laws/act-1086 "Act 1086") (২০১২ সনের ৩ নং আইন) এর ধারা ৩ ও ৬ এ উল্লিখিত” শব্দগুলি, কমা, সংখ্যাগুলি এবং বন্ধনী “ধারা ৫-এ উল্লিখিত” শব্দগুলি, সংখ্যা এবং চিহ্নের পরিবর্তে [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২০](/laws/act-1351 "Act 1351") (২০২০ সনের ২২ নং আইন) এর ২ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

<a id="fn-11" />**11.** উপ-ধারা (১) [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৪ (ক) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-12" />**12.** “ধর্ষণের শিকার" শব্দগুলি “ধর্ষিতা” শব্দের পরিবর্তে [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২০](/laws/act-1351 "Act 1351") (২০২০ সনের ২২ নং আইন) এর ৩(খ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

<a id="fn-13" />**13.** “অন্যূন দুই লক্ষ টাকা” শব্দগুলি “অন্যূন এক লক্ষ টাকা” শব্দগুলির পরিবর্তে [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৪ (খ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-14" />**14.** “বা সংঘবদ্ধভাবে” শব্দগুলি “দলবদ্ধভাবে” শব্দটির পর [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৪ (গ) ধারাবলে সন্নিবেশিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-15" />**15.** “অন্যূন দুই লক্ষ টাকা” শব্দগুলি “অন্যূন এক লক্ষ টাকা” শব্দগুলির পরিবর্তে [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৪ (গ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-16" />**16.** “মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে" শব্দগুলি “যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে” শব্দগুলির পরিবর্তে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০২০ (২০২০ সনের ২২ নং আইন) এর ৩(গ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

<a id="fn-17" />**17.** সেমিকোলন (;) চিহ্ন দাঁড়ি (।) চিহ্নের পরিবর্তে [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৪ (ঘ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-18" />**18.** দফা (গ) [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৪ (ঘ) ধারাবলে সন্নিবেশিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-19" />**19.** “বা অন্য কোন শৃঙ্খলা-বাহিনীর” শব্দগুলি “পুলিশ” শব্দটির পর [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৪ (ঙ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-20" />**20.** “ধর্ষণের শিকার" শব্দগুলি “ধর্ষিতা” শব্দটির পরিবর্তে [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২০](/laws/act-1351 "Act 1351") (২০২০ সনের ২২ নং আইন) এর ৩(ঘ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

<a id="fn-21" />**21.** “ধর্ষণের শিকার" শব্দগুলি “ধর্ষিতা” শব্দটির পরিবর্তে [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২০](/laws/act-1351 "Act 1351") (২০২০ সনের ২২ নং আইন) এর ৩(ঘ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

<a id="fn-22" />**22.** “দায়িত্বপ্রাপ্ত” শব্দটি “দায়ী” শব্দের পরিবর্তে [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২০](/laws/act-1351 "Act 1351") (২০২০ সনের ২২ নং আইন) এর ৩(ঘ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

<a id="fn-23" />**23.** “অন্যূন পঞ্চাশ হাজার টাকা” শব্দগুলি “অন্যূন দশ হাজার টাকা” শব্দগুলির পরিবর্তে [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৪(ঙ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-24" />**24.** উপ-ধারা (৬) [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৪ (চ) ধারাবলে সন্নিবেশিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-25" />**25.** ধারা ৯ক নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০০৩ (২০০৩ সনের ৩০ নং আইন) এর ৪ ধারাবলে সন্নিবেশিত

<a id="fn-26" />**26.** ধারা ৯খ [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৫ ধারাবলে সন্নিবেশিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-27" />**27.** ধারা ১০ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০০৩ (২০০৩ সনের ৩০ নং আইন) এর ৫ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত

<a id="fn-28" />**28.** “কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম (simple hurt) করেন” শব্দগুলি এবং বন্ধনীগুলি “, উক্ত নারীকে আহত করেন বা আহত করার চেষ্টা করেন,” কমাগুলি এবং শব্দগুলির পরিবর্তে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০০৩ (২০০৩ সনের ৩০ নং আইন) এর ৬ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত

<a id="fn-29" />**29.** দফা (ক) [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৬ (ক) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-30" />**30.** দফা (কক) [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৬ (খ) ধারাবলে সন্নিবেশিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-31" />**31.** দফা (খ) ও (গ) পূর্ববর্তী দফা (খ) এর পরিবর্তে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০০৩ (২০০৩ সনের ৩০ নং আইন) এর ৬ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত

<a id="fn-32" />**32.** “অনধিক পাঁচ বৎসর কিন্তু অন্যূন দুই বৎসর” শব্দগুলি “অনধিক তিন বৎসর কিন্তু অন্যূন এক বৎসর” শব্দগুলির পরিবর্তে [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৬ (গ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-33" />**33.** ধারা ১৩ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০০৩ (২০০৩ সনের ৩০ নং আইন) এর ৭ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত

<a id="fn-34" />**34.** “নির্যাতনের শিকার” শব্দগুলি “নির্যাতিতা” শব্দটির পরিবর্তে [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৭ (ক) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-35" />**35.** “বা ছবি” শব্দগুলি “নাম-ঠিকানা” শব্দগুলি ও হাইফেন এর পর [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৭ (খ) ধারাবলে সন্নিবেশিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-36" />**36.** “বা অনলাইনে বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে” শব্দগুলি “অন্য কোন সংবাদ মাধ্যমে” শব্দগুলির পর [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৭ (খ) ধারাবলে সন্নিবেশিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-37" />**37.** “মর্যাদাহানি বা” শব্দগুলি “যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির” শব্দগুলির পর [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৮ (ক) ধারাবলে সন্নিবেশিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-38" />**38.** উপ-ধারা (২) [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৮ (খ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-39" />**39.** উপ-ধারা (৩) [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৮ (গ) ধারাবলে সন্নিবেশিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-40" />**40.** ধারা ১৮ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০০৩ (২০০৩ সনের ৩০ নং আইন) এর ৮ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত ।

<a id="fn-41" />**41.** “ত্রিশ” শব্দটি “ষাট” শব্দটির পরিবর্তে [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৯ (ক) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-42" />**42.** উপ-ধারা (২) [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৯ (খ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-43" />**43.** উপ-ধারা (৩) [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৯ (গ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-44" />**44.** উপ-ধারা (৪) ও (৫) [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৯ (ঘ) ধারাবলে বিলুপ্ত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-45" />**45.** উপ-ধারা (৬) [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৯ (ঙ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-46" />**46.** “নিজ বা তাহার উর্ধ্বতন কোন কর্মকর্তার নির্দেশে” শব্দগুলি “কোন অপরাধের তদন্তকারী কর্মকর্তা” শব্দগুলির পর [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৯ (চ) ধারাবলে সন্নিবেশিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-47" />**47.** “বা, ক্ষেত্রমত, তাহার উর্ধ্বতন কর্মকর্তার” শব্দগুলি “উক্ত তদন্তকারী কর্মকর্তার” শব্দগুলির পর [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৯(চ) ধারাবলে সন্নিবেশিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-48" />**48.** “বা, ক্ষেত্রমত, ম্যাজিস্ট্রেট” শব্দগুলি “ট্রাইব্যুনাল” শব্দের পর [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৯ (ছ) ধারাবলে সন্নিবেশিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-49" />**49.** উপ-ধারা (১০) [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৯ (জ) ধারাবলে সন্নিবেশিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-50" />**50.** ধারা ১৯ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০০৩ (২০০৩ সনের ৩০ নং আইন) এর ৯ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত

<a id="fn-51" />**51.** উপ-ধারা (১) [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২০](/laws/act-1351 "Act 1351") (২০২০ সনের ২২ নং আইন) এর ৪ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

<a id="fn-52" />**52.** “, এবং ধারা ১১ এর দফা (গ) এ উল্লিখিত অপরাধ আপসযোগ্য হইবে” কমা, শব্দগুলি এবং বন্ধনী [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ১০ (ক) ধারাবলে বিলুপ্ত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-53" />**53.** “বা, ক্ষেত্রমত, এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত” শব্দগুলি ও কমাগুলি “ট্রাইব্যুনাল” শব্দের পর [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ১০ (খ) ধারাবলে সন্নিবেশিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-54" />**54.** “বা, ক্ষেত্রমত, এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত” শব্দগুলি ও কমাগুলি “ট্রাইব্যুনাল” শব্দের পর [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ১০ (গ) ধারাবলে সন্নিবেশিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-55" />**55.** “বা, ক্ষেত্রমত, এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত” শব্দগুলি ও কমাগুলি “ট্রাইব্যুনাল” শব্দের পর [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ১০ (ঘ) ধারাবলে সন্নিবেশিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-56" />**56.** “বা, ক্ষেত্রমত, এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত” শব্দগুলি ও কমাগুলি “ট্রাইব্যুনাল” শব্দের পর [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ১০ (ঘ) ধারাবলে সন্নিবেশিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-57" />**57.** উপ-ধারা (১) [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ১১ (ক) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-58" />**58.** “কার্যদিবসের” শব্দ “দিনের” শব্দের পরিবর্তে [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ১১ (খ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-59" />**59.** উপ-ধারা (৩ক) [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ১১ (গ) ধারাবলে সন্নিবেশিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-60" />**60.** উপ-ধারা (৪) [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ১১ (ঘ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-61" />**61.** উপ-ধারা (৬) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০০৩ (২০০৩ সনের ৩০ নং আইন) এর ১০ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত

<a id="fn-62" />**62.** “ [শিশু আইন, ২০১৩](/laws/act-1119 "Act 1119") (২০১৩ সনের ২৪ নং আইন)” শব্দগুলি, কমা, সংখ্যাগুলি এবং বন্ধনী “ [Children Act, 1974](/laws/act-470 "Act 470") (XXXIX of 1974)” শব্দগুলি, কমা, সংখ্যাগুলি এবং বন্ধনীর পরিবর্তে [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২০](/laws/act-1351 "Act 1351") (২০২০ সনের ২২ নং আইন) এর ৫(খ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

<a id="fn-63" />**63.** উপ-ধারা (৮) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০০৩ (২০০৩ সনের ৩০ নং আইন) এর ১০ ধারাবলে সংযোজিত।

<a id="fn-64" />**64.** উপ-ধারা (৯) [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ১১ (ঙ) ধারাবলে সন্নিবেশিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-65" />**65.** ধারা ২১ [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ১২ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-66" />**66.** “অপরাধের শিকার ব্যক্তি বা” শব্দগুলি “মনে করেন যে,” শব্দগুলি ও কমার পর [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ১৩ ধারাবলে সন্নিবেশিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-67" />**67.** উপ-ধারা (৪) [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ১৪ ধারাবলে সন্নিবেশিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-68" />**68.** ধারা ২৪ক [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ১৫ ধারাবলে সন্নিবেশিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-69" />**69.** ধারা ২৫ক [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ১৬ ধারাবলে সন্নিবেশিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-70" />**70.** “অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজও” শব্দগুলি “যথাক্রমে অতিরিক্ত জেলা জজ ও অতিরিক্ত দায়রা জজও” শব্দগুলির পরিবর্তে [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ১৭ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-71" />**71.** ধারা ২৬ক [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ১৮ ধারাবলে সন্নিবেশিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-72" />**72.** উপ-ধারা (১), (১ক), (১খ) এবং (১গ) পূর্ববর্তী উপ-ধারা (১) এর পরিবর্তে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০০৩ (২০০৩ সনের ৩০ নং আইন) এর ১১ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত

<a id="fn-73" />**73.** উপ-ধারা (১ঘ) [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ১৯ ধারাবলে সন্নিবেশিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-74" />**74.** “ত্রিশ” শব্দটি “ষাট” শব্দটির পরিবর্তে [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ২০ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-75" />**75.** ধারা ৩১ [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ২১ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-76" />**76.** ধারা ৩১ক নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০০৩ (২০০৩ সনের ৩০ নং আইন) এর ১২ ধারাবলে সন্নিবেশিত

<a id="fn-77" />**77.** উপ-ধারা (৪) [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ২২ ধারাবলে সন্নিবেশিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-78" />**78.** “অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং অপরাধের শিকার ব্যক্তির মেডিক্যাল পরীক্ষা” শব্দগুলি “অপরাধের শিকার ব্যক্তির মেডিক্যাল পরীক্ষা” শব্দগুলির পরিবর্তে [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২০](/laws/act-1351 "Act 1351") (২০২০ সনের ২২ নং আইন) এর ৬ (ক) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

<a id="fn-79" />**79.** ধারা ৩২ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০০৩ (২০০৩ সনের ৩০ নং আইন) এর ১৩ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত

<a id="fn-80" />**80.** উপ-ধারা (১) ও (২) [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ২৩ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-81" />**81.** ৩২ক [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২০](/laws/act-1351 "Act 1351") (২০২০ সনের ২২ নং আইন) এর ৭ ধারাবলে সন্নিবেশিত।

<a id="fn-82" />**82.** ধারা ৩২ক [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ২৪ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-83" />**83.** ধারা ৩২খ [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ২৫ ধারাবলে সন্নিবেশিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<a id="fn-84" />**84.** ধারা ৩৫ [নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬](/laws/act-1714 "Act 1714") (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ২৬ ধারাবলে সংযোজিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।

<Note>
  Click [here](http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-835.html) to see the original act on the Bangladesh Legal Database.
</Note>
